দৈনিক গড়ে এক হাজার কোটি! প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ২১:৪০:৫৬
দৈনিক গড়ে এক হাজার কোটি! প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি
ফাইল ছবি

চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শুরুতেই দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহে এক অভাবনীয় জোয়ার দেখা গেছে। এপ্রিলের প্রথম চার দিনেই দেশে এসেছে মোট ৩৩ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ হাজার ১৩৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার সমান (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

এর ফলে দেখা যাচ্ছে, দৈনিক গড়ে এক হাজার কোটি টাকারও বেশি রেমিট্যান্স দেশে প্রবেশ করছে। রোববার (৫ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইতিবাচক তথ্য জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের এপ্রিলের প্রথম চার দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে বিস্ময়কর ৪২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। শুধু তাই নয়, চলতি অর্থবছরের সামগ্রিক চিত্রও বেশ আশাব্যঞ্জক।

গত ১ জুলাই থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬৫৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের (২ হাজার ১৮৫ কোটি ডলার) তুলনায় ২১ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। ঈদ উৎসব ও পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে প্রবাসীরা বেশি করে টাকা পাঠানোয় রিজার্ভে এমন স্বস্তির হাওয়া লেগেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ১০:৩৩:১৫
সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও বাড়িয়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) সকালে ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানোর ফলে বর্তমানে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকায়।

বাজুসের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকেই সারাদেশে এই নতুন দর কার্যকর হয়েছে। এর আগে গত ৩১ মার্চও সোনার দাম এক দফা বাড়ানো হয়েছিল, যেখানে ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। অর্থাৎ মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সোনার দাম আকাশচুম্বী উচ্চতায় পৌঁছেছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট সোনা ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৫১ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩০ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালেও দেশের বাজারে রেকর্ড ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল।

সোনার পাশাপাশি রুপার দামও ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকায়। চলতি বছর রুপার দামও এখন পর্যন্ত ৩০ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৭ বারই দাম বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় চাহিদার কারণে মূল্যবান এই ধাতুগুলোর দাম প্রতিনিয়ত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

/আশিক


সরাসরি তেল কেনার ঘোষণা! জ্বালানি নিয়ে সরকারের বিশাল চাল

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ২১:৫৮:৫৮
সরাসরি তেল কেনার ঘোষণা! জ্বালানি নিয়ে সরকারের বিশাল চাল
ছবি : সংগৃহীত

দেশের জরুরি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে মোট ১৬ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ১ লাখ মেট্রিক টন গ্যাসোলিন (অকটেন) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে উদ্ভূত বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও সম্ভাব্য সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় সরকার এই দ্রুত আমদানির পদক্ষেপ নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক (ইউএই) ডিবিএস ট্রেডিং হাউস এফজেডসিওর কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১০ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ১ লাখ মেট্রিক টন ৯৫ আনলেডেড অকটেন কেনা হবে।

এছাড়া ইউএইর আরেক কোম্পানি ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসির কাছ থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন এবং কাজাখস্তানের কাজাখ গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপির কাছ থেকে ৫ লাখ মেট্রিক টন হাই স্পিড ডিজেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতেই এই বিশাল পরিমাণ জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

/আশিক


বিনিময় হারে বড় চমক! ওমানি রিয়াল ও ব্রিটিশ পাউন্ডের নতুন দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ১৩:০১:৪৫
বিনিময় হারে বড় চমক! ওমানি রিয়াল ও ব্রিটিশ পাউন্ডের নতুন দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে আন্তর্জাতিক লেনদেনের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সঠিক বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আজ শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী বিদেশি মুদ্রার বিনিময় হার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আমেরিকান ডলারের দর ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় অবস্থান করছে।

অন্যদিকে ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো ১৪২ টাকা ২৪ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৩ টাকা ৩০ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৬১ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান ১৭ টাকা ৮৪ পয়সা দরে বিনিময় হচ্ছে।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১ রুপি সমান বাংলাদেশি টাকায় ১ টাকা ৩১ পয়সা ধার্য করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কর্মরত প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের জন্য রিঙ্গিত ও রিয়ালের দরেও কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।

বর্তমানে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০ টাকা ৩৭ পয়সা এবং সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৬১ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে।

ওমানি রিয়াল ৩১৮ টাকা ৩৮ পয়সা হলেও কুয়েতি দিনারের মান বরাবরের মতো সর্বোচ্চ অবস্থানে থেকে ৩৯৫ টাকা ৭৭ পয়সায় পৌঁছেছে।

অন্যান্য মুদ্রার মধ্যে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৫ টাকা ০১ পয়সা, কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ৪৬ পয়সা এবং জাপানি ইয়েন মাত্র ৭৭ পয়সা দরে বিনিময় হচ্ছে।

বাণিজ্যিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এই বিনিময় হারগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যা আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের সঠিক হিসাব বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

(সূত্র: গুগল)

*যে কোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।


ভরিপ্রতি নতুন দরে কাঁপছে সোনার বাজার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ০৯:৫৯:৪২
ভরিপ্রতি নতুন দরে কাঁপছে সোনার বাজার
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা। গত ১ এপ্রিল ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানোর পর আজ শনিবারও (৪ এপ্রিল) সেই উচ্চমূল্যেই সোনা কেনাবেচা চলছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) নির্ধারণ করা নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

বাজুসের সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী, অন্যান্য মানের সোনার দামও চড়া। ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে মনে রাখতে হবে, এই মূল্যের সঙ্গে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করে চূড়ান্ত দাম পরিশোধ করতে হবে গ্রাহকদের। চলতি ২০২৬ বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৫১ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩০ বারই বাড়ানো হয়েছে।

/আশিক


আবারও স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি ছাড়ালো যত

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৩ ১২:১৭:০৬
আবারও স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি ছাড়ালো যত
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় দেশের স্বর্ণবাজারেও নতুন করে দামের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রতি ভরি স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে, যা সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি–এর সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য দুই লাখ ৪৭ হাজার টাকার সীমা অতিক্রম করেছে এবং বর্তমানে তা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকায়। একইভাবে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকায়।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি দেশের বাজারে পড়েছে। ফলে স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ছিল না।

অন্যদিকে, স্বর্ণের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেলেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকায়। ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫০০ টাকা।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশসহ অন্যান্য আমদানিনির্ভর দেশের বাজারে।

এই পরিস্থিতিতে স্বর্ণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ আবারও একটি আকর্ষণীয় সম্পদ হিসেবে উঠে আসছে।

-রাফসান


বাংলাদেশ ব্যাংক–এর সাবেক গভর্নরের দুর্নীতি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৩ ০৯:৩৩:০৫
বাংলাদেশ ব্যাংক–এর সাবেক গভর্নরের দুর্নীতি
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংক–এর সদ্য সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর–কে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের জন্ম হয়েছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে তার নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রতিষ্ঠানের ভেতরের একাধিক কর্মকর্তা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ অনুযায়ী, সিএসআর তহবিল ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় না রেখে কিছু ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও পরিচিতির ভিত্তিতে অনুদান দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তহবিল তছরুপ এবং স্বজনপ্রীতির অভিযোগ সামনে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাসে ১৯৭২ সাল থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১২ জন গভর্নর দায়িত্ব পালন করলেও আহসান এইচ মনসুরের দায়িত্বকাল ছিল সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত—মাত্র এক বছর ছয় মাস ১৭ দিন। স্বল্প সময় দায়িত্বে থাকলেও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন এবং মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, তার সময়কালে চুয়াডাঙ্গায় তার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির প্রতিষ্ঠিত একটি ফাউন্ডেশনকে প্রায় তিন কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়, যেখানে যথাযথ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। একইভাবে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অনুদান অনুমোদনেও দ্রুততার অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া নীলফামারীর একটি বিদ্যালয়ে অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সংযোগের বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি জানানো হলেও তা উপেক্ষিত হয়েছে।

আরও গুরুতর অভিযোগ হিসেবে উঠে এসেছে, টাঙ্গাইলের করটিয়ায় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দেওয়া হয়েছে, যেখানে সাবেক গভর্নর নিজেই পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি স্বার্থের সংঘাতের একটি স্পষ্ট উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

সাধারণত বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর তহবিল শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়। অতীতে বিভিন্ন বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সহায়তা দেওয়া হলেও সরকারি প্রতিষ্ঠানে অনুদান দেওয়ার নজির খুব কম।

অন্যদিকে, তার দায়িত্বকালীন সময়ে ব্যাংকিং খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও সামনে এসেছে। ঋণ জালিয়াতি ও অর্থপাচার রোধে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও দৃশ্যমান সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কঠোর নজরদারি ও তদন্ত কার্যক্রমের ফলে শিল্পখাতে নতুন বিনিয়োগ কিছুটা মন্থর হয়ে পড়ে এবং পুঁজিবাজারে স্থবিরতা তৈরি হয়, যা অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে আরেকটি আলোচিত বিষয় হলো বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট–এর সঙ্গে সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশনা। অভিযোগ রয়েছে, ফ্রিজকৃত হিসাবের তথ্য অনিয়মিতভাবে বাইরে পৌঁছানোর ফলে আর্থিক খাতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এর পাশাপাশি সরকারি নীতিমালা অনুসরণ না করে বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়ের অভিযোগও উঠেছে, যা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

-রফিক


টাকার বিপরীতে আজকের ডলার-ইউরো-পাউন্ড রেট, কী বাড়ল

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১৪:১৬:১৫
টাকার বিপরীতে আজকের ডলার-ইউরো-পাউন্ড রেট, কী বাড়ল
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের গুরুত্ব অপরিসীম, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিক নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনৈতিক প্রবাহ সচল রাখছেন। এই প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রবাসী আয়, আমদানি ব্যয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সর্বশেষ বিনিময় হার অনুযায়ী, ব্রিটিশ পাউন্ড ও ইউরোর দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে পরিবর্তনের একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে মার্কিন ডলারের দর তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে।

বর্তমান হিসাবে, প্রতি মার্কিন ডলার ক্রয়মূল্য ১২১.৯০ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৩.২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয়মূল্য ১৬০.৪৮ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৪.৭৮ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

ইউরোর ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে ক্রয়মূল্য ১৩৯.৯৩ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪৩.৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া জাপানি ইয়েনের ক্রয়মূল্য ০.৭৬ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ০.৭৯ টাকা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৩.৮১ থেকে ৮৪.৭৬ টাকা, হংকং ডলার ১৫.৫৫ থেকে ১৫.৭৩ টাকা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৩.৭১ থেকে ৯৬.২৩ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। এছাড়া কানাডিয়ান ডলার ৮৭.৬০ থেকে ৮৮.৬১ টাকা পর্যন্ত রয়েছে।

আঞ্চলিক মুদ্রার মধ্যে ভারতীয় রুপির ক্রয়মূল্য ১.৩১ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১.৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা সৌদি রিয়াল ৩২.৪৮ থেকে ৩২.৮৪ টাকা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০.২১ থেকে ৩০.৫৯ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউরো ও পাউন্ডের দর বৃদ্ধির পেছনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সুদের হার এবং জ্বালানি বাজারের পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে ডলারের তুলনামূলক স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিতে পারে।

প্রবাসীদের জন্য এই বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের প্রেরিত অর্থের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে আমদানি নির্ভর অর্থনীতিতে এই হার পণ্যের মূল্য ও বাজার পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলে।

সূত্রঃ এনসিসি ব্যাংক


জ্বালানি সংকটের মেঘ কাটছে! কালই চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে ডিজেলের বিশাল চালান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১১:৫২:১৬
জ্বালানি সংকটের মেঘ কাটছে! কালই চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে ডিজেলের বিশাল চালান
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা ও মজুত সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার জোরালো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সরকারের সফল কূটনৈতিক তৎপরতা এবং বিকল্প উৎস থেকে তেল আমদানির ফলে এপ্রিল মাসেই ডিজেল ও অপরিশোধিত তেলের বেশ কয়েকটি বড় চালান দেশে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, আগামীকাল শুক্রবারই (৩ এপ্রিল) প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দুটি বড় জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে। এছাড়া পুরো মাসজুড়ে পর্যায়ক্রমে আরও কয়েক লাখ টন জ্বালানি তেল আসার সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে দেশে থাকা ডিজেলের মজুতের সঙ্গে এই নতুন আমদানি যুক্ত হলে সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মধ্যপ্রাচ্যের ওপর একক নির্ভরশীলতা কমাতে সরকার এখন নাইজেরিয়া, কাজাখস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো থেকে তেল সংগ্রহের ওপর জোর দিচ্ছে। এমনকি রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সুযোগে সেখান থেকেও ডিজেল আমদানির বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ আরও নিশ্চিত করেছে যে, শুধু ডিজেল নয়, অকটেন ও পেট্রোলের মজুত নিয়েও কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসে ৩৭ হাজার টন অকটেনের চাহিদার বিপরীতে স্থানীয় বেসরকারি শোধনাগার থেকেই আসছে ৩০ হাজার টন। বাকি চাহিদা আমদানিকৃত তেল দিয়ে মেটানো হচ্ছে। অন্যদিকে, ৪৪ হাজার টন পেট্রোলের চাহিদার বড় অংশই স্থানীয় উৎস থেকে মেটানো সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ বর্তমানে সচল রয়েছে।

যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকারের কূটনৈতিক পদক্ষেপও সফল হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া তথ্যমতে, বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী ছয়টি জাহাজকে ওই গুরুত্বপূর্ণ পথ দিয়ে আসার বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সৌদি আরবের লোহিত সাগর তীরবর্তী বন্দর থেকে বিকল্পভাবে কেনা এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল আগামী মাসের শুরুতেই দেশে পৌঁছাবে। বিপিসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক যেকোনো সংকট মোকাবিলায় বর্তমানে তিন মাসের অগ্রিম মজুত গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।

/আশিক


এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ০৯:৩৬:২৬
এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারেও এর বড় প্রভাব পড়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। এর ফলে দেশে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, যা দেশের স্বর্ণের বাজারের ইতিহাসে একটি নতুন রেকর্ড।

বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকায় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা। বিশ্বজুড়ে চলমান অস্থিরতা এবং ডলারের দাপট কমে আসায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বেড়ে যাওয়াকেই এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

তবে স্বর্ণের দাম আকাশচুম্বী হলেও রুপার দাম বর্তমানে অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। আগের নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাধারণ ক্রেতা ও জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের মতে, স্বর্ণের এই উচ্চমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে, যা উৎসব ও বিয়ের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: