ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট ও ড্রোন বর্ষণ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১৩:০৫:৫৪
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট ও ড্রোন বর্ষণ
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননকে কেন্দ্র করে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা লাভ করেছে, যেখানে স্থল অভিযানের জবাবে সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে হিজবুল্লাহ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া হামলায় সীমান্তবর্তী এলাকা ছাড়িয়ে ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও আঘাত হানা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি অধিকৃত অঞ্চলের গভীরে এবং সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় ব্যাপক রকেট ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। বিশেষ করে হাইফার নিকটবর্তী কিরিয়াত আতা এলাকায় সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে বড় আকারের রকেট বর্ষণ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন শহরে অগ্রসরমান ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর তারা অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে আধুনিক যুদ্ধকৌশল হিসেবে ড্রোন স্বার্ম ব্যবহার করে ইভেন মেনাখেম বসতিতেও আঘাত হানা হয়েছে। এর আগে ওই এলাকাটি সামরিক কাজে ব্যবহারের অভিযোগ তুলে বেসামরিকদের সরে যাওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।

সংগঠনটি জানিয়েছে, বুধবার থেকে শুরু হওয়া অভিযানে তারা প্রায় ৬০টি সফল সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলের অত্যাধুনিক মেরকাভা ট্যাংক ধ্বংসের দাবি, সামরিক বিমানের বিরুদ্ধে সারফেস-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার এবং দীর্ঘপাল্লার ট্যাকটিক্যাল মিসাইল হামলা।

এই হামলার বিস্তার শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকেনি; গাজার নিকটবর্তী আশদোদ শহর পর্যন্ত হামলার প্রভাব পৌঁছেছে বলে জানা গেছে, যেখানে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বৃহস্পতিবার ভোররাত থেকেই মালকিয়া, মেতুলা এবং আইনাতা অঞ্চলে ইসরায়েলি সেনা সমাবেশকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে রকেট হামলা চালানো হয়েছে। বিশেষ করে জেনায়জেল ও ঘদামতা উচ্চভূমিতে সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে গোলন্দাজ আক্রমণের খবর পাওয়া গেছে।

সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিন–এর বরাতে জানা যায়, এসব হামলায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। যদিও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবুও ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সংঘর্ষের তীব্রতা স্বীকার করেছে।

সূত্র: আল মায়াদিন


দাফন চলাকালীন হামলার চেষ্টা হলে আমেরিকা-ইসরায়েলকে ধ্বংস করার হুমকি তেহরানের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ২১:৫২:১৬
দাফন চলাকালীন হামলার চেষ্টা হলে আমেরিকা-ইসরায়েলকে ধ্বংস করার হুমকি তেহরানের
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে আমেরিকা ও ইসরায়েলকে কঠোর সামরিক হুঁশিয়ারি দিল তেহরান। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সদর দফতর ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’র দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার আলী আব্দুল্লাহি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দাফন প্রক্রিয়া চলাকালীন ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের উসকানিমূলক সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার জবাব হবে অত্যন্ত কঠোর ও ধ্বংসাত্মক।

আলী আব্দুল্লাহি দাবি করেন, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলা বা আগ্রাসন রুখে দিয়ে উপযুক্ত ও কঠিন প্রতিক্রিয়া জানাতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেল আবিব যাতে এই অন্তর্বর্তী সময়ে কোনো ভুল না করে, সেই সতর্কবার্তা দেয় তেহরান। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার দিনই এক যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ খামেনি।

দীর্ঘ চার মাসেরও বেশি সময় ধরে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তাঁর মরদেহ সংরক্ষণ করে রাখার পর, আগামীকাল রবিবার (৫ জুলাই) ভোর থেকে রাজধানী তেহরানে শুরু হচ্ছে পাঁচ দিনব্যাপী এই রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য অনুষ্ঠান। ঐতিহাসিক এই আয়োজনে ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তেহরানসহ মোট পাঁচটি প্রধান শহরে পর্যায়ক্রমে শোকযাত্রা ও জানাজা শেষে আগামী ৯ জুলাই খামেনিকে তাঁর জন্মশহর মাশহাদে দাফন করা হবে। ইরানি প্রশাসনের ধারণা, এই পাঁচ দিনে দেড় কোটিরও বেশি মানুষের ঐতিহাসিক সমাগম ঘটবে।

তবে এই বিপুল জনসমাগমের মধ্যে বড় ধরনের নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দাফন অনুষ্ঠান চলাকালীন সম্ভাব্য বিমান বা ড্রোন হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের একাংশ। বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির শেষকৃত্যকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক মঞ্চে আমেরিকা ও ইসরায়েল বিরোধী অবস্থান আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে চাইছে তেহরান।

এদিকে খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে পুত্র মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মনোনীত করা হলেও, সাম্প্রতিক এক হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তীব্র নিরাপত্তাজনিত কারণ এবং শারীরিক অসুস্থতার দরুন তিনি সশরীরে তাঁর পিতার এই দীর্ঘ দাফনক্রিয়ায় উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সূত্র: পুবের কলম


জাতিসংঘের অকাট্য প্রমাণের পরও গাজা গণহত্যা আর কতদিন চেপে রাখবে পশ্চিমা বিশ্ব ?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ২১:২৯:৫১
জাতিসংঘের অকাট্য প্রমাণের পরও গাজা গণহত্যা আর কতদিন চেপে রাখবে পশ্চিমা বিশ্ব ?
ছবি : সংগৃহীত

জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একাধিক স্বাধীন তদন্তে গাজা উপত্যকায় ইসরাইল কর্তৃক পদ্ধতিগতভাবে গণহত্যা চালানোর অকাট্য প্রমাণ মিললেও, পশ্চিমা বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলো এখনও এই নির্মম সত্যকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। অতি সম্প্রতি, গত ২৩ জুনে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড সংক্রান্ত জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের একটি নতুন প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনি জনগণের—বিশেষ করে শিশুদের ওপর ইসরাইলি বাহিনীর চালানো ভয়াবহ অপরাধের বিশদ বিবরণ নথিভুক্ত করা হয়েছে।

এর আগেও ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সংকটের পর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ও তদন্তকারী সংস্থাগুলো গাজায় গণহত্যার অকাট্য প্রমাণ হাজির করেছিল। কিন্তু বিগত দুই বছর ধরে বিশ্বজুড়ে মানুষের মোবাইল স্ক্রিনে ২৪ ঘণ্টা ধরে লাইভ সম্প্রচারিত হওয়া ধ্বংসযজ্ঞ, জাতিগত নিধন ও চরম অনাহারের চিত্র দেখার পরও পশ্চিমা নীতিনির্ধারকেরা এই বাস্তবতার দিকে চোখ বন্ধ করে রেখেছেন।

বিশ্বের সবচেয়ে প্রখ্যাত মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মূল্যায়ন এবং খোদ ইসরাইলি কর্মকর্তাদের নিজস্ব বক্তব্য যেখানে এই গণহত্যার উদ্দেশ্যকে স্পষ্ট করে, সেখানে ইউরোপ ও পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো একটি কঠোর ও একঘেয়ে অবস্থান বজায় রাখছে। আন্তর্জাতিকভাবে প্রকাশিত এই বিশেষ প্রতিবেদনগুলোর ওপর পশ্চিমা কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রায় অনুপস্থিত বললেই চলে, যা অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ নেয়।

রাজনৈতিক, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ইসরাইলের ক্ষেত্রে গণহত্যা শব্দটি ব্যবহার করা যেন এক অলিখিত নিষেধাজ্ঞা বা ট্যাবুতে পরিণত হয়েছে। এই দ্বিচারিতা বিশ্ববাসীর মনে এই সন্দেহের জন্ম দিচ্ছে যে, গণহত্যার স্বীকৃতি এখন নির্ভর করছে অপরাধীর পরিচয় এবং ভুক্তভোগীদের মর্যাদার ওপর।

পশ্চিমাদের এই পক্ষপাতমূলক আচরণের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো তাদের বহুল ব্যবহৃত কূটনৈতিক বাক্য—‘‘ইসরাইলের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে’’। এই শব্দবন্ধটিকে ইসরাইলি নেতৃত্ব মাঠপর্যায়ে নির্বিচারে মানুষ হত্যা ও সামগ্রিক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর আগাম বৈধতা হিসেবে ব্যবহার করছে।

অথচ আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী ফিলিস্তিনিদের আত্মরক্ষা বা তাদের ভূমিতে চেপে বসা সামরিক দখদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার অধিকারের বিষয়টি এখানে সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। যারা চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এই গণহত্যাকে অস্বীকার বা আড়াল করছেন, তারা প্রকারান্তরে অপরাধীদের আরও বড় যুদ্ধাপরাধ করতে উৎসাহিত করছেন। স্পেন বাদে আর হাতেগোনা কয়েকজন পশ্চিমা নেতা ছাড়া কেউই ইসরাইলের এই কর্মকাণ্ডকে প্রকাশ্যে যুদ্ধাপরাধ বা গণহত্যা বলে আখ্যা দেওয়ার সাহস দেখাননি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো যেখানে ইউক্রেন ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও দ্বিচারিতাপূর্ণ অবস্থান নিয়েছে, তা বিশ্বমঞ্চে তাদের নৈতিক দেউলিয়াত্বকেই প্রকাশ করে। ফিলিস্তিনিদের জীবন, নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদাকে পশ্চিমাদের এই অবস্থান অন্য সবার চেয়ে নিচু স্তরে নামিয়ে দিয়েছে।

এমনকি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) কর্তৃক ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরও পশ্চিমা সমালোচনা কেবল ইসরাইলি সরকারের কট্টরপন্থী দুই মন্ত্রী—ইটামার বেন গাভির এবং বেজালেল স্মোট্রিচ এবং কতিপয় অবৈধ বসতি স্থাপনকারী উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। মূল হোতা হিসেবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী এবং তাদের মূল রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সব ধরনের জবাবদিহিতা থেকে সুকৌশলে দূরে রাখা হচ্ছে।

পরিকল্পিত এই গণহত্যাকে তারা কেবল একটি মানবিক সংকট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে। তাছাড়া, দক্ষিণ আফ্রিকা কর্তৃক আন্তর্জাতিক আদালতে (আইসিজে) দায়ের করা জেনোসাইড কনভেনশন লঙ্ঘনের মামলাকে সমর্থন করার পরিবর্তে, আন্তর্জাতিক আদালতের প্রসিকিউটর ও জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের ওপর নানাভাবে চাপ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপের রাজনীতি চলছে।

পশ্চিমা বিশ্বের এই ক্রমাগত অস্বীকৃতি ও সহযোগিতা কেবল আন্তর্জাতিক আইনকেই ক্ষুণ্ন করছে না, বরং বৈশ্বিক বিচার ব্যবস্থার ভিত্তিকেও এক চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

/আশিক


আমরা দয়ালু বলেই খামেনির দাফনের জন্য এক সপ্তাহের ছুটি দিয়েছি: ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ১৮:৪৬:১৩
আমরা দয়ালু বলেই খামেনির দাফনের জন্য এক সপ্তাহের ছুটি দিয়েছি: ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাউথ ডাকোটার মাউন্ট রাশমোরে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তেহরান এখন ওয়াশিংটনের সঙ্গে আপস করতে বা চলমান উত্তেজনা মিটিয়ে ফেলতে অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি জানান, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান দেখিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা সাময়িক স্থগিত রেখে দেশটিকে ‘এক সপ্তাহের ছুটি’ দিয়েছিল। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এই বিস্ফোরক বক্তব্য উঠে এসেছে।

অনুষ্ঠানে মার্কিন সামরিক সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমরা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তুলেছি। আমরা দুটি বিশ্বযুদ্ধে জয়ী হয়েছি এবং স্নায়ুযুদ্ধ আমেরিকার শত্রুদের ইতিহাসের অতল গহ্বরে পাঠিয়ে দিয়েছে।’’

সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ‘‘আমরা একদিনে ভেনেজুয়েলাকে হারিয়েছি এবং ইরানকে চরম শিক্ষা দিয়েছি। তারা এখন আমাদের সাথে আপস করতে মরিয়া, তারা এটি খুব করে চাইছে। আমরা দয়ালু বলেই তাদের নেতার দাফন সম্পন্ন করার জন্য এক সপ্তাহের ছুটি দিয়েছিলাম।’’ এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের ‘প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্র’ এবং আমেরিকানদের ‘সবচেয়ে স্বাধীন মানুষ’ হিসেবে অভিহিত করে মানবকল্যাণ, ক্ষুধা মুক্তি ও রোগ নিরাময়ে মার্কিনিদের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন।

এদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ‘কমিউনিস্ট হুমকির’ পুনরুত্থান নিয়ে তীব্র উদ্বেগ ও সতর্কতা জারি করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের দেশে এখন কমিউনিস্টদের আনাগোনা ও প্রভাব বাড়ছে। এমনকি নবাগতদের মধ্যেও এমন সব চরমপন্থী ধারণা দেখা যাচ্ছে, যা আমাদের মার্কিন জীবনযাত্রা ও সাফল্যের সম্পূর্ণ বিরোধী।’’ কমিউনিজমকে মার্কিন স্বাধীনতার জন্য ‘মারাত্মক হুমকি’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি একে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কিংবা ৯/১১-এর চেয়েও বড় বিপদ বলে উল্লেখ করেন।

আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ট্রাম্প দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেন, ‘‘আমেরিকা কোনোদিন কমিউনিস্ট দেশ হবে না। আমরা যদি নিজেরা নিজেদের না হারাই, তবে আসন্ন নির্বাচনে আমাদের হারার কোনো সুযোগ নেই।’’ তিনি আরও দাবি করেন, মার্কিন কংগ্রেসে ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’ পাস হলে রিপাবলিকান পার্টি আগামী ১০০ বছর কোনো নির্বাচনে হারবে না।

/আশিক


ঘণ্টায় ২৭৮ কিমি গতির সুপার টাইফুন ‘বাভি’ ধেয়ে আসার পূর্বাভাস

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ১৮:৩২:৩৩
ঘণ্টায় ২৭৮ কিমি গতির সুপার টাইফুন ‘বাভি’ ধেয়ে আসার পূর্বাভাস
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গুয়াম ও উত্তর মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের দিকে ধেয়ে আসছে অত্যন্ত শক্তিশালী সুপার টাইফুন ‘বাভি’। সম্ভাব্য ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ইতিমধ্যেই ওই এলাকার বাসিন্দারা নিজ নিজ ঘরবাড়ির সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করতে শুরু করেছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে।

মার্কিন ন্যাশনাল আবহাওয়া সংস্থার তথ্যমতে, বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের সামগ্রিক পরিস্থিতি বেশ আশঙ্কাজনক। গুয়াম ও উত্তর মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের প্রতিটি বাসিন্দাকে অন্তত একটি শক্তিশালী গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের মুখোমুখি হওয়ার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আবহাওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, টাইফুন বাভি বর্তমানে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের মধ্যবর্তী সামুদ্রিক এলাকায় অবস্থান করছে। যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার (জেটিডব্লিউসি) জানিয়েছে, বর্তমানে ঝড়টির কেন্দ্রের কাছে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬৭ কিলোমিটার এবং দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ২০৩ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জেটিডব্লিউসির গাণিতিক পূর্বাভাস বলছে, পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকা বাভি অতি দ্রুতই একটি ভয়াবহ ‘সুপার টাইফুনে’ পরিণত হতে পারে। রূপান্তরের প্রাথমিক ধাপে এর বাতাসের গতি সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটারে পৌঁছাবে এবং পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা আরও শক্তিশালী হয়ে ঘণ্টায় ২৭৮ কিলোমিটারে উন্নীত হতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এই গতিবেগ আটলান্টিকের ক্যাটাগরি-৫ হারিকেনের সমতুল্য ধ্বংসাত্মক শক্তি বহন করে।

উপকূলের দিকে আসার পথে ঝড়টি কিছুটা শক্তি হারালেও, আগামী সোমবার (৬ জুলাই) সকালের দিকে বাভি সরাসরি গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে বলে প্রবল পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, পশ্চিম উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সাধারণত ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার বা তার বেশি গতির বাতাসবিশিষ্ট গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়কে ‘সুপার টাইফুন’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

/আশিক


‘ইরান এখন সমঝোতায় মরিয়া’, খামেনির দাফনে ‘এক সপ্তাহ সময়’ দিলাম: ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ১৩:৪৭:১৩
‘ইরান এখন সমঝোতায় মরিয়া’, খামেনির দাফনে ‘এক সপ্তাহ সময়’ দিলাম: ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের মধ্যেই নতুন করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের পর তেহরান এখন ওয়াশিংটনের সঙ্গে বিরোধ মিটিয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী। একই সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় দাফন ও শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটার মাউন্ট রাশমোরে দেশটির স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ ভাষণে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। বক্তব্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি, বৈশ্বিক নেতৃত্ব এবং পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিও উল্লেখ করেন।

ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ইরানকে কঠিন চাপে ফেলতে সক্ষম হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে তারা যেকোনো উপায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে চায়। যদিও এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, মানবিক বিবেচনায় খামেনির দাফন ও রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য তেহরানকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। বক্তব্যে তিনি বলেন, "আমরা ভালো মানুষ বলেই তাদের এই সময় দিয়েছি।" তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নীতিগত সিদ্ধান্ত বা পৃথক ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

ট্রাম্প একই ভাষণে ভেনিজুয়েলার প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভেনিজুয়েলাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করেছে এবং একই ধরনের চাপ ইরানের ক্ষেত্রেও কার্যকর হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক সামরিক সক্ষমতা ও কূটনৈতিক প্রভাবের বিষয়টিও বিশেষভাবে উঠে আসে।

এদিকে ইরানে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠান ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাজধানী তেহরানে প্রথমবারের মতো তাঁর কফিন সর্বসাধারণের সামনে আনা হয়। দেশটির সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার ও রোববার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সাধারণ মানুষকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দেশ থেকে আগত রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বও এই শোকানুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।

ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় লাখো মানুষ শোকমিছিল ও শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নিয়েছেন। অনেকের হাতে ছিল লাল পতাকা, যা ইরানে প্রতিরোধ, আত্মত্যাগ এবং প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। আয়োজকরা এটিকে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করছেন।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, তেহরানের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খামেনির মরদেহ ধর্মীয় নগরী কোমে নেওয়া হবে। এরপর ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় বিশেষ ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে এনে মাশহাদে ইমাম রেজার পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে দাফন সম্পন্ন করা হবে। দাফনের পর আরও কয়েক সপ্তাহব্যাপী শোক কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনাও রয়েছে।


আরাগচি-গালিবাফ হত্যাচেষ্টার খবর নাকচ ইসরায়েলের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৪ ১০:২৯:২৬
আরাগচি-গালিবাফ হত্যাচেষ্টার খবর নাকচ ইসরায়েলের
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের শীর্ষ দুই কর্মকর্তা—পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে লক্ষ্য করে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। তেল আবিবের ভাষ্য, এ ধরনের অভিযোগের কোনো বাস্তবভিত্তিক প্রমাণ নেই এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ‘ভুয়া’ ও ‘বাস্তবতার বিকৃত উপস্থাপন’ ছাড়া কিছুই নয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বিশেষ করে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, শান্তি আলোচনা চলাকালে ইরানের প্রতিনিধিদের লক্ষ্য করে হত্যার পরিকল্পনার খবর বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং তা বিভ্রান্তিকর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ওই দুই প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানায়, চলতি বছরের শুরুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলার সময় ইসরায়েল ইরানের গুরুত্বপূর্ণ আলোচকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করেছিল বলে মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এমন হামলা সংঘটিত হলে কূটনৈতিক উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারত।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সময় ইসরায়েলের সামরিক কৌশলের অন্যতম অংশ ছিল ইরানের উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক, সামরিক ও নিরাপত্তা নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের শীর্ষ কর্মকর্তা আলী লারিজানিসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। একই প্রেক্ষাপটে আরাগচি ও গালিবাফও সম্ভাব্য টার্গেটের তালিকায় থাকতে পারেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা ধারণা করেছিলেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের মূল্যায়ন ছিল ভিন্ন। তাদের মতে, শান্তি আলোচনায় সরাসরি সম্পৃক্ত দুই শীর্ষ কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ওপর হামলা হলে আলোচনার পরিবেশ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যেত এবং যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত। সে কারণেই ওয়াশিংটন সম্ভাব্য এমন পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর একটি পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, আব্বাস আরাগচি ও মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ইসরায়েলের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিলেন। তবে যুদ্ধবিরতি আলোচনা নতুন করে শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে সাময়িকভাবে তাদের নাম সেই তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পেরেছিল যে অন্তত গালিবাফ সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ইসরায়েলকে এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়, যাতে আলোচনার পরিবেশ অক্ষুণ্ন থাকে এবং নতুন করে আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি না তৈরি হয়।

প্রতিবেদনগুলোতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের জুনে সংঘটিত ১২ দিনের যুদ্ধ এবং চলতি বছরের সামরিক উত্তেজনার সময় পাহাড়ের নিচে নির্মিত একটি গোপন বাঙ্কারে জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাদের বৈঠকের ওপর হামলার ঘটনাতেও গালিবাফ অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। ইরানের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার দাবি, ওই দুই ঘটনাতেই ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।

তবে এসব দাবি ও প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির কর্মকর্তাদের বক্তব্য, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রচার করা হয়েছে এবং সেগুলো বাস্তব পরিস্থিতিকে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে না। ফলে অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের এই পর্বে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

-রফিক


খামেনির ৬ দিনের রাষ্ট্রীয় বিদায়ে থাকছে যেসব আনুষ্ঠানিকতা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৩ ১৩:৪৬:৫৩
খামেনির ৬ দিনের রাষ্ট্রীয় বিদায়ে থাকছে যেসব আনুষ্ঠানিকতা
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়কে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে নজিরবিহীন রাষ্ট্রীয় আয়োজন। দীর্ঘ সময় পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আনুষ্ঠানিকতাকে ঘিরে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে কঠোর নিরাপত্তা, ব্যাপক জনসমাগমের প্রস্তুতি এবং একাধিক ধর্মীয় কর্মসূচি গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ। ইরানি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি শুধু একটি রাষ্ট্রীয় জানাজা নয়; বরং দেশটির রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীকী প্রদর্শন হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর থেকে তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শুরু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে লাখো মানুষকে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে। আয়োজকরা আশা করছেন, অনুষ্ঠানজুড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেবেন।

ইরানি প্রশাসনের ধারণা, পুরো আয়োজনজুড়ে এক কোটি ২০ লাখ থেকে দুই কোটি মানুষের উপস্থিতি হতে পারে। যদি সেই পূর্বাভাস বাস্তবে রূপ নেয়, তাহলে এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হবে। রাজধানীর প্রধান সড়ক, ধর্মীয় কেন্দ্র এবং অনুষ্ঠানস্থলজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক দলও মোতায়েন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের সূচি অনুযায়ী, রবিবার পর্যন্ত তেহরানে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের কার্যক্রম চলবে। এরপর মঙ্গলবার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে পবিত্র শহর কোমের জামকারান মসজিদে, যেখানে শিয়া ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতিতে বিশেষ জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই আয়োজনকে ইরানের ধর্মীয় ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবেও তুলে ধরা হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরবর্তী ধাপে মরদেহ ইরাকের নাজাফে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। সেখানে ইসলামের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানগুলোতে বিশেষ দোয়া ও স্মরণানুষ্ঠান শেষে কারবালায় আরও একটি ধর্মীয় কর্মসূচি পালিত হবে। মধ্যপ্রাচ্যের শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে এই সফরকে প্রতীকী গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

সবশেষে আগামী বৃহস্পতিবার খামেনিকে তার জন্মশহর মাশহাদের ঐতিহাসিক ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে। দাফনের পর দেশজুড়ে টানা ৪০ দিনের শোকানুষ্ঠান এবং পরবর্তী এক বছর বিভিন্ন পর্যায়ে স্মরণসভা, ধর্মীয় আলোচনা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনেরও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আমাদের জেগে উঠতেই হবে’। আয়োজকদের দাবি, এই বার্তার মাধ্যমে জাতীয় সংহতি, প্রতিরোধ এবং রাষ্ট্রীয় আদর্শের প্রতি জনগণের অঙ্গীকার নতুন করে তুলে ধরা হবে।

ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক প্রতিনিধি, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এবং কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইতোমধ্যে তেহরানে পৌঁছাতে শুরু করেছেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায়ও বিশেষ তাৎপর্য বহন করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেবে।

-রফিক


আরাগচি-গালিবাফকে ঘিরে হত্যার পরিকল্পনা ইসরায়েলের, ইরানকে আগাম সতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৩ ১১:২০:৩৪
আরাগচি-গালিবাফকে ঘিরে হত্যার পরিকল্পনা ইসরায়েলের, ইরানকে আগাম সতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের
ছবি : সংগৃহীত

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের উত্তপ্ত সময় চলমান যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টাকে ঘিরে নতুন এক দাবি সামনে এসেছে। মিডল ইস্ট আই–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এপ্রিল মাসে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সে সময় মার্কিন প্রশাসনের কাছে এমন গোয়েন্দা তথ্য পৌঁছেছিল যে, ইসরায়েল ইরানের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে লক্ষ্যবস্তু করার সম্ভাবনা বিবেচনা করছিল। তবে এই দাবিগুলোর স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগকে সম্পূর্ণ ভেঙে দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের মাধ্যমে তেহরানের কাছে আগাম সতর্কবার্তা পাঠায়। ওয়াশিংটনের মূল্যায়ন ছিল, যুদ্ধবিরতি আলোচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো উচ্চপর্যায়ের ইরানি কর্মকর্তার ওপর হামলা হলে তা শুধু আলোচনা ব্যর্থই করবে না, বরং পুরো অঞ্চলকে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় অন্তত পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নাম ছিল বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানতে পারেন। এরপরই ওয়াশিংটন কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ইসরায়েলকে এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।

মিডল ইস্ট আই একটি ঘটনারও উল্লেখ করেছে, যেখানে বলা হয়, এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ সফর শেষে গালিবাফকে বহনকারী বিমান মাঝপথে রুট পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় ইরানি নিরাপত্তা সংস্থাগুলো দেশের আকাশসীমার কাছে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির তথ্য পেয়েছিল। তবে এ ঘটনারও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনটি আরও বলছে, ওই সময় যুদ্ধবিরতি আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তেহরান পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চেয়েছিল। পাশাপাশি কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে আলোচনা চলাকালে সম্ভাব্য হামলা এড়ানোর বিষয়ে নিশ্চয়তা পাওয়ার চেষ্টা চালানো হয়।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই


খামেনির কফিন ঘিরে আবেগে ভাসছে তেহরান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৩ ০৯:৪৯:১২
খামেনির কফিন ঘিরে আবেগে ভাসছে তেহরান
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হওয়া ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান ঘিরে তেহরানে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রায় চার মাস পর দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন পরিসরে ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে, যা নিরাপত্তা, কূটনৈতিক উপস্থিতি এবং জনসমাগম—সব দিক থেকেই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খামেনির মরদেহবাহী কফিন রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সেই স্থানে নেওয়া হয়, যেখানে হামলায় তিনি নিহত হয়েছিলেন। কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই এই শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি) জানায়, এই প্রতীকী আয়োজনের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় বিদায় কর্মসূচির সূচনা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সূত্র অনুযায়ী, শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই শোকানুষ্ঠান কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথমে তেহরানে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন, এরপর পবিত্র নগরী কুমে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং সবশেষে খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে। দীর্ঘ যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাজনিত কারণে কয়েক মাস বিলম্বের পর অবশেষে এই রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

তেহরানের বিভিন্ন সড়কে ইতোমধ্যে হাজারো মানুষ জড়ো হতে শুরু করেছেন। কালো পোশাক পরিহিত শোকাহতদের অনেকের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা ও খামেনির প্রতিকৃতি। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো কালো ব্যানার ও শোকের প্রতীকে সাজানো হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত দৃশ্যে মানুষের কান্না, শোকমিছিল এবং ধর্মীয় স্লোগানে মুখর পরিবেশ দেখা গেছে।

খামেনির সরকারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, তার কফিন একটি বিশেষ কক্ষে রাখা হয়েছে, যার দেয়াল ইরানের জাতীয় পতাকায় সজ্জিত। কফিনের ওপর বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে লাল রঙের একটি ধর্মীয় পতাকা, যা ইমাম হোসেনের মাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং শিয়া ঐতিহ্যে আত্মত্যাগ, প্রতিরোধ ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। ইরানি কর্তৃপক্ষ এই প্রতীককে ‘সত্য ও আত্মত্যাগের প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের’ বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

এদিকে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করা হয়েছে। সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, শোকমিছিলের রুট এবং ধর্মীয় কেন্দ্রগুলোতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি কিংবা নতুন হামলার আশঙ্কা মাথায় রেখেই এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

-রফিক

পাঠকের মতামত: