রোজকার শেয়ারবাজার

স্বল্পমূল্যের শেয়ারে হঠাৎ উল্লম্ফন: ডিএসইর টপ গেইনার তালিকায় কী বার্তা দিচ্ছে বাজার?

আরিফুল ইসলাম
আরিফুল ইসলাম
ডেস্ক রিপোর্টার (শেয়ার বাজার)
অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১৫:৪২:৩৪
স্বল্পমূল্যের শেয়ারে হঠাৎ উল্লম্ফন: ডিএসইর টপ গেইনার তালিকায় কী বার্তা দিচ্ছে বাজার?

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকা বিশ্লেষণ করলে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে—স্বল্পমূল্যের মিউচ্যুয়াল ফান্ডভিত্তিক সিকিউরিটিজের ওপর বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের ক্লোজিং প্রাইস (YCP) তুলনায় দেখা যায়, EBLNRBMF, PHPMF1 এবং POPULAR1MF প্রত্যেকটি ১০ শতাংশ করে মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। এই ধরনের সমন্বিত মূল্যবৃদ্ধি সাধারণত বাজারে স্পেকুলেটিভ ট্রেডিং বা স্বল্পমেয়াদি মুনাফা-কেন্দ্রিক বিনিয়োগ প্রবণতার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়, বিশেষ করে যখন সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটিজগুলোর মৌলভিত্তিক শক্তি সীমিত থাকে।

তালিকার চতুর্থ অবস্থানে থাকা BDTHAI শেয়ারটি আলাদা গুরুত্ব দাবি করে, কারণ এটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বাইরে একটি উৎপাদনভিত্তিক কোম্পানি হিসেবে ৯.৭৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে বাজারে কিছু নির্দিষ্ট কোম্পানিকে কেন্দ্র করে সেক্টরাল আগ্রহও তৈরি হচ্ছে। একইভাবে ১JANATAMF, EXIM1STMF, FBFIF এবং TRUSTB1MF প্রায় ৯.৬৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে দেখিয়েছে যে, ফান্ডভিত্তিক সিকিউরিটিজে একটি সমন্বিত বুলিশ প্রবণতা কাজ করছে। ABB1STMF ও IFIC1STMF-এর মতো ফান্ডগুলোও ৯ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বাজারে স্বল্পমূল্যের ইউনিটগুলোর ওপর উচ্চ লেনদেনচাপের প্রতিফলন।

অন্যদিকে ওপেনিং প্রাইস ও লাস্ট ট্রেডেড প্রাইস (LTP) বিবেচনায় গেইনার তালিকা বিশ্লেষণ করলে বাজারের অন্তর্নিহিত গতিশীলতা আরও স্পষ্ট হয়। এখানে BDTHAI পুনরায় শীর্ষে উঠে এসেছে, যা নির্দেশ করে যে শেয়ারটি কেবল ক্লোজিং প্রাইস নয়, ইনট্রাডে ট্রেডিংয়েও শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। পাশাপাশি ASIAINS, ASIAPACINS এবং SUNLIFEINS-এর মতো বীমা খাতের শেয়ারগুলোর উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি বাজারে সেক্টরাল রোটেশনের একটি সম্ভাব্য ইঙ্গিত দেয়, যেখানে বিনিয়োগকারীরা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের পাশাপাশি বীমা খাতেও অবস্থান নিচ্ছেন।

FBFIF, GHAIL, TILIL, MEGHNAINS, NRBCBANK এবং CLICL-এর মতো শেয়ারগুলোর ৫ থেকে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে যে বাজারে একটি বিস্তৃত অংশগ্রহণমূলক প্রবণতা বিদ্যমান, যা কেবল নির্দিষ্ট কয়েকটি শেয়ারে সীমাবদ্ধ নয়। বিশেষ করে ব্যাংক ও বীমা খাতের শেয়ারগুলোর উপস্থিতি বাজারে আংশিকভাবে ফান্ডামেন্টাল ও সেক্টরাল বিবেচনার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যেতে পারে।

সমগ্র চিত্র বিশ্লেষণ করলে বলা যায়, বর্তমান বাজারে একদিকে স্বল্পমূল্যের মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটকে কেন্দ্র করে স্পেকুলেটিভ ট্রেডিং বাড়ছে, অন্যদিকে নির্দিষ্ট কিছু সেক্টরে বিনিয়োগকারীদের কৌশলগত অবস্থান গ্রহণের প্রবণতাও দৃশ্যমান। এই দ্বৈত প্রবণতা স্বল্পমেয়াদে বাজারে তারল্য বৃদ্ধি ও লেনদেনের গতি বাড়াতে সহায়ক হলেও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য শক্তিশালী মৌলভিত্তিক কোম্পানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো অপরিহার্য। অন্যথায় বাজারে অতিরিক্ত অস্থিরতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।


লেনদেন ছাড়াল ৬ হাজার কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

আরিফুল ইসলাম
আরিফুল ইসলাম
ডেস্ক রিপোর্টার (শেয়ার বাজার)
অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১৫:১৫:৩৯
লেনদেন ছাড়াল ৬ হাজার কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজকের লেনদেনে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে অধিকাংশ শেয়ার দর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সামগ্রিক বাজারে আস্থার ইঙ্গিত মিলেছে। আজকের বাজারে মোট ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়, যার মধ্যে ২৪১টির দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ১০২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭টি শেয়ারের দর ।

বাজারের প্রধান সূচকগুলোতে এই উত্থানের প্রতিফলন দেখা যায়, বিশেষ করে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোতে শক্তিশালী পারফরম্যান্স লক্ষ্য করা গেছে। এ ক্যাটাগরিতে মোট ২০২টি কোম্পানির মধ্যে ১৪২টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারের বড় মূলধনী ও মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দেয় । অন্যদিকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতেও ৬০টি কোম্পানির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মাঝারি মানের শেয়ারেও ক্রেতাদের সক্রিয়তা নির্দেশ করে। তবে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে দরপতনের প্রবণতা বেশি ছিল, যেখানে ৫৩টি কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে, যা দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহকে প্রতিফলিত করে ।

লেনদেনের দিক থেকে আজকের বাজার ছিল বেশ প্রাণবন্ত। মোট ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৪০টি লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ৩৫ কোটি ৯৯ লাখ শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যার মোট আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩৮ কোটি টাকারও বেশি । এই উচ্চ লেনদেন প্রবণতা বাজারে তারল্য বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাজার মূলধনের দিক থেকেও একটি শক্তিশালী অবস্থান দেখা গেছে। ইক্যুইটি খাতে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৪ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা, যেখানে মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও ঋণপত্রসহ মোট বাজার মূলধন প্রায় ৬৯ লাখ ৮১ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে । এটি দেশের পুঁজিবাজারের সামগ্রিক আকার ও গভীরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক।

এদিন ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ২১টি কোম্পানির শেয়ার ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়, যেখানে প্রায় ২৪৪ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে এশিয়াটিক ল্যাব, ওরিয়ন ইনফিউশন, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সসহ কয়েকটি শেয়ারে তুলনামূলক বেশি লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে ।

মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা ছিল, যেখানে ১৯টি ফান্ডের দর বেড়েছে এবং মাত্র ৮টির দর কমেছে। বিপরীতে করপোরেট বন্ড খাতে কিছুটা স্থবিরতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে মাত্র ৩টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয় এবং তার মধ্যে ২টির দর কমেছে ।

সামগ্রিকভাবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাজারে বর্তমানে যে উত্থানধারা দেখা যাচ্ছে তা বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারের একটি প্রাথমিক ইঙ্গিত। বড় মূলধনী শেয়ারগুলোর প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি এবং লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতার সম্ভাবনাকে জোরদার করছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই প্রবণতা টেকসই করতে নীতিগত স্থিতিশীলতা, স্বচ্ছতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন, ক্রেতাদের মুখে হাসি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১০:৫৪:১৭
স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন, ক্রেতাদের মুখে হাসি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দামের নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যা সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায়, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কম।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১৯ মার্চ বিকেলে এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমানোর ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণায় স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা হ্রাস করা হয়, পাশাপাশি রুপার দামও ভরিতে ৩৫০ টাকা কমানো হয়েছে।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার মূল্য হ্রাস পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য তালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধিত এই দাম কার্যকর হয়েছে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে।

নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি ২১ ক্যারেট স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, একই দিনে এর আগেও অর্থাৎ ১৯ মার্চ সকালে স্বর্ণের দাম এক দফা সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা। ফলে একদিনেই দুই দফায় মূল্য হ্রাস পেয়ে বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

শুধু স্বর্ণ নয়, রুপার বাজারেও একই ধারা দেখা গেছে। সর্বশেষ সমন্বয়ের ফলে ২২ ক্যারেট রুপার দাম প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায় নেমে এসেছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

-রাফসান


ঈদ পরবর্তী বাজারে সোনার বড় ধস: ভরিতে বড় ছাড় দিয়ে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১০:২৯:০৩
ঈদ পরবর্তী বাজারে সোনার বড় ধস: ভরিতে বড় ছাড় দিয়ে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে সোনার দাম আরও এক দফা কমানো হয়েছে। এবার ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়, যা আজ সকাল ১০টা থেকেই সারাদেশে কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকায় বিক্রি হবে। এর আগে গত ১৯ মার্চও বড় অঙ্কের দাম কমিয়েছিল বাজুস, যেখানে ২২ ক্যারেটের সোনা ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায় নেমে এসেছিল।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৬ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হলেও ২০ বার কমানো হয়েছে। উল্লেখ্য যে, গত ২০২৫ সালে রেকর্ড ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল। ঈদের কেনাকাটার এই মৌসুমে পর পর দুই দফায় সোনার দাম কমানো গয়না প্রেমীদের জন্য একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস, দেশে কমলো কত

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১৯:২০:২৯
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস, দেশে কমলো কত
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে আকস্মিক বড় পতন এবং স্থানীয় পর্যায়ে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাসের ফলে বাংলাদেশের বাজারেও মূল্যবান এই ধাতুর দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ দিনের ধারাবাহিক পতনে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় ২২ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে, যা সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় সংশোধন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই বৈশ্বিক মূল্যপতনের সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১৯ মার্চ একদিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমানোর যে সিদ্ধান্ত নেয়, সেই মূল্যহার অনুযায়ীই বর্তমানে বাজারে কেনাবেচা চলছে।

দুই ধাপে সর্বমোট ভরিতে প্রায় ১৫ হাজার ৩৩৮ টাকা কমানোর ফলে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায় নেমে এসেছে, যা এর আগে ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি এখন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকায়।

অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও কমে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। শুধু স্বর্ণই নয়, রুপার বাজারেও প্রভাব পড়েছে; ২২ ক্যারেট রুপার ভরি এখন ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং ২১ ক্যারেট রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ১৩২ টাকায়।

বিশ্ববাজার বিশ্লেষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম সাম্প্রতিক সময়ে ৫ হাজার ডলারের উচ্চতা থেকে নেমে ৪ হাজার ৩৪০ থেকে ৪ হাজার ৩৬৫ ডলারের মধ্যে অবস্থান করছে। কেবল একদিনেই স্বর্ণের দাম প্রায় ১.৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে, যা ডলারের হিসাবে ৪০ থেকে ৯২ ডলার পর্যন্ত পতনের সমতুল্য।

বিশ্লেষকদের মতে, এই দরপতনের পেছনে একাধিক বৈশ্বিক কারণ কাজ করছে—বিশেষ করে ডলার শক্তিশালী হওয়া, সুদের হার সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগকারীদের বিকল্প সম্পদের দিকে ঝোঁক বৃদ্ধি। এছাড়া নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা সাময়িকভাবে কমে যাওয়াও এর একটি কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

২০২৬ সালের শুরুতে স্বর্ণের দাম যেখানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৬০৮ ডলারে পৌঁছেছিল, সেখান থেকে বর্তমান দামে এই বড় পতন বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য সংশোধনের ইঙ্গিত দেয়। গত এক সপ্তাহেই আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য প্রায় ৯ থেকে ১১ শতাংশ কমেছে, যা বাজারের অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

দেশীয় বাজারে এই বৈশ্বিক প্রভাব দ্রুত প্রতিফলিত হওয়ায় বাজুস একদিনে দুই দফায় মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেয় প্রথম দফায় সকালে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা এবং দ্বিতীয় দফায় বিকেলে আরও ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমানো হয়।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯ বার দাম কমানো হয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে এবং মূল্য সমন্বয় একটি চলমান প্রক্রিয়া।

-রফিক


আজকের বৈদেশিক মুদ্রার রেট কত, জানুন সর্বশেষ আপডেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১২:৩৯:৫২
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার রেট কত, জানুন সর্বশেষ আপডেট
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের ভূমিকা ক্রমাগত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনৈতিক প্রবাহ সচল রাখতে একটি প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে বৈদেশিক মুদ্রার হালনাগাদ বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রোববার দেশের আন্তঃব্যাংক মুদ্রা বাজারে মার্কিন ডলারের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য সমানভাবে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ডলারের গড় বিনিময় হারও একই পর্যায়ে অবস্থান করছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় একটি স্থিতিশীল প্রবণতা নির্দেশ করে।

ইউরোপীয় মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে ১৪২ টাকা ৫৩ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪২ টাকা ৫৬ পয়সা। অপরদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয়মূল্য ১৬৪ টাকা ৮২ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৪ টাকা ৮৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে পাউন্ডের শক্তিশালী অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।

এশীয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েনের বিনিময় হার তুলনামূলকভাবে নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে, যেখানে ক্রয় ও বিক্রয় উভয় ক্ষেত্রেই এর মূল্য ০.৭৭ টাকা। একইভাবে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ১.৩১ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে, যা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী বাণিজ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্রয়মূল্য ৮৬ টাকা ০৯ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৮৬ টাকা ০২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর ডলারের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য ৯৬ টাকা ২৮ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৯৬ টাকা ২৯ পয়সা। কানাডিয়ান ডলার উভয় ক্ষেত্রেই ৮৯ টাকা ৪২ পয়সায় স্থির রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈদেশিক মুদ্রার এই বিনিময় হার আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, ডলারের বৈশ্বিক চাহিদা, আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্য এবং প্রবাসী আয়ের প্রবাহের ওপর নির্ভর করে নিয়মিত পরিবর্তিত হয়। বিশেষ করে রেমিট্যান্স প্রবাহের সময় এই হার প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করে জানিয়েছে, বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

-রফিক


স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১০:০৭:৩২
স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে দেশের বাজারে টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা।

গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) বিকেল থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে এবং আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) সারাদেশে এই নির্ধারিত দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই মূল্য তালিকায় দেখা যাচ্ছে, মানভেদে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা। বাজুসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৯ বার কমানো হয়েছে।

২০২৫ সালেও স্বর্ণের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। গত বছর মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বারই ছিল দাম বাড়ানোর ঘটনা এবং মাত্র ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল। তবে এবারের ঈদের ঠিক আগে বড় অঙ্কের এই দাম কমানোর সিদ্ধান্তকে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, দাম কমায় ঈদের কেনাকাটায় স্বর্ণের অলঙ্কারের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

/আশিক


ট্রাম্পের যুদ্ধ স্থগিতের ঘোষণায় সোনার বাজারে ধস: ১০ শতাংশ কমল দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১৮:৫৩:০৯
ট্রাম্পের যুদ্ধ স্থগিতের ঘোষণায় সোনার বাজারে ধস: ১০ শতাংশ কমল দাম
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দিতেই আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) ট্রাম্পের এই আকস্মিক ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত দিলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফেরে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে মূল্যবান ধাতুর বাজারে। ঘরোয়া ফিউচার মার্কেট এমসিএক্স-এ (MCX) সোনার দাম এক পর্যায়ে ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে প্রতি ১০ গ্রামে ১,৩০,০০০ টাকার নিচে নেমে গিয়েছিল। যদিও পরে তা কিছুটা পুনরুদ্ধার করে শেষ পর্যন্ত ৩ শতাংশ হ্রাসে লেনদেন হয়।

অন্যদিকে, রুপার ফিউচার দর প্রায় ১২ শতাংশ কমে দিনের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ২,০০,০০০ টাকার নিচে নেমে গিয়েছিল, যা পরবর্তীতে কিছুটা সামলে নিয়ে ৩.৫ শতাংশ পতনে থিতু হয়। এলকেপি সিকিউরিটিজের বিশেষজ্ঞ জতিন ত্রিবেদী জানিয়েছেন, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমন এবং সুদের হার নিয়ে স্পষ্টতা এলে স্বর্ণের দাম ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে পড়তে পারে। এমনকি দীর্ঘমেয়াদী সংকটে স্বর্ণের দাম ৫,০০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা।

এদিকে, বাংলাদেশের বাজারেও ঈদের আগে টানা দুইবার স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা। গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেল থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে এবং আজ সোমবারও নির্ধারিত এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ট্রাম্পের এই ‘পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণা বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামকে আরও স্থিতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: লাইভমিন্ট


তেজাবি স্বর্ণের বাজারে ধস: ঈদের কেনাকাটায় স্বস্তি নিয়ে এল নতুন দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ০৯:৪৫:৫৮
তেজাবি স্বর্ণের বাজারে ধস: ঈদের কেনাকাটায় স্বস্তি নিয়ে এল নতুন দাম
ছবি : সংগৃহীত

ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ ঘোষণায় প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা। গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় এবং ওইদিন বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। আজ সোমবারও (২৩ মার্চ ২০২৬) নির্ধারিত এই দামেই বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা হবে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ার প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৯২৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৯ বার কমানো হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালে স্বর্ণের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গিয়েছিল; সে বছর মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল। ঈদের আগে পর পর দুইবার দাম কমায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

/আশিক


ঈদের খুশিতে বাড়তি আনন্দ; স্বর্ণের দামে বড় ধস নামাল বাজুস

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২২ ১০:১৬:৪৫
ঈদের খুশিতে বাড়তি আনন্দ; স্বর্ণের দামে বড় ধস নামাল বাজুস
ছবি : সংগৃহীত

ঈদের উৎসবের মাঝেই সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমিয়েছে সংস্থাটি। সবশেষ প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা। গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) কার্যকর হওয়া এই নতুন দামেই আজ রোববার (২২ মার্চ) দেশের বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা চলছে।

বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার প্রেক্ষিতেই এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ বার দাম বেড়েছে এবং ১৯ বার কমেছে। গত ২০২৫ সালে রেকর্ড ৯৩ বার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস।

/আশিক

পাঠকের মতামত: