হিটার ছাড়াই ঘর থাকবে আগুনের মতো গরম; জানুন ৫টি জাদুকরী কৌশল

শীতের তীব্রতায় ঘর ঠান্ডা হয়ে পড়লে বয়স্করা দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু ইলেকট্রিক হিটার ব্যবহার করলে ঘরের বাতাস শুষ্ক হয়ে যায়, যা শ্বাসকষ্ট বা ত্বকের সমস্যার কারণ হতে পারে। আজ ১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, কিছু সাধারণ কৌশল অবলম্বন করলে হিটার ছাড়াই আপনার ঘরকে আরামদায়ক ও উষ্ণ রাখা সম্ভব।
প্রাকৃতিকভাবে ঘর গরম রাখার সবথেকে বড় উৎস হলো সূর্যের আলো। সকালে রোদ উঠলেই জানালার পর্দা সরিয়ে দিন যাতে সরাসরি আলো ঘরে ঢোকে। এতে ঘরের দেয়াল ও মেঝে তাপ শোষণ করে উষ্ণ হয়ে ওঠে। দুপুরের পর রোদ কমে গেলে দ্রুত জানালা-পর্দা বন্ধ করে দিন যাতে ভেতরের তাপ বাইরে যেতে না পারে। এছাড়া দরজার নিচে বা জানালার পাশে ছোট ছোট ফাঁক দিয়ে ঠান্ডা বাতাস ঢোকে। এই ফাঁকগুলোতে পুরোনো তোয়ালে বা মোটা কাপড় গুঁজে দিলে ঘরের তাপমাত্রা বজায় থাকে।
শীতকালে মেঝে থেকে সবথেকে বেশি ঠান্ডা উঠে আসে। তাই খালি মেঝেতে পা না রেখে মোটা গালিচা বা পাটের মাদুর ব্যবহার করা উচিত। এটি আপনার পায়ের তলা উষ্ণ রাখার পাশাপাশি ঘরের সামগ্রিক তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে। একইভাবে বিছানা উষ্ণ রাখতে মোটা চাদর বা কম্বলের স্তর তৈরি করুন। অনেকগুলো পাতলা স্তরের চেয়ে একটি মোটা স্তর শরীরের উষ্ণতা বাইরে যেতে বাধা দেয় এবং বাইরের ঠান্ডা বাতাস ভেতরে ঢুকতে পারে না।
রান্না করার সময় যে গ্যাস বা আগুনের উষ্ণতা তৈরি হয়, তা দিয়ে পুরো বাড়ি কিছুটা গরম রাখা সম্ভব। রান্নার সময় রান্নাঘরের জানালা বন্ধ রেখে ঘরের দরজা খুলে দিলে সেই উষ্ণতা সহজেই শোবার ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এই ছোট ছোট কৌশলগুলো শুধু খরচই বাঁচায় না, বরং প্রাকৃতিকভাবে ঘরকে উষ্ণ রেখে বয়স্কদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। ২০২৬ সালের এই হাড়কাঁপানো শীতে হিটারের বিকল্প হিসেবে এই পদ্ধতিগুলোই হতে পারে সবথেকে নিরাপদ সমাধান।
মন ভালো রাখতে দৈনন্দিন জীবনে যে ছোট্ট পরিবর্তনগুলো আনা জরুরি
প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়। দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং এর গুরুত্ব তুলে ধরা। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতা বজায় রাখাও সমানভাবে জরুরি। কাজের অতিরিক্ত চাপ, ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন সমস্যা, অনিয়মিত ঘুম এবং দৈনন্দিন ব্যস্ততা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘদিন এমন চাপের মধ্যে থাকলে তা স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, পেশাগত ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং দৈনন্দিন কাজকে ব্যাহত করে।
মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে নিজের অনুভূতির যত্ন নেওয়া, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে বিশ্বস্ত মানুষের সহায়তা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দৈনন্দিন রুটিনে কিছু সহজ অভ্যাস যুক্ত করলেই মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা সম্ভব। এর মধ্যে রয়েছে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলা, শারীরিক ও মানসিক অবসাদ দূর করতে নিয়মিত শরীরচর্চা বা হাঁটা, এবং পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খাওয়া। এছাড়া প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝেও নিজের পছন্দের কাজের জন্য কিছুটা সময় রাখা, মনের জমা থাকা কথা কাছের মানুষের সঙ্গে শেয়ার করা এবং মানসিক চাপ মোকাবিলার কৌশল আয়ত্ত করা দরকার।
একসঙ্গে অতিরিক্ত কাজের চাপ না নিয়ে কাজকে ছোট ভাগে ভাগ করা এবং কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়া উচিত। একইসঙ্গে মানসিক শান্তি রক্ষার্থে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সময় নির্দিষ্ট করা এবং অন্যের সঙ্গে নিজের তুলনা করে হতাশা তৈরি হওয়া থেকে দূরে থাকা জরুরি। মন খারাপ বা উদ্বেগকে অস্বাভাবিক না ভেবে নিজের অনুভূতিকে মূল্যায়ন করা এবং প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা পেশাদার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সুস্থ থাকার একটি দায়িত্বশীল পদক্ষেপ। মানসিক সুস্থতা একদিনে অর্জন করা সম্ভব নয়; বরং ছোট ছোট ধারাবাহিক অভ্যাসের মাধ্যমেই এটি দীর্ঘস্থায়ী করা যায়।
/আশিক
ডিজিটাল হচ্ছে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন
তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে করা বন্ধে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। নতুন এই অনলাইন ব্যবস্থায় সংরক্ষিত তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে সমন্বয় করা হবে। এর ফলে যেকোনো বিয়ের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আগের বৈবাহিক তথ্যাদি সহজেই অনলাইনে যাচাই করে নেওয়া সম্ভব হবে।
শনিবার রাজধানীর নিকেতনে অবস্থিত ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের (কাজী) জন্য আয়োজিত ১০ দিনব্যাপী এক আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ব্যক্ত করেন। ‘অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি’ শীর্ষক এই বিশেষ কর্মশালায় দেশের নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অনলাইন নিবন্ধন পদ্ধতি পরিচালনা ও সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষ করে তোলার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, পর্যায়ক্রমে সারা দেশের প্রতিটি নিকাহ রেজিস্ট্রারকে এই ডিজিটাল নিবন্ধন কাঠামোর আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং এ উদ্দেশ্যে কাজীদের প্রয়োজনীয় আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, বিয়ে ও তালাকের সব তথ্য ডিজিটাল সার্ভারে সংরক্ষিত থাকলে প্রতারণামূলকভাবে আগের বৈবাহিক অবস্থা গোপন রেখে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সুযোগ বন্ধ হবে। একই সাথে এই পদক্ষেপে সমাজ থেকে বাল্যবিবাহ ও বেআইনি বহুবিবাহ রোধ করাও অনেকটাই সহজতর হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে এনআইডি, পাসপোর্ট ও জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সাথে বৈবাহিক তথ্য যুক্ত হওয়ায় একজন নাগরিকের সার্বিক পরিচয়ভিত্তিক ডাটাবেজ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি সম্পর্কিত বিয়ে, বিচ্ছেদ ও পরিচয়গত সব তথ্য একক অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে নিশ্চিত করা যাবে।
অনলাইন ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি সুফল তুলে ধরে মন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, ভবিষ্যতে কোনো নাগরিকের মৃত্যুর পর সম্পত্তি বা উত্তরাধিকার সূত্রে স্ত্রী-সন্তানদের মধ্যে একাধিক দাবি কিংবা জটিলতা তৈরি হলে নিবন্ধিত ডিজিটাল তথ্য দেখে বৈবাহিক সম্পর্কের সত্যতা নিশ্চিত করা যাবে। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত পারিবারিক বিরোধ ও বিচারালয়ে দীর্ঘমেয়াদি মামলা-মোকদ্দমার ঝোঁক অনেকটাই হ্রাস পাবে, যা শেষ পর্যন্ত বিচার বিভাগের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাবে।
/আশিক
শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরার বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া প্রকাশ
মেদ ঝরার পর শরীরের অতিরিক্ত চর্বি আসলে কোথায় উধাও হয়ে যায়—ঘাম হয়ে ঝরে পড়ে, নাকি মলমূত্রের মাধ্যমে বের হয়ে যায়—এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খায়। আপাতদৃষ্টে বিষয়টি সাধারণ মনে হলেও এর অন্তরালে রয়েছে বিজ্ঞানের এক নিখুঁত ও চমৎকার রসায়ন, যার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক।
মানবদেহে মেদ জমার প্রক্রিয়াটি মূলত শুরু হয় প্রাত্যহিক খাদ্যাভ্যাস থেকে। দৈনন্দিন গৃহীত চর্বিযুক্ত খাবারগুলো মানব পাচনতন্ত্রে গিয়ে ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে ফ্যাটি অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। শরীর এই ফ্যাটি অ্যাসিডের কিছুটা অংশ কোষ গঠন, গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ এবং ভেতরের সংবেদনশীল অঙ্গগুলো সুরক্ষার কাজে কাজে লাগায়। আর অবশিষ্ট অতিরিক্ত অংশটুকু ট্রাইগ্লিসারাইড যৌগ হিসেবে জমা থাকে ফ্যাট সেলে, যা পরবর্তীতে আকস্মিক শক্তির সংকট দেখা দিলে ব্যবহারের জন্য রক্ষিত থাকে। সাধারণত এই চর্বি চামড়ার নিচের স্তরে এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের চারপাশে জমতে থাকে।
তবে আসল পরিবর্তন শুরু হয় যখন কোনো ব্যক্তি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন বা শারীরিক কসরত শুরু করেন। শরীর যখন গৃহীত খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত শক্তি পান না এবং ক্যালরির ঘাটতি সৃষ্টি হয়, তখন হরমোন ও স্নায়বিক সংকেতের প্রভাবে ফ্যাট সেলগুলো সাড়া দিতে শুরু করে। বিজ্ঞানের ভাষায় চর্বি ক্ষয় বা চর্বি ভাঙার এই জৈবরাসায়নিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় 'লাইপোলাইসিস'।
লাইপোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ট্রাইগ্লিসারাইড ভেঙে উৎপন্ন ফ্যাটি অ্যাসিড কোষের মূল শক্তির কেন্দ্র মাইটোকন্ড্রিয়ায় প্রবেশ করে। সেখানে 'বিটা-অক্সিডেশন' প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগুলো ভেঙে প্রয়োজনীয় শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই সামগ্রিক রাসায়নিক বিক্রিয়ার চূড়ান্ত উপজাত বা বর্জ্য হিসেবে মূলত দুটি উপাদান তৈরি হয়—কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং পানি।
সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রায়ই ধারণা কাজ করে যে অতিরিক্ত মেদ ঝরা মানেই শরীর থেকে প্রচুর ঘাম বের হওয়া। তবে গবেষকদের পর্যবেক্ষণ বলছে, মূল বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। চর্বি ক্ষয় হওয়ার পর তার সিংহভাগ অংশই ফুসফুসের মাধ্যমে আমরা যখন শ্বাস ত্যাগ করি, তখন বাতাস থেকে বাতাসে মিলিয়ে যায়। বিজ্ঞানীদের সুনির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী, ক্ষয়প্রাপ্ত মেদের প্রায় ৮৪ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয়ে নিশ্বাসের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। আর অবশিষ্টাংশ বা ১৬ শতাংশ পানি হিসেবে ঘাম, প্রস্রাব এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের আকারে নিষ্কৃত হয়।
তবে এ থেকে দ্রুত নিশ্বাস ফেলে মেদ কমানোর কোনো সুযোগ নেই। অনবরত দ্রুত শ্বাস ফেললেই শরীরে জমানো চর্বি গলে যায় না, কারণ শ্বাস ত্যাগ করা হলো কেবল পোড়া চর্বির বর্জ্য নিষ্কাশনের একটি মাধ্যম, চর্বি পোড়ানোর মূল চালিকাশক্তি নয়। শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বির মজুত কাটাতে হলে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, কায়িক ব্যায়াম এবং পরিমিত সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রেখে ক্যালরির সঠিক ঘাটতি তৈরি করাই একমাত্র বৈজ্ঞানিক উপায়।
/আশিক
দিনভর শারীরিক অলসতা ও ক্লান্তি: চিকিৎসকদের নতুন স্বাস্থ্য পরামর্শ
অনেকেরই পর্যাপ্ত ঘুমের পরও সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর চাঙা লাগে না কিংবা কোনো কাজেই কাঙ্ক্ষিত উৎসাহ পাওয়া যায় না। সারাদিন ধরে শুয়ে-বসে থাকার এই তীব্র প্রবণতা বা অবসাদ সবসময় কেবল আলস্য বা ইচ্ছাশক্তির ঘাটতি নয়, বরং এটি মানবদেহে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভিটামিনের অভাবজনিত শারীরিক সংকেত হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে শরীরে অতিরিক্ত ক্লান্তি, ঝিমুনি ও ঝিমুনিভাব বজায় থাকলে মূলত ভিটামিন 'ডি' এবং ভিটামিন 'বি১২'-এর ঘাটতি রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা অত্যন্ত জরুরি। অবশ্য এর পাশাপাশি রক্তশূন্যতা (এনেমিয়া), থাইরয়েডের সমস্যা কিংবা ঘুমের অনিয়মও এ ধরনের শারীরিক অলসতার অন্যতম কারণ হতে পারে।
মানবদেহে ভিটামিন ডি মূলত হাড়, পেশি এবং মেটাবলিজম ঠিক রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এর অভাব দেখা দিলে পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে, হাত-পা ও হাঁটুতে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হয় এবং দিনের বেলাতেও শরীরে সারাক্ষণ ক্লান্তি ভর করে থাকে। অন্যদিকে স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ এবং লোহিত রক্তকণিকা গঠনে ভিটামিন বি১২ অপরিহার্য। বি১২-এর ঘাটতি ঘটলে শরীরে চরম দুর্বলতা ও ক্লান্তি তো আসেই, সেই সাথে হাত-পায়ে ঝিনঝিনি বা অসাড়তা, মাথা ঘোরা এবং কিছু ক্ষেত্রে মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা অলসতা বজায় থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শে সিবিসি, সিরাম ফেরিটিন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি এবং থাইরয়েড (TSH) পরীক্ষা করে নির্দিষ্ট ঘাটতি নির্ণয় করা সম্ভব। সার্বিক আলস্য কাটিয়ে শরীরকে সতেজ রাখতে নিয়মিত পুষ্টিকর ও ভিটামিনযুক্ত খাবার গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান, রাতে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার গভীর ঘুম নিশ্চিত করা এবং প্রতিদিন হালকা শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
/আশিক
২০-এর কোঠাতেই চুল পাতলা হওয়া রোধে যেসব বিষয় জানা জরুরি
একসময় চুল পড়া কিংবা টাক পড়াকে বয়স বাড়ার একটি স্বাভাবিক সার্বিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বর্তমানে তরুণদের ২০-এর কোঠাতেই চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, কপালের দুই পাশ পিছিয়ে যাওয়া এবং মাথার ওপরের অংশে চুলের ঘনত্ব মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, এই অকাল চুল পড়ার নেপথ্যে একক কোনো কারণ না থেকে বরং বংশগত কারণ, মানসিক অস্থিরতা, পুষ্টির ঘাটতি কিংবা অনিয়মিত জীবনযাপনের মতো বহুমুখী প্রভাবকের যৌথ ভূমিকা থাকতে পারে।
ভারতের বিশিষ্ট চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাশি সোনির মতে, তরুণ বয়সে চুল পড়ার কারণগুলো বহুমুখী। তিনি উল্লেখ করেন, বংশগত বা জিনগত প্রবণতা, ক্রমাগত মানসিক চাপ, ভারসাম্যহীন খাদ্যাভ্যাস এবং আধুনিক জীবনের ভুল অভ্যাসের কারণে অকালেই মাথার চুল ঝরে পড়তে পারে।
অকাল চুল পড়ার প্রথম ও অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া বা বংশগত টাক পড়ার সমস্যাকে। ডাক্তার সোনি জানান, জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে মাথার ত্বক ও চুলের ফলিকলগুলো অ্যান্ড্রোজেন হরমোন, বিশেষত ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন (ডিএইচটি)-এর প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে ফলিকল সংকুচিত হয়ে চুল পাতলা ও দুর্বল হতে শুরু করে। এক্ষেত্রে বিষয়টি কেবল মায়ের দিকের পারিবারিক ইতিহাসের ওপর নির্ভর করে না, বরং বাবা-মা উভয় পক্ষের পারিবারিক জিনগত ধারা বিবেচনা করা জরুরি।
দ্বিতীয় প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত মানসিক ও শারীরিক চাপ। বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উদ্বেগ, কর্মক্ষেত্রের মাত্রাতিরিক্ত চাপ, বিষণ্নতা, অপর্যাপ্ত ঘুম, দ্রুত ওজন কমানোর কঠোর ক্র্যাশ ডায়েট কিংবা বড় কোনো শারীরিক অসুস্থতার ধাক্কায় ‘টেলোজেন ইফ্লুভিয়াম’ নামের ব্যাধি দেখা দিতে পারে। এই অবস্থায় মাথার স্বাভাবিক চয়ন পর্যায় থেকে বিপুল পরিমাণ চুল একযোগে ঝরে পড়ার ধাপে চলে যায়। উল্লেখ্য, কোনো মানসিক বা শারীরিক ধাক্কা খাওয়ার কয়েক মাস পর এই চুল পড়া পরিলক্ষিত হয় বিধায় সাধারণ গ্রাহক মূল কারণ শনাক্ত করতে বিভ্রান্ত হন।
ফিটনেস সচেতন তরুণদের মাঝে জিম সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত ক্রিয়েটিন নিয়ে এক ধরনের আতঙ্ক থাকলেও আধুনিক গবেষণায় ক্রিয়েটিন সরাসরি চুল পড়ার কারণ হিসেবে নিশ্চিত প্রমাণিত হয়নি। কিছু গবেষণায় ক্রিয়েটিন গ্রহণের পর ডিএইচটি হরমোনের মাত্রায় সাময়িক পরিবর্তনের কথা বলা হলেও কোনো হরমোনের সাধারণ ওঠানামাই সরাসরি টাক পড়ার প্রধান কারণ—এমন চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিমূলক সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর পর্যাপ্ত প্রমাণ মেলেনি।
চতুর্থত, খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টি উপাদানের অভাব চুল ঝরার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রভাব ফেলে। প্রোটিনের অভাব, অতিরিক্ত অনিয়ন্ত্রিত ডায়েটিং এবং আয়রনসহ অপরিহার্য ভিটামিনের ঘাটতি চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি থমকে দেয়। তবে স্বপ্রণোদিত হয়ে যেকোনো সাপ্লিমেন্ট বা ভিটামিন গ্রহণ না করে চিকিৎসকের পরামর্শে সুনির্দিষ্ট রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কারণ নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক। তাই বয়স কম ভেবে অকাল চুল পড়াকে হেলাফেলা না করে খাদ্যাভ্যাস, ঘুম, মানসিক চাপ ও বংশগত ইতিহাস পর্যালোচনা করে সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
কম বয়সে চুল পড়ার প্রধান তিনটি কারণ ও এর প্রতিকার
চুল মূলত ত্বকেরই একটি বিশেষ অংশ, তবে বর্তমানে মাথার চুল ঝরে পাতলা হয়ে যাওয়া বা টাক পড়ার সমস্যায় ভোগা মানুষের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন স্বাভাবিকের চেয়ে অর্থাৎ একশর বেশি চুল ঝরতে শুরু করলেই মাথা ফাঁকা হতে দেখা যায়। অল্প বয়সে চুল ঝরে যাওয়ার নেপথ্যে মূলত তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি হলো হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, যেখানে পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন রূপান্তরিত হয়ে ডাই-হাইড্রোটেস্টোস্টেরনে পরিণত হয় এবং চুলের ফলিকল সংকুচিত করে ফেলে। দ্বিতীয় কারণটি হলো অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অনিদ্রা, যা টেলোজেন এফ্লুভিয়াম নামক জটিলতা তৈরি করে প্রচুর পরিমাণে চুল ঝরিয়ে দেয়। এছাড়া তৃতীয় কারণ হিসেবে প্রোটিন, বায়োটিন ও আয়রনের মতো পুষ্টির ঘাটতির পাশাপাশি শহরের ধুলোবালি ও শক্ত পানির ক্ষতিকর প্রভাব চুলের গোড়াকে দুর্বল করে তোলে।
অল্প বয়সে টাক পড়ার এই সমস্যা রোধে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। চুল ঘন ঘন ধোয়ার ক্ষেত্রে সালফেট ও প্যারাবেনমুক্ত মৃদু শ্যাম্পু বেছে নেওয়া উচিত এবং চুল ধোয়ার পর ঈষদুষ্ণ ক্যাস্টর অয়েল বা নারকেল তেল দিয়ে স্ক্যাল্পে মাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। চুলের মূল উপাদান কেরাটিনের চাহিদা মেটাতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম, মাছ, সয়াবিন, পালং শাক ও বাদামের মতো বায়োটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখা দরকার।
পাশাপাশি ঘরোয়া যত্নে ডার্মারোলার ব্যবহার করলে তা ত্বকে সূক্ষ্ম ছিদ্র তৈরি করে কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে এবং সিরাম বা ওষুধের শোষণ ক্ষমতা বাড়িয়ে নতুন চুল গজাতে ভূমিকা রাখে। কুমড়োর বীজ, গ্রিন টি এবং আমলকীর মতো প্রাকৃতিক ডিএইচটি ব্লকার খাবারগুলো নিয়মিত খাওয়া হলে হরমোনজনিত চুল পড়া অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া ধূমপান চুলের ফলিকলে রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দেয় বলে তা বর্জন করা আবশ্যক এবং শরীর ও কোষ মেরামতের জন্য দৈনিক অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।
চুল পড়ার স্থায়ী প্রতিকারের জন্য চুলের পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, যা আসে হেয়ার বালবের শিরা-উপশিরা থেকে। সঠিক পুষ্টি পৌঁছানোর জন্য হেয়ার ফলিকলের নিচে ত্বকের গভীরে হেয়ার বালবে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। পরিস্থিতি ভেদে চিকিৎসকরা খাওয়ার ওষুধ, চুল ঝরা বন্ধের লোশন ও শ্যাম্পু প্রেসক্রাইব করে থাকেন। এছাড়া অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেশিয়া বা বংশগত টাকের সমস্যা মোকাবেলায় মেসোথেরাপি ও পিআরপির মতো আধুনিক চিকিৎসা বেশ কার্যকর। তবে এ ধরনের চিকিৎসায় পর্যাপ্ত সময় ও একাধিক সেশনের প্রয়োজন হয়, যার সফলতার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ধৈর্য এবং জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা বাধ্যতামূলক।
/আশিক
খাওয়ার টেবিলে শিশুর স্ক্রিন আসক্তি কি আসলেই ক্ষতিকর?
খাবার খাওয়ার সময় শিশুর সামনে টেলিভিশন চালু রাখা, মুঠোফোনে ব্যস্ত থাকা কিংবা ট্যাবলেটে গেম খেলা এখন প্রায় প্রতিটি ঘরেই নিয়মিত চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। খাওয়ার টেবিলে ডিভাইসের উপস্থিতির কারণে শিশুরা প্রায়ই তাদের আহারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে না। এর ফলে তারা ঠিক কতটুকু খাবার গ্রহণ করছে, সে সম্পর্কে তাদের স্পষ্ট কোনো ধারণা থাকে না। তবে স্ক্রিনে সময় কাটালেই শিশুরা সরাসরি অতিরিক্ত খেতে শুরু করে—সমস্যাটিকে এতটা সহজভাবে দেখার সুযোগ নেই। বাস্তবে স্ক্রিন ব্যবহারের ধরণ, পরিবেশন করা খাবারের প্রকৃতি এবং শিশুর সার্বিক জীবনযাত্রার মেলবন্ধনেই এর ফলাফল নির্ধারিত হয়।
সাধারণ নিয়মে খাবার খাওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি শারীরিক কিছু সংকেতের ওপর নির্ভর করে। খাওয়ার আগে তীব্র ক্ষুধা পাওয়া, চিবানোর সময় খাবারের স্বাদ ও গঠন উপভোগ করা এবং একপর্যায়ে পেট ভরে আসার অনুভূতি পাওয়ার মাধ্যমেই আহার শেষ হয়। কিন্তু খাবারের সময় শিশুর দৃষ্টি যদি পর্দায় আটকে থাকে, তবে সেই মনোযোগের বড় একটি অংশ অন্য দিকে চলে যায়। এর ফলে পেটে ক্ষুধা না থাকলেও অবচেতনভাবেই তাদের হাত চলতে থাকে। অনুষ্ঠান যত সময় ধরে চলতে থাকে, খাবারের তাগিদ না থাকা সত্ত্বেও কেবল সময় কাটানোর জন্যই তাদের খাওয়া অব্যাহত থাকে।
তবে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই প্রক্রিয়াটি আরও কিছুটা ভিন্ন ও জটিল। শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ওপর পরীক্ষাগারে পরিচালিত কিছু নিয়ন্ত্রিত গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের সময় টেলিভিশন চলার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ক্যালরি গ্রহণের মাত্রা অস্বাভাবিক হারে বাড়েনি। এই ফলাফলের অর্থ স্ক্রিনের সামনে খাওয়া স্বাস্থ্যকর বা নিরাপদ—তা কিন্তু নয়। বরং এর থেকে বোঝা যায়, এই ধরনের অভ্যাসের চূড়ান্ত প্রভাব একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে এবং তা পরিস্থিতি ও ব্যক্তিগত আচরণের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
ডিভাইসে শিশু আসলে কী দেখছে, সেই বিষয়টির ভূমিকাও এখানে অত্যন্ত জোরালো। ভিডিও গেম বা সাধারণ টিভি অনুষ্ঠান দেখার সময় পরিবেশ পুরোপুরি খাদ্য-নিরপেক্ষ থাকে না। বিভিন্ন আকর্ষণীয় খাবারের বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডের প্রচারণা, ইনফ্লুয়েন্সারদের উপস্থাপন কিংবা সুস্বাদু খাবারের দৃশ্য শিশুদের মনে অজান্তেই খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা জাগিয়ে তোলে। খাবারের সময় স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব নিয়ে করা একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনায় অন্তর্ভুক্ত ৩৫টি গবেষণার মধ্যে ২৭টিতেই দেখা গেছে, খাবাবের বিজ্ঞাপন বা খাদ্য-সংক্রান্ত ইঙ্গিতের ফলে খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ সরাসরি বৃদ্ধি পায়। তবে গবেষকরা এটিও স্পষ্ট করেছেন যে, টেলিভিশনের তুলনায় মোবাইল বা ট্যাবলেট নিয়ে পাওয়া প্রমাণের ভিত্তি তুলনামূলক কিছুটা দুর্বল।
স্ক্রিনের সামনে শিশুকে কোন ধরণের খাবার দেওয়া হচ্ছে, তাও বড় একটি বিবেচ্য বিষয়। যেমন, আধা ঘণ্টা ধরে কার্টুন দেখার সময় একটি শিশুর কাছে যদি এক বাটি বিস্কুট রেখে দেওয়া হয়, তবে খাবার টেবিলে বসে নির্দিষ্ট মাপে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতার সাথে তার বড় অমিল দেখা দেবে। প্রথম ক্ষেত্রে খাবারের কোনো নির্দিষ্ট শুরু বা শেষ থাকে না। পাত্রটি হাতের কাছে থাকায় শিশুটি আনমনে বারবার অল্প অল্প করে মুখে তুলতে থাকে এবং একপর্যায়ে সে মোট কতখানি খেয়ে ফেলেছে, তা আর তার নিজের হিসেবেও থাকে না।
এই আচরণটি একসময় দীর্ঘমেয়াদী অভ্যাসে রূপ নেয়। স্ক্রিনের সামনে বসা মানেই যদি প্রতিবার চিপস, বিস্কুট বা মিষ্টি পানীয়র জোগান পাওয়া নিশ্চিত হয়, তবে মস্তিষ্কে এই দুইয়ের মধ্যে একটি স্থায়ী সংযোগ তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে শারীরিকভাবে ক্ষুধা না পেলেও কেবল টেলিভিশনের সুইচ অন করাই শিশুর মনে ওই মুখরোচক খাবারগুলোর চাহিদা তৈরি করে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে শিশুদের মূল খাবার ও নাশতা খাবার টেবিলেই পরিবেশন করা সমীচীন। সম্পূর্ণ প্যাকেট বা বড় পাত্র শিশুর সামনে তুলে না দিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাপে মেপে দেওয়া জরুরি। পানীয়র ক্ষেত্রে পানির প্রাধান্য থাকা প্রয়োজন এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকসের বদলে ফল, দই কিংবা পরিমিত বাদামের মতো পুষ্টিকর খাবার তাদের নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা ভালো।
/আশিক
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ইসবগুলের ভুষি: সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা
সকালে পেট পরিষ্কার না হওয়া, মলত্যাগের জটিলতা ও দীর্ঘস্থায়ী অস্বস্তির মতো কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া সমাধান হিসেবে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রাকৃতিক ফাইবার ‘ইসবগুলের ভুষি’ (সাইলিয়াম হাস্ক)। এটি মূলত ‘প্ল্যান্টাগো ওভাটা’ বীজের আবরণ থেকে প্রস্তুতকৃত একটি দ্রবণীয় আঁশ। এটি ওষুধের মতো কৃত্রিমভাবে অন্ত্রকে উত্তেজিত না করে প্রাকৃতিক ‘বাল্ক-ফর্মিং ল্যাক্সেটিভ’ হিসেবে কাজ করে; পানির সংস্পর্শে এলে জেলির মতো ফুলে ওঠে অন্ত্রে পানি ধরে রাখে এবং মল নরম ও ভারী করে সহজে নিঃসরণে সহায়তা করে। তবে এর যথাযথ কার্যকারিতা পেতে সঠিক মাত্রা ও গ্রহণের নিয়ম মেনে চলা জরুরি।
পুষ্টিবিদদের মতে, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা প্রাথমিক অবস্থায় দৈনিক প্রায় ৫ গ্রাম বা ১ থেকে ২ চা-চামচ ইসবগুল দিয়ে শুরু করতে পারেন। অতিরিক্ত মাত্রা একবারে গ্রহণ করলে উপকারের বদলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা অন্ত্রে ব্লকেজ তৈরির ঝুঁকি থাকে। এটি খাওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ করা।
প্রায় ২৪০ মিলিলিটার বা এক গ্লাস পানিতে ইসবগুল মিশিয়ে বিলম্ব না করে তাৎক্ষণিক পান করতে হবে এবং দিনভর প্রচুর পানি খেতে হবে; অন্যথায় এটি অন্ত্রের পানি শুষে নিয়ে মলকে উল্টো শক্ত করে ফেলতে পারে। দিনের যেকোনো সুবিধাজনক সময় বা সন্ধ্যায় এটি খাওয়া গেলেও যারা নিয়মিত অন্যান্য ওষুধ সেবন করেন, তাদের ওষুধের কার্যকারিতা ও পুষ্টি শোষণ ঠিক রাখতে ইসবগুল খাওয়ার মাঝে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধান বজায় রাখা আবশ্যক।
তবে খাবার গিলতে সমস্যা, অন্ত্রে প্রতিবন্ধকতা, তীব্র পেটব্যথা, বমি ভাব কিংবা মলদ্বারে রক্তপাতের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত ইসবগুল গ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পাশাপাশি কিডনি, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের রোগীদের ক্ষেত্রে এটি নিয়মিত ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ইসবগুল খাওয়ার পর যদি তীব্র পেটব্যথা, শ্বাসকষ্ট কিংবা সমস্যা বেড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে অনতিবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
/আশিক
টানা ১৪ দিন গ্রিন টি পানে শরীরে যেসব পরিবর্তন ঘটে: বিশেষজ্ঞের তথ্য
সকালে এক কাপ গরম গ্রিন টি পান করার অভ্যাস এখন অনেকের দৈনন্দিন রুটিনের একটি পরিচিত অংশ হয়ে উঠেছে, তবে সাধারণ এই পানীয়টি মানবদেহে কতটা গভীর ইতিবাচক রূপান্তর ঘটাতে পারে তা অনেকেরই অজানা। সম্প্রতি হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিশিষ্ট গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট এবং হেপাটোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি উল্লেখ করেছেন যে, টানা ১৪ দিন বা দুই সপ্তাহ নিয়মিত পরিমিত মাত্রায় গ্রিন টি পান করলে শরীরে তাৎপর্যপূর্ণ কিছু শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞের অভিমত অনুযায়ী, টানা দুই সপ্তাহ গ্রিন টি পানের ফলে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক প্রভাব পড়ে মানুষের লিভারের ওপর। গ্রিন টিতে ‘ইজিসিজি’ (EGCG)-এর মতো অত্যন্ত শক্তিশালী ক্যাটেকিন এবং কার্যকর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান, যা লিভারের ভেতরের প্রদাহ প্রশমিত করার পাশাপাশি সামগ্রিক মেটাবলিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এর বিভিন্ন সক্রিয় উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন লড়াই চালিয়ে দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন ক্রনিক রোগের ঝুঁকি থেকে মানবদেহকে সুরক্ষিত রাখে।
লিভারের সুরক্ষার পাশাপাশি বিপাক প্রক্রিয়া বৃদ্ধি ও শারীরিক ওজন নিয়ন্ত্রণেও পানীয়টি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। গ্রিন টির উপাদানগুলো শরীরের স্বাভাবিক বিপাক হার বা মেটাবলিজম গতিশীল করে এবং অতিরিক্ত চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়া বা ফ্যাট মেটাবলিজমকে আরও ত্বরান্বিত করে। একই সাথে এটি ইনসুলিন সেনসিটিভিটি উন্নত করতে ভূমিকা রাখে, যা স্বাস্থ্য সচেতন ও ফিটনেস বজায় রাখতে আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য দুই সপ্তাহের মধ্যে আশাব্যঞ্জক বিপাকীয় পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।
গ্রিন টি মানসিক কর্মক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের একাগ্রতা বাড়াতেও সহায়ক। সাধারণ কফি পানের পর অনেকের মধ্যে যে ধরনের অস্থিরতা বা নার্ভাসনেস দেখা দেয়, গ্রিন টির ক্ষেত্রে সেই ঝুঁকি থাকে না। এতে কফির চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম ক্যাফেইন থাকে এবং যুক্ত থাকে ‘এল-থিয়ানিন’ নামক এক বিশেষ অ্যামাইনো অ্যাসিড। এই দুই উপাদানের সম্মিলিত ক্রিয়া মস্তিষ্ককে শান্ত ও স্থির রাখে, যা অস্থিরতা তৈরি না করেই দীর্ঘক্ষণ নিরবচ্ছিন্ন মানসিক সতর্কতা, স্থায়িত্বশীল শক্তি ও মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়তা করে।
স্বাস্থ্যগত অসংখ্য গুণাবলি থাকা সত্ত্বেও গ্রিন টি গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু সতর্কতা এবং সঠিক নিয়ম মেনে চলার তাগিদ দিয়েছেন ডা. শেঠি। তিনি দৈনিক এক থেকে সর্বোচ্চ তিন কাপ গ্রিন টি পানের পরামর্শ দিয়েছেন এবং অতিরিক্ত ঘন গ্রিন টি নির্যাসের (Green Tea Extract) ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে পরিহার করার কড়া সতর্কতা দিয়েছেন। অতিরিক্ত মাত্রায় ঘন নির্যাস সেবনের ফলে বিরল ক্ষেত্রে লিভারের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, যার কারণে পরিমিত ও নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় পান করাই এই অভ্যাসের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
পাঠকের মতামত:
- জুলাইয়ের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বিএনপি বেইমানি করেছে: আল্লামা মামুনুল হক
- দিল্লিতে আটক তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে থানায় অনশন-ধরনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ায় রোনালদোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
- ‘যত খুশি পুলিশ মোতায়েন করুন, আমরা পিছু হটব না’: মোদিকে রাহুল গান্ধীর চরম চ্যালেঞ্জ
- ‘মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি’: মোদির বিদায় নিয়ে আসিফ নজরুলের পোস্ট
- রোমান সম্রাটের নতিস্বীকারের ইতিহাস টেনে যুক্তরাষ্ট্রকে চরম হুঁশিয়ারি ইরানের
- মন ভালো রাখতে দৈনন্দিন জীবনে যে ছোট্ট পরিবর্তনগুলো আনা জরুরি
- পর্দার পেছনের অভিনব কায়দা নিয়ে এল নতুন প্ল্যাটফর্ম
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে বড় উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার
- মধ্যপ্রাচ্যের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্যে জানা গেল রোজা শুরুর সম্ভাব্য সময়
- রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান দুর্বল করতে ষড়যন্ত্র চলছে: রুহুল কবির রিজভী
- পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি
- বিশ্বমানের কূটনৈতিক সাফল্যের দাবি করেও নোবেল না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ
- ভোটাধিকার রক্ষায় দিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দিল ইন্ডিয়া জোট
- রাজশাহীর পুঠিয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে
- মেগা প্রকল্পের অংশীদার জাপানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ঘোষণা
- নরেন্দ্র মোদি জরুরি অবস্থাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন: অভিজিৎ দীপ
- ভারতের রাজধানীতে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ব্যাপক ধরপাকড়
- গড়াই নদীতে আবরার ফাহাদের নামে সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- চম্পাফুলে তরুণ দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও আমের চারা বিতরণ
- বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় অস্থিরতা: রেকর্ড বাড়ল তেলের দাম
- আমরা ভারতবিরোধী নই, আধিপত্যবাদের বিরোধী: আসিফ মাহমুদ
- জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার পথে রূপপুরের প্রথম ইউনিট
- রাজনৈতিক ভাষণে স্ত্রীর দেয়া বিশেষ বার্তার কথা ফাঁশ করলেন ট্রাম্প
- ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ও রিজভীউল হাসান মুন্সী
- ভারতীয় চলচ্চিত্রে গভীর শোকের ছায়া: হঠাৎ থমকে গেল এক রূপালী পথচলা
- বিশ্বজুড়ে মহাবিপর্যয়ের সংকেত: সতর্কবার্তা দিল জাতিসংঘ
- আবহাওয়া দপ্তরের নতুন পূর্বাভাস: বর্ষার শেষে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটুকু?
- ইতালিয়ান ফুটবলে কিংবদন্তি তারকার নতুন অধ্যায়: সূচি নিয়ে জল্পনা
- এলপিজি আমদানিতে ফ্রেইট চার্জের নাটকীয়তা: বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ বিপিসি
- শিশু-কিশোরদের স্বাস্থ্যে বড় পদক্ষেপ: দুই মাসে দেশজুড়ে ১ হাজার খেলার মাঠের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- ঢাবিতে শান্তি বৈঠক রূপ নিল সংঘর্ষে: সূর্যসেন ও জহুরুল হক হলের ৪ জন গুরুতর আহত
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানোর নির্দেশ গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর
- আবরার হত্যার আসামিদের আইনজীবী শিশির মনিরকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাশেদ খাঁন
- রমজানে পণ্য সংকটের আশঙ্কা নেই: পর্যাপ্ত আমদানির আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত
- বিশ্বসাহিত্যের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করল সুইডিশ একাডেমি
- ১১ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস: নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
- গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ও দ্বিপক্ষীয় ইস্যু নিয়ে ফোনালাপে মিলিত হলেন দুই বিশ্বনেতা
- ধর্ম-বর্ণ যেন নাগরিকের অধিকার ও সুযোগের বাধা না হয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ঘরে ঘরে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পৌঁছাবে সরকার: এক বছরব্যাপী ক্যাম্পেইনের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
- উচ্চদক্ষ প্রবাসীদের জন্য বড় স্বস্তি: কাজের ভিসার সাথেই মিলবে সৌদি পরিবারের এন্ট্রি ভিসা
- আবরারের রক্তে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য ও গণপ্রতিরোধের জন্ম: রুহুল কবির রিজভী
- আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে এক যুগের অবসান ঘিরে দেশে দেশে আবেগের ঢল
- যন্তর মন্তরে তুলকালাম: পুলিশি বাধা ঠেলে রাজপথে ধর্নায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
- চিকিৎসা জার্নালে পুষ্টি ও লিভারের স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন গবেষণা প্রকাশ
- রিয়াল মাদ্রিদের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নিয়ে স্প্যানিশ গণমাধ্যমের নতুন খবর
- গুহাবাড়ির কঠিন লড়াই থেকে লাল চীনের মসনদ: শি জিনপিংয়ের ক্ষমতার রূপকথা
- জ্বালানি খাতে বিইআরসির নতুন দর পুনর্নির্ধারণের ঘোষণা
- জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন অগ্রগতি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ
- ষড় ঋতুর পালাক্রমের ছোঁয়ায় কুবিতে শীতের আগমনী বার্তা
- ভারতের সাথে গঙ্গার পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ডিসেম্বরে, সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা
- বয়স বাড়লেই বাড়ে ঝুঁকি, জেনে নিন প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারার মূল কারণ ও প্রতিকার
- যন্তর মন্তরে তুলকালাম: পুলিশি বাধা ঠেলে রাজপথে ধর্নায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
- সপ্তাহজুড়ে ধারাবাহিক ওঠানামার পর স্বর্ণের বাজার আবার ঊর্ধ্বমুখী
- প্রতিটি জেলা ও সিটি কর্পোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, থানায় এজাহার দিতে গিয়ে অবরুদ্ধ এনসিপি
- কুষ্টিয়ায় লালন শাহের মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা
- শর্ত পূরণ না হলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কড়া বার্তা
- মোস্তাফিজের বাজে ওভার ও অদ্ভুত কৌশলগত ভুলে ক্ষুব্ধ ক্রিকেট অঙ্গন
- ৫২ বছর পর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, সম্মাননা পেলেন গাইবান্ধার 'এক টাকার শিক্ষক' লুৎফুর রহমান
- প্রথম আরব স্বীকৃতিদানকারী দেশের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণের নতুন উদ্যোগ
- আবারও বাড়ল এলপিজির দাম, নতুন দর ঘোষণা করল বিইআরসি
- যুদ্ধ থামানোর নতুন কৌশল? মার্কিন ও মধ্যপ্রাচ্যের ব্যবসায়ীদের নজর রাশিয়ার লুকঅয়েলে
- আবহাওয়া দপ্তরের চারদিনের নতুন পূর্বাভাস জারি, বদলাচ্ছে আবহাওয়ার রূপ








