হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ থেকে টোল নিচ্ছে না ইরান: ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী কোনো বাণিজ্যিক বা পণ্যবাহী জাহাজ থেকে ইরান কোনো ধরনের টোল বা মাশুল আদায় করছে না বলে ওয়াশিংটনকে আশ্বস্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তেহরানের দেওয়া এই আশ্বাস যদি কোনোভাবে মিথ্যা বা কাল্পনিক প্রমাণিত হয়, তবে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সব ধরনের দ্বিপক্ষীয় আলোচনা তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
নিজের পোস্টে সম্পূর্ণ বড় হাতের অক্ষরে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় কোনো জাহাজের কাছ থেকেই ইরান কোনো ধরনের টোল, বিমা খরচ কিংবা অন্য কোনো প্রকার অতিরিক্ত চার্জ দাবি করছে না এবং গ্রহণও করছে না। ইরানের সঙ্গে আমেরিকার কোনো ধরনের গোপন বা সরাসরি আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি পুরোপুরি নাকচ করে দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানকে কোনো নগদ অর্থ দেওয়া হয়নি বা তাদের কোনো অর্থ নতুন করে অবমুক্তও করা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকা ইরানের অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করা তহবিলের কিছু অংশ মার্কিন কৃষক ও খামারিদের কল্যাণে ব্যবহার করা হবে। এই নির্দিষ্ট অর্থ দিয়ে মার্কিন কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ভুট্টা, গম ও সয়াবিনের মতো বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য কেনা হবে।
সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের শেষ অংশে ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ইরানে বর্তমানে খাদ্যের তীব্র সংকট ও জরুরি প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। আর সেই মানবিক কারণেই দেশটির অবরুদ্ধ অর্থের একটি অংশ দিয়ে এই খাদ্যসামগ্রী কেনা হচ্ছে। একই সঙ্গে এই খাদ্যশস্য একচেটিয়াভাবে কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজার থেকেই কেনা হবে বলে দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করেছেন ট্রাম্প।
সূত্র: আল-জাজিরা।
সামরিক ক্ষয়ক্ষতির জল্পনায় জল: যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে ট্রাম্পের বড় দাবি
প্রায় সাত মাস ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সামরিক সংঘাতের কারণে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত মারাত্মকভাবে কমে গেছে সংক্রান্ত সংবাদকে ভিত্তিহীন বলে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, মার্কিন বাহিনীর গোলাবারুদ ফুরিয়ে আসার দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি কাপুরুষ ও শত্রুপক্ষের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ছাড়া আর কিছুই নয়।
বিবৃতিতে তিনি আরও দাবি করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বর্তমানে সামরিক চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনের চেয়েও অতিরিক্ত গোলাবারুদ মজুত রয়েছে। একই সাথে মার্কিন প্রতিরক্ষা খাতে যুদ্ধাস্ত্র উৎপাদনের হার অভূতপূর্ব মাত্রায় বাড়ানো হয়েছে, যা দেশটির ইতিহাসে আগে কখনো দেখা যায়নি।
/আশিক
মার্কিন ডুবোজাহাজ দখলের দাবি ইরানের, শুরু হচ্ছে ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিতে নির্মিত একটি ডুবোজাহাজ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সংস্থাটির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি জানিয়েছেন, ডুবোজাহাজটিতে অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে এবং আইআরজিসি নৌবাহিনীর হাতে আসার পর এটি ব্যবচ্ছেদ করে তথ্য বের করার প্রক্রিয়া বা ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ শুরু করা হবে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজের রাজনৈতিক প্রতিবেদককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র সশস্ত্র বাহিনীর সাম্প্রতিক নানা সামরিক তৎপরতার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, টানা প্রায় ৪০ দিনের সংঘাতের সময় মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম সফলভাবে মোকাবিলার মাধ্যমে ইরানি বাহিনীর সক্ষমতার প্রমাণ মিলেছে।
হোসেইন মোহেব্বির দাবি অনুযায়ী, ওই সামরিক সংঘাতের সময় মার্কিন প্রতিরক্ষা খাতে ব্যবহৃত বেশ কিছু সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে এসেছে। এর দৃষ্টান্ত হিসেবে তিনি মার্কিন স্টিলথ প্রযুক্তির এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন।
আইআরজিসি মুখপাত্রের মতে, এফ-৩৫ বিমানের মূল কাঠামো, রাডার ফাঁকি দেওয়ার বিশেষ প্রযুক্তি, উড্ডয়নসীমা এবং সামরিক অস্ত্র বহনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জটিল ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস বা মহাকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী সফলভাবে ওই বিমানকে নিশানা বানাতে পেরেছে।
একই আলাপে তিনি আইআরজিসির নৌবাহিনীর হাতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ডুবোজাহাজ আটকা পড়ার বিস্ফোরক দাবি তোলেন। তিনি জানান, প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ওই জলযানটি পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার নকশা ও মূল প্রযুক্তি রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আওতায় আনা হবে।
তবে ফার্স নিউজকে দেওয়া ওই বক্তব্যে ডুবোজাহাজটির সঠিক মডেল, সেটিকে ঠিক কোথায় এবং কোন পদ্ধতিতে আটক বা পরাস্ত করা হয়েছে—সে ব্যাপারে স্পষ্ট ও বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেননি আইআরজিসির এই মুখপাত্র।
মোহেব্বি আরও দাবি করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইরানের সামরিক শক্তিতে আকাশ ও নৌপথের আধুনিক সরঞ্জাম সমন্বিত রয়েছে। যার মধ্যে কৌশলগত যুদ্ধবিমান, সহায়ক সরঞ্জাম, পরিবহন বিমান, আধুনিক নজরদারি বিমানসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির ডুবোজাহাজ এবং চালকবিহীন যুদ্ধযান বা ড্রোন নৌকা অন্তর্ভুক্ত।
আইআরজিসি মুখপাত্রের এই সকল দাবি ফার্স নিউজ প্রকাশিত সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে সামনে এলেও, মার্কিন ওই সাবমেরিন আটকের ঘটনার সাপেক্ষে কোনো স্বাধীন বা নিরপেক্ষ প্রমাণ বা সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
/আশিক
হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাব
যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক চাপ কমানোর প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলে আগামী সাত দিনের মধ্যে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাপানের সংবাদমাধ্যম কিয়োদো নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় এক ইরানি কর্মকর্তা এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কিয়োদো নিউজের প্রকাশ করা প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানি এই প্রস্তাবটি মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। জলপথটি খুলে দেওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিদ্যমান শত্রুতা ও সামরিক উত্তেজনার স্থায়ী অবসানে নতুন করে প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তেহরানের দেওয়া এই প্রস্তাবের মূল উদ্দেশ্য কেবল হরমুজ প্রণালি মুক্ত করা নয়, বরং কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে মার্কিন-ইরান সম্পর্কের স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি একটি সমাধান গড়ে তোলা। তবে চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে কোনো ধরনের প্রত্যক্ষ বৈঠকের সম্ভাবনা একপ্রকার নাকচ করে দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
ইরানি ওই কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, সংকট নিরসনে একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে পৌঁছানোর পথ এখনো খোলা রয়েছে। তবে সে ক্ষেত্রে কূটনৈতিক আলোচনাকে সামনে এগিয়ে নিতে মার্কিন প্রশাসনকে তাদের সামরিক সিদ্ধান্ত ও প্রতিশ্রুতি পালনে আন্তরিকতার প্রমাণ দেখাতে হবে।
বিশ্ববাজারের জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত প্রধান এই সমুদ্রপথে নৌ চলাচল নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যকার বিরোধ চরমে পৌঁছায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করলে পাল্টা পদক্ষেপে ইরানও ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে আক্রমণ চালায়।
পরবর্তীকালে এপ্রিলে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সায় দেয় এবং জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ স্বাক্ষর করে। যেখানে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে উভয় দেশকে ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু উক্ত চুক্তির পরপরই দুই দেশ পুনরায় সামরিক সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়ে পড়ে, যার জেরে ওয়াশিংটন ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ পুনরারোপ করে এবং জবাবে তেহরান হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
ইরানের বিষয়ে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিল ওয়াশিংটন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার তীব্র কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার আবহেই জাতিসংঘে ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সদিচ্ছার কথা নিশ্চিত করেন, যা পরবর্তীতে আল জাজিরাতেও সম্প্রচারিত হয়।
সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান সংঘাতের নিরসনে ওয়াশিংটন উন্মুক্ত আলোচনায় আগ্রহী। তিনি বলেন, এ মুহূর্তে আনুষ্ঠানিক কোনো সময়সূচি নির্ধারিত না হলেও আলোচনার মাধ্যমে ইতিবাচক ফলাফল ও চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হলে যুক্তরাষ্ট্র এতে সানন্দে অংশ নেবে। তবে আলোচনার প্রধান শর্ত উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট জানান, ইরানকে নিশ্চিত করতে হবে যে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।
এদিকে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক তৎপরতার অংশে ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে চীনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে চীনের সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা তিনি উল্লেখ করলেও চলমান এই সংকট ঠিক কতদিন স্থায়ী হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ধারণা দিতে পারেননি।
কূটনৈতিক আলোচনার বার্তার পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপও জোরদার করেছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়। দেশটির বিমান চলাচলের সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি পূর্বানুমতি ইতিমধ্যে বাতিল করা হয়েছে, যার মধ্যে ইরানি আকাশসীমা ব্যবহার করে অন্যান্য দেশের বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচলের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়াও বেসামরিক বিমান খাত, জ্বালানি সরবরাহ এবং জরুরি মেরামতের কাজ সংক্রান্ত বেশ কিছু আর্থিক লেনদেনের ওপর ইতিবাচক ছাড় প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। এসব শিথিলতার মেয়াদ ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে সময়সীমা শেষ হওয়ার পর নতুন করে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার পথ আরও জটিল ও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
চরম উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের আকাশে উড়ন্ত রহস্যময় বস্তু
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক বিদ্যমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের রাজধানী তেহরানের আকাশে একটি রহস্যময় উড়ন্ত বস্তুর দেখা মিলেছে। বস্তুটিতে নানা রঙের উজ্জ্বল আলোর খেলা লক্ষ্য করা গেছে। আকাশে কিছুক্ষণ ভেসে থাকার পর দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ঘিরে নানা গুঞ্জন ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথিত অতি গোপনীয় যুদ্ধবিমান ‘টিআর-৩বি ব্ল্যাক মান্টা’ সংক্রান্ত আলোচনা নতুন করে শুরু হয়েছে। যদিও মার্কিন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কখনোই এই সামরিক বিমানের অস্তিত্ব স্বীকার করেনি। একইসঙ্গে তেহরানের আকাশে দেখা যাওয়া আলোর সঙ্গে এই কথিত বিমানের কোনো ধরনের সংযোগ রয়েছে—এমন সুনির্দিষ্ট প্রমাণও মেলেনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর তেহরানের আজাদেগান এক্সপ্রেসওয়ের কাছাকাছি এলাকায় আকাশে প্রথম ওই রহস্যময় বস্তুর উপস্থিতি চিহ্নিত করা হয়। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওচিত্রে একটি বিশাল অর্ধচন্দ্রাকৃতির বস্তুকে বিভিন্ন রঙের আলো ছড়াতে দেখা যায়। এর পরের দিন, অর্থাৎ ২১ সেপ্টেম্বর ইরানের জাহেদান শহরের আকাশে একই ধরনের অস্বাভাবিক আলোর দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী হয়, যা ইন্টারনেটে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
বহু বছর ধরেই ‘টিআর-৩বি ব্ল্যাক মান্টা’ নামের একটি সামরিক বিমান নিয়ে নানা ধরনের তথ্য দাবি করা হয়ে আসছে। বিভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্যমতে, এটি দেখতে কালো ও ত্রিভুজাকৃতির, যার ঠিক মাঝখানে একটি উজ্জ্বল আলো থাকে। দাবিকৃত তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি অত্যন্ত কম উচ্চতায় নিঃশব্দে উড়তে পারে, আকাশে এক জায়গায় স্থির থাকতে পারে এবং মুহূর্তের মধ্যে চোখের পলকে গতি পরিবর্তন করতে পারে। তবে এসব তথ্যের সাপেক্ষে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এর আগে ২০২১ সালে ভূমধ্যসাগরে অবস্থানরত একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর ওপর ত্রিভুজাকৃতির একই ধরনের উড়ন্ত বস্তুর ছবি ইরানের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিমানটি নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়। সে সময় ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সাথে সম্পর্কিত তাসনিম নিউজ এজেন্সি দাবি করেছিল, বস্তুটি গোপন ‘টিআর-৩ ব্ল্যাক মান্টা’ বিমান হতে পারে।
কথিত আছে, এই উড়োজাহাজটিতে ‘অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি’ বা অভিকর্ষ-বিরোধী প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, যা এটিকে শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিতে চলতে সাহায্য করে। বিভিন্ন অপ্রমাণিত তত্ত্বে বলা হয়, পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে প্লাজমা তৈরির মাধ্যমে বিমানটির গতি ও দিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রাডার ফাঁকি দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে। তবে আধুনিক বিজ্ঞানে বা সামরিক ইতিহাসে এমন প্রযুক্তির বাস্তব কার্যকারিতার প্রমাণ নেই।
বিভিন্ন সময়ে ত্রিভুজাকৃতির উড়ন্ত বস্তুর সত্যতা নিয়ে অনুসন্ধানী কাজ পরিচালনা করা হয়েছে। লাস ভেগাসভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডিসকভারি সায়েন্স’ ২০০৪ সালে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করার আগ পর্যন্ত উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপ থেকে ১৫০টিরও বেশি এই ধরনের ঘটনার নথি সংগ্রহ করেছিল। তাদের মতে, এমন কোনো বস্তু সামরিক গোয়েন্দা নজরদারিতে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের গোপন সামরিক বিমানের উপস্থিতি দীর্ঘদিন লুকিয়ে রাখার নজির রয়েছে। যেমন—এফ-১১৭ নাইটহক যুদ্ধবিমানটি আশির দশকের শুরুতে নির্মিত হলেও মার্কিন প্রশাসন ১৯৮৮ সালের পূর্বে এর কথা স্বীকার করেনি। সে হিসেবে ব্ল্যাক মান্টাকে কেন্দ্র করে ধারণা বা জল্পনা তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
তবে সর্বশেষ তেহরানের আকাশে ভেসে থাকা বস্তুটির প্রকৃত পরিচয় কী, কিংবা এটি কোনো মার্কিন যুদ্ধবিমান কি না—তা পুরোপুরি অস্পষ্ট। একইসঙ্গে ঘটনার বিষয়ে ইরান সরকার বা দেশটির সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদান করা হয়নি।
/আশিক
তেহরানের আকাশে রহস্যময় আলোর পিণ্ড: নতুন করে জল্পনা শুরু
ইরানের রাজধানী তেহরানের আকাশে ২০ সেপ্টেম্বর রাতে উজ্জ্বল ও বহুরঙা আলোযুক্ত একটি রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু দেখা যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এক্স প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও অনুযায়ী ঘটনাটি আজাদেগান এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন এলাকায় ঘটেছে বলে দাবি করা হলেও, এর সত্যতা কিংবা বস্তুটির প্রকৃত পরিচয় এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং ইরান সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা নতুন চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে একই দিনে ইরানের সামরিক বাহিনী মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ভ্রমণ সতর্কতা জারি করায় বিষয়টি নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বস্তুটিকে সামরিক ড্রোন, একাধিক ড্রোনের বহর কিংবা এলইডি আলোযুক্ত ঘুড়ি হিসেবে অনুমান করা হলেও নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য মেলেনি। সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি অনেকের মনে ১৯৭৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর রাতের আলোচিত তেহরান ইউএফও ঘটনার স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে, সে সময়ও আকাশে অস্বাভাবিক বস্তু দেখে এফ-৪ যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছিল এবং যার দাপ্তরিক নথিপত্র মার্কিন সংস্থাসমূহের আর্কাইভে রয়েছে। তবে চলতি সপ্তাহের এই আলোর সঙ্গে ১৯৭৬ সালের ঐতিহাসিক ঘটনার কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। স্বাধীন কোনো সংস্থা ভিডিওগুলোর সত্যতা নিশ্চিত না করায় এটি ড্রোন, অন্য কোনো আকাশযান নাকি ভিন্ন কিছু—সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।
সূত্র: এনডিটিভি
নতুন সামরিক সক্ষমতা দেখে বিশ্ব চমকে যাবে: আইআরজিসির চরম হুঁশিয়ারি
যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় হামলা চালালে দেশটির বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ নতুন সামরিক কৌশল এবং আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাঠে নামার হুশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি জানান, সম্ভাব্য মার্কিন আগ্রাসনের জবাবে যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিধি বাড়ানো হবে এবং এমন কিছু নতুন অস্ত্র ব্যবহার করা হবে যা দেখে বিশ্ব অবাক হয়ে যাবে। এছাড়া ইরানের পরবর্তী আঘাতের লক্ষ্যস্থল হিসেবে আগের স্থানগুলোর বাইরে সম্পূর্ণ নতুন কিছু এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকারে মোহেব্বি দাবি করেন যে সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র একটি ঐতিহাসিক ও অপমানজনক পরাজয়ের মুখে পড়েছে, যা ওয়াশিংটন স্বীকার করতে সাহস পাচ্ছে না। হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকা এবং পারস্য উপসাগরীয় এলাকা ও উত্তর ইরাকে অবস্থিত মার্কিন গোয়েন্দা ঘাঁটিতে সফল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানা মার্কিন ব্যর্থতারই বড় প্রমাণ বলে দাবি করেন তিনি। তবে আইআরজিসির এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই চলমান উত্তেজনা প্রশমিত করতে কাতার উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ ও মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি ব্লুমবার্গকে নিশ্চিত করেছেন।
/আশিক
আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনার মধ্যেই রাশিয়ার নির্বাচন সম্পন্ন
রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ক্ষমতাসীন দল ‘ইউনাইটেড রাশিয়া’ ঐতিহাসিক ও নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। উল্লেখযোগ্য কোনো জোরালো বিরোধিতা ছাড়াই অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী এই নির্বাচনে দেশটির ৪৫০টি আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৫৫টিতেই জয়লাভ করেছে দলটি। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান এলা পামফিলোভা প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করে এই বিশাল জয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে পুতিনের দলের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং তারা তাদের আগের ৩৪৩ আসনের রেকর্ডও ভেঙে ফেলল।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এটিই প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচন এবং এর ফলাফল প্রমাণ করে যে সাধারণ মানুষ প্রেসিডেন্ট পুতিনের নীতি ও নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা বজায় রেখেছে। গত আড়াই দশক ধরে রাশিয়ার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণকারী দলটির এই সুপারমাজোরিটি বা দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধনের একক ক্ষমতা প্রদান করছে। ৫৯ শতাংশের বেশি ভোটারের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে যুদ্ধবিরোধী একমাত্র দলটিকে আগেই প্রার্থিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল এবং ভোটের শেষ দিনে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালানো হলেও কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন হয়।
ফলাফল অনুযায়ী, কমিউনিস্ট পার্টি ৪০টি, জাতীয়তাবাদী এলডিপিআর ২৫টি এবং নিউ পিপল পার্টি ২০টি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া চেচনিয়ায় আঞ্চলিক প্রধান রমজান কাদিরভ ৯৯.৮৫ শতাংশ ভোট পেয়ে পুনরায় বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এই নির্বাচনকে গণতন্ত্রের লোকদেখানো প্রহসন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
সূত্র: এএফপি
যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য বিশ্বাস করে না বিশ্ব, মন্তব্য ইরানি মুখপাত্রের
যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো বক্তব্য অন্ধভাবে বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি ওয়াশিংটনের নীতিকে সরল ও ভণ্ডামিপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বাঘাইয়ের মতে, ওয়াশিংটন এখনো এমন একটি মানসিকতায় আটকে রয়েছে যেখানে তারা মনে করে বিশ্বের অন্যান্য দেশের স্মৃতিশক্তি বা বিশ্লেষণ করার কোনো ক্ষমতা নেই। তারা ধরে নিয়েছে যে সবাই অন্ধভাবে তাদের কথা বিশ্বাস করবে এবং কোনো প্রশ্ন ছাড়াই তা মেনে নেবে।
একদিকে ইরানের সাধারণ মানুষকে চরম অর্থনৈতিক সংকটে ফেলতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, অন্যদিকে ইরানি কর্মকর্তারা যাতে মার্কিন পাইকারি কোনো দোকান থেকে কেনাকাটা করতে না পারেন—এমন কূটনৈতিক পদক্ষেপকে বড় করে দেখানো হচ্ছে। পুরো একটি জাতির জীবিকা ধ্বংসের মতো কঠোর নিষেধাজ্ঞাকে উদযাপনের পাশাপাশি সাধারণ দোকানের সদস্যপদ কার্ড নিয়ে বড় বড় কথা বলা যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিচারিতা ও নীতির চরম অসংগতিকেই স্পষ্ট করে তোলে। ওয়াশিংটনের এসব বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের নেওয়া নীতির চিন্তাগত সীমাবদ্ধতাও ফুটে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- পাসপোর্ট খোয়া গেলে বা নষ্ট হলে যেসব নিয়ম মানতে হবে
- বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক প্রসার নিয়ে চীন সরকারের নতুন ভাবনা
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে জ্বালানি খাতে বড় আর্থিক চাপ
- সামরিক ক্ষয়ক্ষতির জল্পনায় জল: যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে ট্রাম্পের বড় দাবি
- জাতিসংঘের অধিবেশনে বিশ্ব নেতাদের সামনে জলবায়ু সংকট নিয়ে কড়া বার্তা
- দল থেকে বহিষ্কৃত তবুও এমপি! গাজী নজরুলের ঘটনায় সংসদে নতুন আইনের দাবি
- দ্রুত উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে নতুন আবহাওয়া দুর্যোগ
- অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ৭টি নীরব লক্ষণ যা সাধারণ ভেবে ভুল করেন অনেকেই
- নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে যুক্ত হলেন জাতীয় দলের তারকা পেসার
- মার্কিন ডুবোজাহাজ দখলের দাবি ইরানের, শুরু হচ্ছে ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক সূচনা
- হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাব
- 'হাসিনার সময় পদত্যাগ চাইতাম, এখন চাওয়া ঠিক হবে না': জাহেদ উর রহমান
- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে রিমান্ডে নিলেই বের হবে বাসে আগুনের রহস্য: রাশেদ খাঁন
- ইরানের বিষয়ে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিল ওয়াশিংটন
- দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার নিয়োগে ভারতের সবুজ সংকেত
- চরম উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের আকাশে উড়ন্ত রহস্যময় বস্তু
- পাইপলাইন মেরামতের জন্য যেসব এলাকায় মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না
- তেহরানের আকাশে রহস্যময় আলোর পিণ্ড: নতুন করে জল্পনা শুরু
- নতুন সামরিক সক্ষমতা দেখে বিশ্ব চমকে যাবে: আইআরজিসির চরম হুঁশিয়ারি
- দাম বাড়ার পরও প্রতি লিটার ডিজেলে ৭০ টাকা লোকসান গুণতে হবে: রিজভী
- জাতিসংঘের মঞ্চে জিয়া পরিবারের তৃতীয় উত্তরাধিকার
- দেবিদ্বারে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের তাণ্ডব: প্রাণ গেল মা ও শিশুর
- কম বয়সে চুল পড়ার প্রধান তিনটি কারণ ও এর প্রতিকার
- পুরোনো সহযোগীকে পাশে নিয়ে নতুন মিশনে নামছেন ধোনি
- আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা দাবি করলেন এমপি নজরুল
- শিশুদের কল্যাণে অনন্য নজির স্থাপন করলেন আর্জেন্টাইন তারকা
- আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনার মধ্যেই রাশিয়ার নির্বাচন সম্পন্ন
- অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচনে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
- লংমার্চকে কেন্দ্র করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হলে মেনে নেবে না বিএনপি: রিজভী
- সাইবার অপরাধ দমনে চীনের সঙ্গে নতুন সহযোগিতার ঘোষণা
- সরকারের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভূত চেপে বসেছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার
- দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে নতুন মৃত্যুর পরিসংখ্যান সামনে এল
- আলোচিত সংসদ সদস্য ও তাঁর স্ত্রীর রিমান্ড মঞ্জুর
- জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে ইতালীয়দূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ক্ষণ ঘনিয়ে আসছে মেসির
- যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য বিশ্বাস করে না বিশ্ব, মন্তব্য ইরানি মুখপাত্রের
- রোববারের এই আকস্মিক মৃত্যু নিয়ে যা জানা যাচ্ছে
- শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবন থেকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- দুর্দান্ত জয়ের পরও বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বড় ছন্দপতন
- বিরলে পুষ্টি সংবেদনশীল হর্টিকালচার নার্সারি বিষয়ে প্রশিক্ষণ
- খাওয়ার টেবিলে শিশুর স্ক্রিন আসক্তি কি আসলেই ক্ষতিকর?
- প্রচারচিত্রে বুক চেপে লুটিয়ে পড়লেন ভাইজান! হঠাৎ কী ঘটল ‘বিগ বস’-এর মঞ্চে?
- ধারণাকেও ছাড়িয়ে গেল খরচ! ইরান যুদ্ধে কত ব্যয় হলো যুক্তরাষ্ট্রের?
- ২৭ সেপ্টেম্বরের মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা, গ্রেপ্তার ইমরান খানের বোন
- ডিজিটাল অভিজ্ঞতায় বড় চমক, দেশজুড়ে নতুন ইন্টারনেট ব্যবস্থা আনল গ্রামীণফোন
- বন্ধুত্বের আড়ালে চরম বিশ্বাসঘাতকতা! আইফোনের লোভে অপ্রতিমকে যেভাবে হত্যা করা হয়
- পল্লবীতে সরকারি কলেজের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন
- রাজধানী রিয়াদের আকাশে আগুনের শিখা! কী ঘটেছে আরামকো ও বিমানবন্দরে?
- বৈশ্বিক মঞ্চে নতুন সরকারের অভিষেক: জাতিসংঘ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- অপ্রতিমের মৃত্যু যে প্রশ্ন রেখে গেল: নিরাপত্তা, জনআস্থা ও আইনশৃঙ্খলার নতুন পরীক্ষা
- বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের গর্জন, আইসিসির নতুন র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের চমক
- গেজেট প্রকাশের আগেই সামনে এলো নতুন পে-স্কেলের বিস্তারিত, কার কত বাড়ছে?
- ভারত ও চীনসহ ১০ দেশকে নিশানা করে মার্কিন কংগ্রেসে নতুন বিল
- ভরদুপুরে সেলুনে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ও কোপ, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল রোমহর্ষক দৃশ্য
- মক্কার ড্রোন হামলার ভিডিও নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া, যা জানা গেল ফ্যাক্ট চেকে
- ২০৩১ সালের মধ্যে চালু হচ্ছে নতুন ইলেকট্রিক ট্রেন, মেগা বরাদ্দ একনেকে
- সুন্দরবনে ফাইভ-স্টার ‘ট্রি-হাউস’ ও আকাশপথে বাঘ দর্শনের মেগা পরিকল্পনা
- বিরলে পুষ্টি সংবেদনশীল হর্টিকালচার নার্সারি বিষয়ে প্রশিক্ষণ
- তাপপ্রবাহের মাঝে বৃষ্টির পূর্বাভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা
- রাজধানীতে আধুনিক যোগাযোগের মহাবিপ্লব, একনেক সভায় বিপুল অর্থ বরাদ্দ
- নিম্নমুখী প্রবণতার পরেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় লাফ, বাড়ল রুপার দামও
- ১ মিনিটের বিজ্ঞাপনে তোলপাড় নেটদুনিয়া, তীব্র সমালোচনার মুখে তারকা অভিনেত্রী
- মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণে বড় মোড়, হুতি ঠেকাতে এক টেবিলে সৌদি ও ইসরায়েল?
- এলএনজি, জ্বালানি তেল ও টিসিবির পণ্য কেনায় সরকারের মেগা অনুমোদন








