জেরুজালেমে বিকট বিস্ফোরণ; ইরান থেকে ধেয়ে আসছে একের পর এক মিসাইল

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১০:১৯:৩৮
জেরুজালেমে বিকট বিস্ফোরণ; ইরান থেকে ধেয়ে আসছে একের পর এক মিসাইল
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) জেরুজালেম শহর এক বিকট বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টি শনাক্ত করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাদের সংবাদকর্মীরা এই শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক জরুরি বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা এই ‘হুমকি প্রতিহতের চেষ্টা’ করছে এবং তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।

এই সংঘাতের আঁচ শুধু ইসরায়েলেই সীমাবদ্ধ নেই, পার্শ্ববর্তী দেশ কুয়েতেও হামলার চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এক ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে কুয়েতজুড়ে দুইবার সাইরেন বেজে উঠেছে। কুয়েতের সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘শত্রুভাবাপন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা’ প্রতিহত করতে কাজ করছে। মাঝআকাশে এসব লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার কারণেই মূলত কুয়েতের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুয়েত কর্তৃপক্ষ তাদের নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার এবং সরকারি সব নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং আকাশপথে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা বিশ্বজুড়ে নতুন করে যুদ্ধের আতঙ্ক তৈরি করেছে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা এখন চরম ঝুঁকির মুখে।

তথ্যসূত্র : আলজাজিরা


হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে ভারতসহ চার দেশকে বিশেষ ছাড় ইরানের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৫ ২০:৩০:২৭
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে ভারতসহ চার দেশকে বিশেষ ছাড় ইরানের
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারের জাহাজগুলোকে চলাচল নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির সহ-সভাপতি আমির হায়াত মোকাদ্দাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে এই চার দেশের বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ওই জলপথ দিয়ে তুলনামূলক স্বাধীনভাবে চলাচল করছে এবং যুক্তরাষ্ট্রও এসব জাহাজে কোনো বাধা সৃষ্টি করছে না। তবে এই বিশেষ ছাড় পাওয়ার অর্থ সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে প্রণালি ব্যবহারের সুযোগ নয়। ভারতীয়সহ নির্দিষ্ট দেশগুলোর জাহাজগুলোকে ট্রানজিট ফি বা নির্ধারিত যাতায়াত মাশুল পরিশোধ করতে হতে পারে। মূলত জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আর্থিক মাশুল মওকুফের জন্য নয়।

বিভিন্ন দেশের জন্য এই ছাড় দেওয়ার পেছনে ইরানের রয়েছে সুনির্দিষ্ট কৌশলগত ও ভূরাজনীতিগত কারণ। চীনের ক্ষেত্রে তেহরানের প্রধান লক্ষ্য বেইজিংয়ের রাজনৈতিক সমর্থন ধরে রাখা এবং কৌশলগত সম্পর্ক দৃঢ় করা। কারণ চীন ইরানের তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার। অন্যদিকে, ভারত থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী আমদানির ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে ভারতীয় জাহাজগুলোর চলাচলে এই ছাড় দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি কাতার ও ইরাকের ক্ষেত্রেও রয়েছে বিশেষ বিবেচনা। কাতার বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের নৌপথ সচল রাখতে দেশটির বড় ভূমিকা রয়েছে। অন্যদিকে, ইরাকের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে ইরান নিজেদের আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে মনে করে।

উল্লেখ্য, পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্তকারী হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর এই জলপথে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়। তেহরান কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করার পাশাপাশি ওয়াশিংটনও ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ জারি করে। এই সংঘাতে এ পর্যন্ত বিভিন্ন জাহাজে হামলায় অন্তত ১৫ জন ভারতীয় নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন। সর্বশেষ গত সোমবার ওমানের লিমার কাছে ‘এমএসভি আল জুসুফি’ নামক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় আরও এক ভারতীয় নাবিক নিহত হন। বাণিজ্যিক জাহাজে এ ধরনের হামলার ঘটনায় ভারত গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের তাগিদ দিয়ে আসছে।

সূত্র: এনডিটিভি


মার্কিন রাজনীতিতে নতুন সংকটের আভাস ও ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৫ ২০:১১:২৪
মার্কিন রাজনীতিতে নতুন সংকটের আভাস ও ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর ডোনাল্ড ট্রাম্প তৃতীয়বারের মতো অভিশংসিত হতে পারেন—এমন আশঙ্কার মুখে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাকে অভিশংসনের কোনো চেষ্টা করা হলে উল্টো ডেমোক্র্যাট পার্টিই ধ্বংস হয়ে যাবে। দেশ এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সফল দাবি করে ট্রাম্প এই অভিশংসন উদ্যোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

সাম্প্রতিক নির্বাচনে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারালেও ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান বেশ শক্ত হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ২১৮টি আসনের বিপরীতে তারা ২৪০টি আসন নিশ্চিত করেছে এবং সিনেটে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৫৪টিতে উন্নীত করেছে। এই জয়ের সুবাদে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্তের সুযোগ পেলেও অভিশংসনের প্রশ্নে দলটি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস সম্ভাবনা নাকচ না করলেও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে দায়িত্ব থেকে সরানোর বিষয়ে দলের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিচালনা ও অন্যান্য ইস্যুতে সমালোচনার মুখে থাকা হেগসেথের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিসকে আনার কথা ভাবছেন ট্রাম্প। এদিকে নির্বাচনে হারের পেছনে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে বলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করলেও ট্রাম্প সেই যুদ্ধকে সফল বলে দাবি করেছেন।

উল্লেখ্য, এর আগে নিজের প্রথম মেয়াদে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ইউক্রেন ইস্যু এবং ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিনেটে নির্দোষ ঘোষিত হওয়ার মতো ঘটনার মধ্য দিয়ে দুবার অভিশংসিত হয়েছিলেন ট্রাম্প।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ


ইউক্রেন যুদ্ধের প্রযুক্তি এবার ইরানের হাতে তুলে দিচ্ছে রাশিয়া

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৫ ১৮:৩২:২৭
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রযুক্তি এবার ইরানের হাতে তুলে দিচ্ছে রাশিয়া
ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হওয়ার তথ্য সামনে এসেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ‘এপিইউ-এল’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা বিক্রির চুক্তিতে সম্মতি দিয়েছে রাশিয়া। হেলিকপ্টার থেকে পরিচালিত এসব লঞ্চার নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম, যা বর্তমানে রুশ বাহিনী ইউক্রেন যুদ্ধেও ব্যবহার করছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা খাতের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের উৎপাদন নথিতে অস্ত্র রপ্তানির এই তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে ক্রেতার নাম গোপন রাখতে ‘কে-১০’ সাংকেতিক পরিচয় ব্যবহার করা হলেও রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নথিতে এটি ইরানকে নির্দেশ করে। রাশিয়ার এমআই-২৮ আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে স্থাপনযোগ্য এই প্রতিটি লঞ্চার দুটি করে ‘এলএমইউআর’ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে, যার গতিপথ উড্ডয়নকালেও পরিবর্তন করা সম্ভব। তবে অস্ত্রগুলো ইতোমধ্যে তেহরানের হাতে পৌঁছেছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছু জানানো হয়নি।

এছাড়াও, ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের তথ্যানুযায়ী, ‘সি৪৩০এল’ নামক একটি গোপন প্রকল্পের মাধ্যমে ইরানের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নেও রুশ প্রকৌশলীরা কারিগরি সহায়তা দিয়েছেন। এর আগে রাশিয়া ইরান থেকে শাহেদ ড্রোন সংগ্রহ করলেও বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি জড়ানোর ঝুঁকি এড়াতে ক্রেমলিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য শক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রেখেই এগোচ্ছে। ফলে এই সামরিক লেনদেন দুই দেশের সম্পর্ক গভীর করলেও আঞ্চলিক সংঘাতে কতটুকু প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

/আশিক


পবিত্র মদিনার দিকে ছোড়া হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করল সৌদি জোট

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৫ ১৮:১৭:১৪
পবিত্র মদিনার দিকে ছোড়া হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করল সৌদি জোট
ছবি : সংগৃহীত

ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের নিক্ষিপ্ত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ধ্বংস করার দাবি জানিয়েছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। পবিত্র মদিনার দিকে তাক করে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে জোট কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেন সৌদি জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকি। তিনি জানান, মদিনা অঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসা হুথিদের ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি সময়মতো প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে।

এদিকে এই ঘটনার আগে সৌদি আরবের মদিনা প্রদেশের লোহিত সাগর উপকূলবর্তী ইয়ানবু গভর্নরেট এলাকায় দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে স্বল্প সময়ের জন্য একটি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।

সূত্র: মিডল-ইস্ট আই


মার্কিন রাজনীতিতে ইতিহাস গড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নতুন সিনেটর

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৫ ১৮:০৫:১৩
মার্কিন রাজনীতিতে ইতিহাস গড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নতুন সিনেটর
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে জয়লাভ করে দেশটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন আবদুল এল-সাইয়েদ। বুধবার (৪ নভেম্বর) রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে এই ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেন মিশরীয় অভিবাসী পরিবারের এই সন্তান। এই বিজয়ের পর তার ব্যক্তিগত জীবন ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্ত্রী ডা. সারা জুকাকুকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

চলতি বছরের আগস্টে প্রকাশিত ‘মিট দ্য রিয়েল আবদুল এল-সাইয়েদ’ পডকাস্টে তাদের দাম্পত্য জীবনের মজার একটি স্মৃতি শেয়ার করেছিলেন এল-সাইয়েদ। তিনি জানান, ২০০৬ সালে সারার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর মিশর থেকে আসা তার এক চাচা রসিকতা করে বলেছিলেন, আট কোটি মিশরীয় বাদ দিয়ে তিনি কেন ভারতীয় নারীকে বিয়ে করলেন? জবাবে এল-সাইয়েদ মজা করে বলেছিলেন, ভারতীয়দের সংখ্যা যেহেতু শ কোটির বেশি, তাই পরিসংখ্যানের হিসাবে এমন কাউকে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনাই তার বেশি ছিল। দুই দশকের এই সম্পর্কে তিনি নিজেকে অনেকখানি ভারতীয় বলেও রসিকতা করেছেন।

ডা. সারা জুকাকুর পরিবারের পৈত্রিক শিকড় ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের উপকূলীয় শহর ভাটকালে। তার দাদা জুকাকু শামসুদ্দিন তৎকালীন মহীশূর রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিডি জাট্টির অধীনে অর্থবিষয়ক উপমন্ত্রী এবং ভাটকালের প্রথম আইনজীবী ছিলেন। সারার বাবা ডা. তাইয়েব জুকাকু বেঙ্গালুরু থেকে চিকিৎসাশাস্ত্র শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে থিতু হন। ব্যক্তিগত জীবনে এল-সাইয়েদ ও সারা দম্পতির এমালি ও সেরিন নামের দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। এক নির্বাচনী প্রচারে স্বামীকে নিয়ে রসিকতা করে সারা মন্তব্য করেছিলেন যে, তাকে কেউ কোনো আদেশ দিতে পারে না, কেবল তিনি ছাড়া।

সূত্র: এনডিটিভি


মার্কিন রাজনীতিতে বড় ধাক্কার মুখে ডোনাল্ড ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৫ ১৭:২৪:৫৫
মার্কিন রাজনীতিতে বড় ধাক্কার মুখে ডোনাল্ড ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব অনেকটাই সংকুচিত হয়ে পড়েছে। বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের পাশাপাশি সিনেটেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তাকে ঘিরে নতুন করে অভিশংসন ও নানা তদন্তের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন রাজনীতিতে এই পরিস্থিতিকে ট্রাম্পের ক্ষমতার শেষের শুরু বা ‘লেম ডাক’ পর্যায় হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক ব্যবস্থা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ বা অসদাচরণের অভিযোগ আনার প্রক্রিয়া হলো অভিশংসন। প্রতিনিধি পরিষদে অভিযোগ পাস হওয়ার পর উচ্চকক্ষ সিনেটে তার বিচার হয়। ডেমোক্র্যাটরা চাইলে তৃতীয়বারের মতো ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব আনতে পারেন, যা নিয়ে খোদ ট্রাম্পের মধ্যেও আশঙ্কা রয়েছে। এর আগে নিজের প্রথম মেয়াদে ইউক্রেন ইস্যু এবং ক্যাপিটল ভবনে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ডেমোক্র্যাটদের উদ্যোগে দুইবার প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে সে সময় সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তিনি রক্ষা পান।

বর্তমানে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ট্রাম্পকে সিনেটে দোষী সাব্যস্ত করা অত্যন্ত দুরূহ। মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, সিনেটে কোনো অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে পদ থেকে সরাতে উপস্থিত সিনেটরদের দুই-তৃতীয়াংশ বা ৬৭ জনের সমর্থন প্রয়োজন হয়। সাম্প্রতিক নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা সিনেটে পর্যাপ্ত আসন পেলেও তা ৬৭-এর কোটা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। তাছাড়া রিপাবলিকান সিনেটরদের ভোট পাওয়ার সম্ভাবনাও অত্যন্ত কম। ফলে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস হলেও সিনেটের বাধায় ট্রাম্পের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা বাস্তবে খুবই কম। মার্কিন ইতিহাসে এ পর্যন্ত অ্যান্ড্রু জনসন ও বিল ক্লিনটন অভিশংসিত হলেও কোনো প্রেসিডেন্টকে এই প্রক্রিয়ায় ক্ষমতাচ্যুত করা সম্ভব হয়নি।

/আশিক


বড় ধরনের দুর্যোগের মুখে সৌদির বেশ কিছু অঞ্চল

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ২০:৪১:৪১
বড় ধরনের দুর্যোগের মুখে সৌদির বেশ কিছু অঞ্চল
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী শনিবার পর্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দেশটির ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজি (এনসিএম) জানিয়েছে, এই সময়ে ভারি বজ্রসহ বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও শিলাবৃষ্টি আঘাত হানতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, জাজান, আসির, আল বাহা ও মক্কা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি মদিনা, তাবুক, আল জউফ, হাইল, নাজরানসহ রিয়াদের বিভিন্ন অংশেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে মক্কা, তায়েফ এবং এর আশেপাশের গভর্নরেটগুলোতে শনিবারেও ভারী বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া জেদ্দা ও রাবিঘের মতো উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

প্রতিকূল এই আবহাওয়ায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে এনসিএম। এর ফলে তীব্র ধূলিঝড়, সড়কে দৃশ্যমানতা হ্রাস, উপকূলীয় অঞ্চলে বড় ঢেউ এবং কিছু এলাকায় টর্নেডো বা জলস্তম্ভ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য এই দুর্যোগ এড়াতে স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে এনসিএমের ওয়েবসাইট ও অ্যাপ নিয়মিত ফলো করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্র: গালফ নিউজ।


ট্রাম্পকে ডাস্টবিনে ফেলার এআই ভিডিও শেয়ার করল ইরানি দূতাবাস

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ২০:১৮:৩৬
ট্রাম্পকে ডাস্টবিনে ফেলার এআই ভিডিও শেয়ার করল ইরানি দূতাবাস
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধরণের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টিকে পরাজিত করে কংগ্রেসের দুই কক্ষ—সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ—উভয়টিরই একক নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বিরোধী ডেমোক্র্যাট দল।

এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরই ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাসের পক্ষ থেকে একটি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। দূতাবাসের ভেরিফাইড সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’ (টুইটার) অ্যাকাউন্টে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি করা একটি অ্যানিমেশন ভিডিও প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি মিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জোর করে তুলে নিয়ে একটি বড় ময়লার পাত্রের ভেতর ফেলে দিচ্ছেন। ওই ময়লার পাত্রটির গায়ে ইংরেজিতে ‘বিপজ্জনক বর্জ্য’ কথাটি লেখা ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের প্রতিক্রিয়ায় মূলত এই ভিডিওটি শেয়ার করে ইরানি দূতাবাস। ভিডিওটির সঙ্গে যুক্ত করা ক্যাপশনে কেবল ‘যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন’ কথাটি লেখা হয়েছে এবং এর সঙ্গে একটি হাসিমুখের ইমোজি ব্যবহার করা হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের এই জোরালো সাফল্যের পরই মূলত ইরানি দূতাবাসের পক্ষ থেকে এই ব্যঙ্গাত্মক পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে


মার্কিন নির্বাচনের ফল নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিক সতর্কবার্তা: ইয়াইর গোলান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ২০:০৪:০৮
মার্কিন নির্বাচনের ফল নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিক সতর্কবার্তা: ইয়াইর গোলান
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির পরাজয় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্যও একটি বড় রাজনৈতিক সতর্কবার্তা—এমন মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের বামপন্থী ডেমোক্র্যাটস দলের নেতা ইয়াইর গোলান। তাঁর দাবি, মার্কিন নির্বাচনের এই ফলাফল থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় প্রধান দলের কাছেই নেতানিয়াহুর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান অত্যন্ত অস্বস্তিকর। তাঁর মতে, নেতানিয়াহু এবং দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ক্ষমতায় বহাল থাকলে ইসরায়েল মারাত্মক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুতর সংঘাতে লিপ্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে এই কঠোর মন্তব্য করেন বিরোধীদলীয় এই নেতা। ইসরায়েলের ক্ষতিগ্রস্ত আন্তর্জাতিক অবস্থান পুনরুদ্ধারের জন্য দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক পথের কথা তুলে ধরে গোলান লেখেন, ‘হয় নেতানিয়াহুর ইসরায়েল—যা বিশ্বজুড়ে বয়কটের শিকার, পশ্চাৎপদ ও বিচ্ছিন্ন এক সুপার-স্পার্টা; অথবা একটি শক্তিশালী, প্রগতিশীল, মুক্ত ও নিরাপদ ইসরায়েল। নেতানিয়াহু রাজনৈতিকভাবে হেরে গেছেন। তিনি বর্তমান ইসরায়েলের জন্য একটি বড় বিপদ।’

তাঁর মূল্যায়ন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু সরকারের বর্তমান অতি-ডানপন্থী নীতির কারণে ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও গভীর সংকটের মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সুসম্পর্কের অবনতি দেশটির সামগ্রিক কূটনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে অত্যন্ত দুর্বল করে তুলতে পারে বলে জোরালো সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন তিনি।

ইয়াইর গোলানের ডেমোক্র্যাটস দল মূলত ইহুদি-নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরোধী জোটের অন্যতম প্রধান একটি অংশ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে এই জোট সচল থেকে আটচল্লিশটি আসন অর্জন করেছে। অন্যদিকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে তিপ্পান্নটি আসন। এ ছাড়া আরব-নেতৃত্বাধীন দুটি দল রেকর্ড উনিশটি আসন নিজেদের দখলে নিয়েছে। নির্বাচনের এই ফলাফল দেশটিতে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে নতুন এক জটিল রাজনৈতিক সমীকরণের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ছোট ও মাঝারি দলের মধ্যে জোট গঠন এবং পারস্পরিক সমর্থন আদায়ের বিষয়টি এখন ইসরায়েলি রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি সাতাশ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে। নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না পাওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। নির্বাচন প্রক্রিয়া ও ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তোলার নেতানিয়াহুর দীর্ঘ প্রচেষ্টার জন্য একে একটি বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

সরকার গঠনের পরবর্তী ধাপে দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দুই দিনব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু করবেন। এসব ধারাবাহিক আলোচনা শেষে তিনি জোট সরকার গঠনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থীকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। নতুন সরকার গঠনের এই জটিল প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নেতানিয়াহুর দীর্ঘ রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেল আবিবের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত কোন মোড় নেয়, তা নিয়ে গোটা ইসরায়েলি রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র জল্পনা-কল্পনা অব্যাহত রয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: