যুদ্ধের শঙ্কা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছেন বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে হাজার হাজার মানুষ অঞ্চলটি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন। তবে জীবিকার তাগিদে বাংলাদেশের বহু প্রবাসী শ্রমিকের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা দাঁড়িয়ে আছে। যুদ্ধের ঝুঁকি থাকলেও উপার্জনের প্রয়োজনেই তাদের অনেকেই আবারও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সম্প্রতি এমনই আবেগঘন দৃশ্য দেখা গেছে। বিদেশগামী শ্রমিকরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষ মুহূর্তের আলিঙ্গন ও কান্নাভেজা বিদায়ের মধ্য দিয়ে আবার কর্মস্থলের উদ্দেশে বিমানে উঠছেন।
২৮ বছর বয়সী মোহাম্মদ সাকিব তাদেরই একজন। তিনি সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইটে উঠছিলেন। নতুন বিয়ে করার পর পরিবারের সঙ্গে কিছুদিন কাটানোর জন্য দেশে ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হলেও কাজের প্রয়োজনে তাকে আবার ফিরে যেতে হচ্ছে।
বিদায়ের আগে তিনি বলেন, “ভয় পাওয়াটা স্বাভাবিক। আবার ফিরে যেতে হচ্ছে বলে মন খারাপ লাগছে। কী ঘটতে পারে কেউ জানে না।”
সাকিব গত চার বছর ধরে সৌদি আরবে একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করছেন। বিমানবন্দরে বিদায়ের সময় তার ছোট ভাই মোনিরুল ইসলাম তাকে জড়িয়ে ধরে আবেগঘন বিদায় জানান।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৭০ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে কর্মরত, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কাজ করেন। এর মধ্যে সৌদি আরবেই প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শ্রমিক কর্মরত।
যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও অনেক শ্রমিক এখনো স্বাভাবিকভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে অঞ্চলজুড়ে চলমান সামরিক উত্তেজনার ছায়া তাদের জীবনে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
ভ্রমণ সংস্থা রহমান ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস–এর মালিক সৈয়দ আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সংকটের কারণে মধ্যপ্রাচ্যগামী অনেক ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল। ফলে বহু শ্রমিক কয়েকদিন ধরে দেশে আটকে ছিলেন।
তার ভাষায়, “চার শতাধিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল এবং প্রতিটি ফ্লাইটে গড়ে তিনশ বা তার বেশি যাত্রী ধারণক্ষমতা ছিল। এখন ধীরে ধীরে কিছু ফ্লাইট চালু হওয়ায় প্রবাসী শ্রমিকরা আবার বিদেশে যাওয়া শুরু করেছেন।”
তিনি আরও জানান, এখনো হাজার হাজার শ্রমিক গালফ অঞ্চলে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। ফ্লাইট চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে তাদের অনেকেই দ্রুত কর্মস্থলে ফিরে যাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
ডিএমপির সাবেক শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তার দুর্নীতি মামলায় দুদকের বড় পদক্ষেপ
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ ও তাঁর ভাই এ বি এম শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর দায়েরকৃত এ মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।
দুদকের দীর্ঘ তদন্তে সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে প্রায় ২০ কোটি টাকা (১৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯৯ টাকা) এবং তাঁর ভাই শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৫৫৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অকাট্য তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে, হারুনের স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ ২১ কোটি ২৮ লাখ ৯ হাজার ৬০৫ টাকা। তবে আয়কর নথি খতিয়ে দেখে তাঁর ব্যয় বাদে নিট বৈধ সঞ্চয় পাওয়া গেছে মাত্র ১ কোটি ২৯ লাখ ১৫ হাজার ৬ টাকা। হারুনের দৃশ্যমান সম্পদের তালিকায় রয়েছে দক্ষিণখানের আশিয়ান সিটিতে ৫ কাঠার প্লট, বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৮২ একর জমি, বনানীতে ১০ দশমিক ৩৬ শতাংশ জমিসহ বহুতল ভবন, উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরে আটতলা আলিশান বাড়ি এবং পর্যটন নগরী কক্সবাজার ও টেকনাফের মূল্যবান জমি।
অন্যদিকে হারুনের ভাই এ বি এম শাহরিয়ারের মোট ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ৯৭ হাজার ১৮৫ টাকার সম্পদের বিপরীতে বিগত পাঁচটি করবর্ষের হিসাব পর্যালোচনায় পারিবারিক ব্যয় বাদে সঞ্চয়ের সক্ষমতা মিলেছে মাত্র ৪৮ লাখ ৯০ হাজার ১৩০ টাকা; যার ফলে অবশিষ্ট ১৮ কোটি ২৮ লাখ টাকার বেশি সম্পদ অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। দুদকের তদন্তে স্পষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে যে, পুলিশের শীর্ষ ক্ষমতাধর পদে থাকার সুযোগ নিয়ে হারুন ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এই বিপুল সম্পদ গড়ে তোলেন এবং অপরাধলব্ধ আয়ের উৎস গোপন ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং সম্পন্ন করেন। তাঁর ভাই শাহরিয়ার এসব অর্থ স্থানান্তর ও সম্পদ আড়াল করতে প্রত্যক্ষ সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রাখেন। এর প্রেক্ষিতে তাঁদের বিরুদ্ধে দুদক আইন, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, দণ্ডবিধির ১০৯ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আদালতে আনুষ্ঠানিক চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
কৃষিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার নিয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কৃষিকাজে ব্যবহৃত সব ধরনের ডিজেলচালিত সেচ পাম্পের পরিবর্তে কৃষকদের সৌরবিদ্যুৎচালিত পাম্প সরবরাহ করা হবে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার বিকেলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান জানান, সেচ ব্যবস্থাকে পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে ডিজেলভিত্তিক পাম্পগুলোকে পর্যায়ক্রমে সম্পূর্ণ সৌরবিদ্যুতের আওতায় নিয়ে আসার সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও আমদানিনির্ভরতা হ্রাস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র’ প্রণয়ন করেছে। এই মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই লক্ষ্যের অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট, ভূমিভিত্তিক সৌরপ্রকল্প থেকে ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এবং বায়ু, বর্জ্য ও পানিবিদ্যুৎসহ অন্যান্য অপ্রচলিত উৎস থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচশত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নবায়নযোগ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সোলার প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারির মতো অপরিহার্য যন্ত্রাংশের ওপর থেকে শুল্ক ও বিভিন্ন কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া নেট মিটারিং পদ্ধতির আওতায় ছাদভিত্তিক উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহের ক্ষেত্রে আগামী তিন বছরের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে।
ব্যাটারি প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রচলিত অ্যাসিডযুক্ত লেড ব্যাটারি পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ায় সরকার লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহারে জোর দিচ্ছে। দেশে পরিবেশবান্ধব লিথিয়াম ব্যাটারি প্রস্তুতকারী শিল্পকারখানা স্থাপনে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের নীতিগত সহায়তা প্রদান করা হবে। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষেত্রে লিথিয়াম ব্যাটারির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার নীতিগত চিন্তাভাবনাও সরকারের রয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
/আশিক
মহানগরের উড়াল সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার টেকসই সমাধানের রূপরেখা
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগ স্থাপন সম্পন্ন হলে তেজগাঁও টোল প্লাজাসহ পুরো এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের তীব্র চাপ লক্ষণীয় মাত্রায় কমে আসবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজাগুলোতে ধীরগতি ও কারিগরি জটিলতার কারণে সৃষ্ট যানজট ও জনভোগান্তি নিরসনে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন সেতুমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে তিন ধাপে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের কাওলা থেকে বনানী এবং বনানী থেকে মগবাজার হয়ে কুতুবখালী পর্যন্ত বিস্তৃত রুটের মধ্যে বর্তমানে কাওলা থেকে এফডিসি ক্রসিং পর্যন্ত অংশটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। এই চালু থাকা অংশে স্থাপিত বিমানবন্দর, কুড়িল, বনানী-১, বনানী-২, মহাখালী ও তেজগাঁও—এই পাঁচটি টোল প্লাজার মধ্যে বিমানবন্দর ও তেজগাঁওয়ে গাড়ির চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। মূলত তেজগাঁও ছাড়া বর্তমানে উত্তরমুখী হওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এই জট তৈরি হচ্ছে। তবে এক্সপ্রেসওয়ের মূল নকশা অনুযায়ী সোনারগাঁও গোলচত্বর থেকে উত্তরমুখী আরও একটি প্রবেশ র্যাম্পের নির্মাণকাজ চলছে, যা চালু হলে চাপ বিভক্ত হয়ে যাবে।
এর পাশাপাশি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ এবং নির্মাণাধীন র্যাম্পগুলো পুরোপুরি চালু হলে তেজগাঁওসহ এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে বিদ্যমান ট্রাফিক চাপ অনেকটাই নিরসন হবে।
টোল প্লাজায় দীর্ঘসূত্রতা দূর করে টোল আদায় প্রক্রিয়া দ্রুত ও আধুনিক করতে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) পদ্ধতি কার্যকর করার তথ্যও তুলে ধরেন শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, বর্তমানে চালু থাকা অংশের বিমানবন্দর প্লাজায় ৬টির মধ্যে ২টি লেন, কুড়িলে ৬টির মধ্যে ২টি লেন, বনানী-১ এ ৫টির মধ্যে ১টি লেন এবং তেজগাঁও টোল প্লাজায় ৪টির মধ্যে ২টি লেনসহ সর্বমোট ৭টি লেনে স্বয়ংক্রিয় ইটিসি ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এই ডিজিটাল টোল সিস্টেমে মোট ১ হাজার ৮৭৭টি গাড়ি সফলভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।
/আশিক
বাঁধনের ওপর হামলার জেরে ভিসায় প্রভাব পড়বে কি? যা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তার ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের আইনি ও লজিস্টিক সহযোগিতার নিশ্চয়তা দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, মিলানের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের মাধ্যমে বাঁধনের দায়ের করা মামলার কার্যক্রম সার্বক্ষণিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং তিনি যতদিন ইতালিতে অবস্থান করবেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে তাঁকে পূর্ণ নিরাপত্তা ও সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সরকারের এই দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনা ইতালি বা ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশিদের ভিসা প্রক্রিয়ায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে কি না—এমন আশঙ্কার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, প্রবাসে অবস্থানের ক্ষেত্রে স্বাগতিক দেশের প্রচলিত আইন ও সামাজিক শৃঙ্খলা মেনে চলা প্রত্যেক নাগরিকের আবশ্যিক দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী কিংবা চাকরিজীবীরা যখন যুক্তরাজ্য বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলোতে যান, তখন স্থানীয় বিধিবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাটাই স্বাভাবিক সাধারণ রীতি। ভেনিসের ঘটনাকে অত্যন্ত জঘন্য হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মিলান কনস্যুলেটের প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে বাঁধনের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেছেন এবং তাঁর করা ফৌজদারি মামলা পরিচালনা ও আইনি সুরক্ষায় রাষ্ট্রদূতসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা সর্বোচ্চ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
বিদেশের মাটিতে এমন অনভিপ্রেত ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সামগ্রিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে বলে মন্তব্য করেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা ও অরাজকতার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করে। শুধু ভেনিসের এই ঘটনাই নয়, পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তেই প্রবাসী কোনো নাগরিক হয়রানির শিকার হলে কিংবা দেশের অভ্যন্তরে এমন কোনো ন্যক্কারজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে সরকারপ্রধান অত্যন্ত কঠোর হাতে তা দমন ও নিয়ন্ত্রণ করবেন বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
/আশিক
ঐতিহাসিক দলিল ও আলোকচিত্র দেখে অশ্রুসিক্ত রাষ্ট্রপতি
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন এবং একটি সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র প্রত্যক্ষ করে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, ফ্যাসিবাদের নাগপাশ ছিন্ন করে জাতি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছে বটে, তবে এর জন্য চুকানো মূল্য ছিল অপরিসীম।
রাষ্ট্র কোনো অবস্থাতেই এই ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের বীর শহীদ ও পঙ্গুত্ববরণকারী আহতদের ত্যাগের ঋণ পরিশোধ করতে সক্ষম হবে না। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে জাদুঘর প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন তিনি। সেখানে পৌঁছালে তাঁকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর নীতি ও কৌশলবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ-উর-রহমান, সংস্কৃতি সচিব এবং জাদুঘরের মহাপরিচালকসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তারা।
সাধারণ দর্শনার্থীর মতো প্রবেশ টিকিট কেটে জাদুঘরে প্রবেশ করেন রাষ্ট্রপতি। এরপর তিনি ‘লংওয়াক টু ডেমোক্রেসি’ নামের বিশেষ পদচারণ পথ ধরে মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের বিভিন্ন ঐতিহাসিক বাঁক প্রত্যক্ষ করেন। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ের দুঃশাসনের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে নির্মিত শহীদ স্মারক এবং কুখ্যাত ‘আয়নাঘর’-এর প্রতিরূপ ঘুরে দেখেন তিনি। অভ্যুত্থানের শহীদ ও ত্যাগীদের অমর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে জাদুঘর চত্বরে একটি বৃক্ষরোপণ করেন রাষ্ট্রপ্রধান। একই সাথে তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের নারকীয় হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের নির্মম অভিযান, গুমের ঘটনা ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের নানাবিধ ঐতিহাসিক প্রমাণাদি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
প্রদর্শনীতে সংরক্ষিত শহীদদের ব্যক্তিগত চিঠি, স্মারক এবং আন্দোলন-সংগ্রামের উত্তাল মুহূর্তগুলোর চিত্র দেখার সময় তিনি গভীরভাবে ব্যথিত হন। পরবর্তীতে জাদুঘরের মনসুন থিয়েটারে জুলাই অভ্যুত্থানভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র চলাকালে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন তিনি। পরিদর্শন সমাপ্ত করে মন্তব্য বইয়ে স্বাক্ষরকালে রাষ্ট্রপতি লেখেন, এই ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে ন্যায়পরায়ণ, শোষণহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই সমকালীন প্রধান কর্তব্য। আগামী প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এই জাদুঘরের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য উল্লেখ করে তিনি দেশে আর কোনোদিন যেন এমন বর্বর হত্যাযজ্ঞ ফিরে না আসে, সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকার তাগিদ দেন।
শহীদদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ছাত্র-জনতার নিঃস্বার্থ রক্তদান বাংলাদেশের ন্যায়বিচার ও মুক্তির ইতিহাসে এক অবিনাশী অধ্যায় হয়ে থাকবে। শহীদ ও আহত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি জাতি এই বীরত্বকে আজীবন কৃতজ্ঞতায় স্মরণে রাখবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, আবরার ইলিয়াস ও মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রপতির সামনে প্রদর্শনী ও ঐতিহাসিক নথির বিশদ বিবরণ তুলে ধরেন জাদুঘরের গবেষণা দলের সদস্য জুবায়ের ইবনে কামাল ও ফারহান মাসুদ।
/আশিক
প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির ৯টি মূল কারণ জাতীয় সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বারবার বৃদ্ধির পেছনে সুনির্দিষ্ট একাধিক কাঠামোগত কারণ রয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে অবহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, প্রকল্প অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন এবং কেনাকাটা বা ক্রয় প্রক্রিয়ার ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান নানা দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই দীর্ঘস্থায়ী জটিলতার জন্ম দেয়।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা জানান। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের সময়সীমা ও আর্থিক ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি বর্তমান সরকারের নজরে আসার পরই তা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব ও বাড়তি ব্যয়ের পেছনে থাকা মূল কারণগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
চিহ্নিত সমস্যাগুলোর বিশদ বিবরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্বল সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি, শুরুতেই প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয়ের সঠিক হিসাব না থাকা, অনুপযুক্ত প্রকল্প এলাকা নির্বাচন, জমি অধিগ্রহণে দীর্ঘসূত্রতা এবং সেবা সংযোগ বা ইউটিলিটি স্থানান্তরে বিলম্ব প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।
এছাড়া সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত সময় নেওয়া, যথাসময়ে প্রকল্প পরিচালক বা পিডি নিয়োগ না দেওয়া, তদারকি ও নজরদারির ঘাটতি এবং অর্থায়ন পরিকল্পনা ও বাজেটের মধ্যে সামঞ্জস্যের অভাবকেও প্রধান নিয়ামক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জটিল এই সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ইতোমধ্যেই বেশ কিছু আধুনিক ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
/আশিক
ব্যাংক খাতের সাবেক শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধান
নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের আর্থিক খাতের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রকে পরিণত হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ মেয়াদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গভীর যোগাযোগ ও শীর্ষ পর্যায়ে প্রভাব খাটিয়ে তিনি বছরের পর বছর ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) শীর্ষ পদটি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখেন।
এই প্রভাবকে ব্যবহার করে তিনি দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এক ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছিলেন। সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও তহবিলের নামে অন্যান্য ব্যাংকের ওপর চাঁদা আদায়ের চাপ তৈরির অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে, যার কারণে সংশ্লিষ্ট মহলে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন এক মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে। এই অঘোষিত ক্ষমতার জোরেই তিনি দেশের ২৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংক থেকে ঋণের জালে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেন, যার সিংহভাগ দেশে উৎপাদনশীল খাতে না রেখে অত্যন্ত চাতুর্যের সঙ্গে পাচার করে গড়ে তুলেছেন আন্তর্জাতিক সম্পদের সাম্রাজ্য।
অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের এই বিপুল বিস্তার খতিয়ে দেখতে গিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যুক্তরাজ্য, হংকং এবং ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত স্বায়ত্তশাসিত আইল অব ম্যান ও জার্সি দ্বীপপুঞ্জে নজরুলের বিপুল আর্থিক সাম্রাজ্যের সুনির্দিষ্ট সন্ধান পেয়েছে। তদন্তকারী সংস্থাটির অনুসন্ধান অনুযায়ী, আমদানি-রপ্তানির ভুয়া লেনদেন, ওভার-ইনভয়েসিং ও আন্ডার-ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বাণিজ্যের আড়ালে এবং বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ভুয়া হিসাবের মাধ্যমে এই অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়।
টাকা সরানোর এই অবিশ্বাস্য কৌশলের কারণে তদন্ত সংশ্লিষ্টদের চোখে তিনি ছিলেন এক 'ম্যাজিক মাস্টার'। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জার্সি দ্বীপের বিখ্যাত ইউবিএস ব্যাংকে নজরুল ইসলাম মজুমদার ও তাঁর স্ত্রী নাসরিন ইসলামের প্রকৃত মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান 'ওয়ান ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড'-এর হিসাবে থাকা প্রায় ৫৩ লাখ পাউন্ড (৫ দশমিক ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড) আদালতের নির্দেশে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। অর্থ যাতে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া না যায়, সে লক্ষ্যে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির এই অ্যাকাউন্ট ও সংশ্লিষ্ট সম্পদ জব্দের আনুষ্ঠানিক আদেশ দেন।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ২০১৯ সালের মে মাসে আইল অব ম্যানের ঠিকানায় 'ওয়ান ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড' প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং একই বছরের অক্টোবরে জার্সির ইউবিএস ব্যাংকে হিসাব খুলে পাচার করা বিপুল অর্থ জমা রাখা শুরু হয়। ব্যাংকঋণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে এই অর্থ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছিল। অন্যদিকে দেশের ব্যাংকগুলোতে নজরুলের প্রতারণার জাল ছিল সমান বিস্তৃত। নাসা গ্রুপের বিভিন্ন পোশাক কারখানা ও সুতা তৈরির প্রতিষ্ঠানের নামে এক ব্যাংকের ঋণ দিয়ে আরেক ব্যাংকের দায় শোধ এবং বিশেষ বিবেচনায় নিয়মবহির্ভূত ঋণ অনুমোদন ও পুনঃতফসিলের কৌশল চালিয়ে গেছেন তিনি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনেও এসব অনিয়মের সত্যতা মেলে, যার মধ্যে শুধু একটি ব্যাংক থেকেই নাসা গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ২ হাজার ১০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়ার প্রমাণ রয়েছে, যার প্রায় ৯৯৮ কোটি টাকাই দেওয়া হয়েছিল অনৈতিক বিশেষ সুবিধায়। দেশীয় ব্যাংকগুলোকে ফাঁকা করে বিদেশে একাধিক কাগুজে কোম্পানি খুলে ব্যবসা পরিচালনা, রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ এবং সম্পদ অর্জনের এই পুরো নেটওয়ার্ক এখন দুদকের আইনি জালে আটকা পড়তে শুরু করেছে।
/আশিক
প্রত্যর্পণে দেশে ফেরা মাত্রই শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হবে: শামা ওবায়েদ
বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের সঙ্গে সার্বক্ষণিক কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি স্পষ্ট করেছেন, ভারত থেকে প্রত্যর্পণের মাধ্যমে ফেরত পাঠানো মাত্রই বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের আওতায় তাঁকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হবে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা আইনশৃঙ্খলা পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ দলটির বহু নেতাকর্মী, যাঁদের অনেকেই ইতোমধ্যে দেশের আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত ও সাজাপ্রাপ্ত, বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। চুক্তির আইনি বাধ্যবাধকতা অনুসরণ করে তাঁদের ফিরিয়ে আনতে ভারত সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে এবং নয়াদিল্লির পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে এটি একটি সম্পূর্ণ আইনগত প্রক্রিয়া, যা তাদের বিচার বিভাগীয় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্যকে গুরুত্বহীন আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি বিদেশে বসে কী বলছেন তা সরকারের কাছে কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ামাত্রই তাঁকে সরাসরি গ্রেফতার করে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় কারাবন্দি করা হবে, যা স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় থেকেও ইতোমধ্যে স্পষ্ট করা হয়েছে।
এদিকে ‘মক্কা প্যাক্ট’ নামের বহুপাক্ষিক নিরাপত্তা জোটে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়ে সরকার এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে নিশ্চিত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি ব্যাখ্যা করেন, এটি মূলত একটি নিরাপত্তাকেন্দ্রিক বহুপাক্ষিক ফোরাম। বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। ফলে যেকোনো নতুন বৈশ্বিক বা আঞ্চলিক জোটে যুক্ত হওয়ার পূর্বে তা দেশের জনগণের স্বার্থরক্ষা এবং জাতীয় কল্যাণে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখবে, তা সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করা হবে। এই মূল্যায়ন সম্পন্ন করার উপযুক্ত সময় এলে সরকার ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথাসময়ে আনুষ্ঠানিক অবস্থান তুলে ধরবে।
পাশাপাশি মানবপাচার রোধে নেওয়া সরকারের প্রশাসনিক তৎপরতা তুলে ধরে শামা ওবায়েদ ইসলাম জানান, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি স্বতন্ত্র ‘মাইগ্রেশন উইং’ চালু করা হয়েছে। বিদেশগামী কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা এবং অভিবাসন খাতের নানামুখী সংকট নিরসনে এই শাখা নিবিড়ভাবে কাজ করবে। অতি সম্প্রতি মানবপাচারের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা মাদারীপুরসহ দেশের ১৪টি জেলাকে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাচারকারী ও মানবপাচার চক্রের নেটওয়ার্ক কেবল দেশে নয় বরং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বিস্তৃত উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে বিদেশে অবস্থানরত অপরাধীদের বিরুদ্ধেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
/আশিক
র্যাব অতীত, নতুন স্বচ্ছতায় আসছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে তার পরিবর্তে নতুন বাহিনী হিসেবে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ প্রণয়নের উদ্যোগে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। প্রয়োজনীয় সংশোধনী যুক্ত করে বিলটি দ্রুততম সময়ে সংসদে উত্থাপনের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠকে এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, প্রস্তাবিত ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’-এর প্রতিটি ধারা ও উপধারা নিয়ে বৈঠকে চুলচেরা বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করা হয়। বিস্তারিত আলোচনার পর প্রয়োজনীয় পরিমার্জন সাপেক্ষে খসড়া বিলটি জাতীয় সংসদে তোলার বিষয়ে কমিটির সদস্যরা সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেন। বৈঠকে অতীতের বিভিন্ন বাস্তবতার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে উল্লেখ করা হয়, অতীতে র্যাবসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিস্বার্থে ব্যাপকভাবে অপব্যবহারের শিকার হতে হয়েছে।
তবে কমিটির সদস্যরা অভিমত প্রকাশ করেন, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত অপব্যবহারের কারণে কোনো কাঠামোগত বাহিনীকে পুরোপুরি অবলুপ্ত করে দেওয়া সঠিক বা স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। এর পরিবর্তে বাহিনীর বিদ্যমান অবকাঠামো, আধুনিক সাজসরঞ্জাম এবং দক্ষ জনবলের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্বার্থে কাজে লাগানোই অধিকতর যুক্তিযুক্ত। একই সঙ্গে নতুন করে গঠিত বা পুনর্গঠিত এই বিশেষ বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে কঠোর পেশাদারিত্ব বজায় রাখা এবং বাহিনীর সামগ্রিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও আইনি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বিরোধী দলের ডাকা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে লংমার্চ কর্মসূচি চলাকালে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও পেশাদারিত্ব প্রদর্শনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করা হয় বৈঠকে। দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে কর্মসূচি নির্বিঘ্ন রাখায় সংশ্লিষ্ট সদস্যদের আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ জানায় সংসদীয় কমিটি। দেশে একটি গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক আবহ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন ইতিবাচক ভূমিকার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানানো হয়।
জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত উক্ত বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান, মো. মনোয়ার হোসেন, শিরীন সুলতানা, মো. নূরুল ইসলাম এবং মো. আব্দুল বাতেন। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সেবা সংস্থাগুলোর প্রধান এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- তিন অভিষিক্ত নিয়েও কাজ হলো না, ইংল্যান্ডের পেস তোপে বিধ্বস্ত পাকিস্তান
- ডিএমপির সাবেক শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তার দুর্নীতি মামলায় দুদকের বড় পদক্ষেপ
- মনে হচ্ছে আওয়ামী লীগের আমলে ফিরে গেছি: সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ রুমিন ফারহানার
- গ্যাস-বিদ্যুৎ বাদ দিয়ে সরকার আশির দশকে ফিরতে চাইছে: নাহিদ ইসলাম
- পর্যটকদের জন্য বিশাল সুখবর: শিগগিরই আসছে মধ্যপ্রাচ্যের একীভূত ভিসা
- জামায়াতকে ছাড়া একাই লড়বে এনসিপি: ঢাকা উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন
- কৃষিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার নিয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা
- কালীগঞ্জে কুশুলিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. শফিকুল ইসলাম বাবুর গণসংযোগ
- কৃষিমন্ত্রীর মায়ের জানাজা বুধবার বেলা দুইটায় বিজয়পুর উচ্চবিদ্যালয় মাঠে
- এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ কাল, জানা যাবে ৩টি উপায়ে
- ওষুধ বা সিরাম নয়, খাদ্যাভ্যাসে এই পাঁচ খাবারেই মিটবে চুল পড়ার সমস্যা
- মহানগরের উড়াল সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার টেকসই সমাধানের রূপরেখা
- আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের পর নতুন নেতা বেছে নিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
- জাতীয় সংসদে গ্যাস সংকট নিরসনে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা উপস্থাপন
- ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ: কারাগারে এনসিপি নেত্রী সাদিয়া
- বাঁধনের ওপর হামলার জেরে ভিসায় প্রভাব পড়বে কি? যা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- রাজধানীতে টানা ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না কাল: কোন কোন এলাকা বন্ধ?
- ঐতিহাসিক দলিল ও আলোকচিত্র দেখে অশ্রুসিক্ত রাষ্ট্রপতি
- প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির ৯টি মূল কারণ জাতীয় সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- ব্যাংক খাতের সাবেক শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধান
- আন্তর্জাতিক চাপে পশ্চিম তীর নিয়ে ইসরায়েলি নেতৃত্বের বড় সিদ্ধান্ত
- রোনালদোকে ছাড়া ব্যালন ডি’অরের ৩০ জনের তালিকা ঘোষণা
- প্রত্যর্পণে দেশে ফেরা মাত্রই শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হবে: শামা ওবায়েদ
- রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠকের বিষয়ে যা জানাল নয়াদিল্লি
- র্যাব অতীত, নতুন স্বচ্ছতায় আসছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি
- ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজে বড় ছাড়: প্যাকেজ-১ ও ২-এ যত টাকা সাশ্রয় হচ্ছে
- বল হাতে আলো ছড়িয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি তারকার নতুন মাইলফলক
- নিজের জীবনের অজানা অধ্যায় প্রকাশ্যে আনলেন ব্ল্যাকপিংকের তারকা
- ব্যালন দ’রের সেরা গোলরক্ষকের সংক্ষিপ্ত তালিকায় বিশ্বকাপের নায়ক ভজিনিয়া ও সিমন
- ব্যালন দ’রের সেরা গোলরক্ষকের সংক্ষিপ্ত তালিকায় বিশ্বকাপের নায়ক ভজিনিয়া ও সিমন
- হয়রানি করে কোনো কর আদায় নয়, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের নিশ্চয়তা অর্থমন্ত্রীর
- বিশ্ববাজারে আবারও কমল স্বর্ণের দাম
- শরতের শুরুতেই কুয়াশার চাদরে উত্তরাঞ্চল: নামছে আগাম শীত, বাড়ছে নিউমোনিয়া
- সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে মধ্যরাতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
- ৭ অক্টোবরের হামলা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য: ইসরায়েলে রাজনৈতিক তোলপাড়
- ভেনিসে বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় তৎপর দূতাবাস, সংসদে জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- অন্তর্বর্তী আমলের চেয়েও খারাপ দিকে যাচ্ছে দেশ, রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি: চরমোনাই পীর
- শেখ হাসিনার আসতে হবে না, আমরা ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান
- শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দর থেকে ফাঁসির মঞ্চে নিতে শহীদ পরিবারই যথেষ্ট: সারজিস আলম
- অটোরিকশার ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বার্তা
- সাইকেলে ছয় দেশ পাড়ি দিয়ে হজ পালনের উদ্দেশ্যে নরসিংদীর সজিবের যাত্রা
- ক্যালেন্ডারের সংখ্যা নাকি মনের অনুভূতি: বার্ধক্যের আসল পরিচয় আসলে কী?
- ঢাকার দুই সিটির লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ: মাঠে নামছে তরুণ নেতৃত্ব
- ১২ মাসের গড় হিসাবে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিম্নমুখী
- জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রা ও ভবিষ্যৎ এআই: মানব মূল্যবোধ রক্ষা কতটা কঠিন?
- অল্প পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট ও ক্লান্তির পেছনে যেসব অজানা কারণ
- এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটের সূচি প্রকাশ, পদক জয়ের অভিযানে বাংলাদেশ
- যুদ্ধ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, আর বিল দিচ্ছে পুরো বিশ্ব: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- যানজট কমাতে রাজধানীতে ফের কার্যকর হচ্ছে বিকল্প নৌপরিবহন
- সংসদে ডা. শফিকুর রহমানের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের দোয়া
- টানা পতনের পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন
- ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ে দেশ গড়ে উঠবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- হতাশাজনক হারে এশিয়ান কাপ বাছাই থেকে বিদায় নিশ্চিত বাংলাদেশের
- অস্ত্রের মজুদ ফাঁকা হওয়ার খবর ‘শতভাগ ভুল’: ট্রাম্পের হুঙ্কার
- লন্ডনের ইলফোর্ডে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
- দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত শীর্ষ নেতা
- ‘জি এম তো নাই’: স্পিকারের রসিকতায় সংসদে হাসির রোল
- তিন দফা পতনের পর স্বর্ণের দামে বড় লাফ
- জামানত ছাড়া সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার আর্থিক প্যাকেজ চালু
- লিপজিগে ড্রোন হামলা: রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘হাইব্রিড যুদ্ধের’ অভিযোগ জার্মানির
- শেখ হাসিনার বক্তব্য ইস্যুতে ‘নো কমেন্ট’, তারেক রহমানের সফর নিয়ে যা বলল ভারত
- মধ্যপ্রাচ্যে সেনা নিরাপত্তা জোরদারে পেন্টাগনের নতুন পদক্ষেপ
- সাত মাসে নিখোঁজ ১৫ হাজার শিশু: পুলিশ সদরদপ্তর
- মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে তেল আবিবের বড় লক্ষ্য প্রকাশ
- লঘুচাপের প্রভাব: দেশজুড়ে আবহাওয়ার নতুন বার্তা








