ফরচুন সুজ লিমিটেডের নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

ফরচুন সুজ লিমিটেড চলতি অর্থবছরের আর্থিক সংকট ও ব্যয়বৃদ্ধির প্রভাব সত্ত্বেও সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ০ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির লভ্যাংশ শুধুমাত্র সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য প্রযোজ্য হবে, স্পনসর ও পরিচালকদের জন্য নয়। কোম্পানির স্পনসর ও পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৫ কোটি ২৭ লাখ ৮২ হাজার ১৩৮টি শেয়ার, আর সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের হাতে রয়েছে ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৮০ হাজার ১২৫টি শেয়ার। ঘোষিত নগদ লভ্যাংশের আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৮ লাখ ৯৪ হাজার ৬ টাকা ২৫ পয়সা।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সকাল ১০টায় হাইব্রিড পদ্ধতিতে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। লভ্যাংশ সম্পর্কিত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫।
আর্থিক বিবরণীতে দেখা যায়, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে FORTUNE-এর প্রতি শেয়ার আয় (EPS) কমে দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ১১ টাকা, যা আগের অর্থবছরের ০ দশমিক ৫০ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (NAV) বেড়ে হয়েছে ১৪ দশমিক ৭০ টাকা, যা গত অর্থবছরে ছিল ১৩ দশমিক ৫৮ টাকা। তবে শেয়ারপ্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহ (NOCFPS) নেগেটিভ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাইনাস ০ দশমিক ৪২ টাকা, যা আগের বছরের মাইনাস ০ দশমিক ৩৬ টাকার তুলনায় কম অনুকূল।
কোম্পানি জানিয়েছে, ইপিএসের এই নিম্নমুখী প্রবণতা এসেছে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বিদেশি অর্ডারের কিছু ক্ষতি, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি, গ্রাহক দাবির কারণে ক্ষয়ক্ষতি, অন্যান্য আয়খাতের মুনাফা হ্রাস এবং সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আর্থিক খরচ বেড়ে যাওয়ার ফলে। এসব চাপে সামগ্রিক মুনাফাযোগ্যতা কমে এসেছে, যদিও সম্পদমূল্য কিছুটা উন্নত হয়েছে।
-রাফসান
ডিএসইর সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বাজার বিশ্লেষণ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৮ জানুয়ারি ২০২৬ সমাপ্ত সপ্তাহে সূচক, লেনদেন ও ভলিউম—সব সূচকেই স্পষ্ট ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। সপ্তাহজুড়ে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ায় বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় একটি শক্তিশালী পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সপ্তাহ শেষে ডিএসইএক্স সূচক দাঁড়িয়েছে ৪,৯৯৮.৫৫ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৮৭.৯৪ পয়েন্ট বা ১.৭৯ শতাংশ বেশি। বছরের শুরু থেকে (YTD) এই সূচকের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২.৭৪ শতাংশে। একই সময়ে ডিএস৩০ সূচক বেড়ে হয়েছে ১,৯১৪.৯৪ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক উন্নীত হয়েছে ১,০১০.৮০ পয়েন্টে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে ডিএসই এসএমই সূচকে, যা এক সপ্তাহে ৯.২১ শতাংশ বেড়ে ৯৫৭.৩৭ পয়েন্টে পৌঁছেছে। বছরের শুরু থেকে এই সূচকের প্রবৃদ্ধি প্রায় ১২ শতাংশ, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনি শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।
লেনদেনের পরিসংখ্যানেও ছিল শক্তিশালী অগ্রগতি। সপ্তাহজুড়ে দৈনিক গড় লেনদেন দাঁড়িয়েছে ৪,৭৪৫ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি। মোট পাঁচ কার্যদিবসে বাজারে লেনদেন হয়েছে প্রায় ২৩,৭২৭ কোটি টাকা, যেখানে আগের সপ্তাহে এই অঙ্ক ছিল ১৪,১৭২ কোটি টাকা। একইসঙ্গে মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮১০ মিলিয়ন ইউনিটে।
বাজার মূলধনও সামান্য হলেও ঊর্ধ্বমুখী ছিল। সপ্তাহ শেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮.৩২ লাখ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ০.৩৫ শতাংশ বেশি। ডলারে হিসাব করলে বাজার মূলধন প্রায় ৫৫.৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংকিং খাত লেনদেন ও ভলিউমে শীর্ষে ছিল। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেন ৯০০ কোটি টাকার বেশি, যা মোট লেনদেনের প্রায় ১৯ শতাংশ। ব্যাংকের পাশাপাশি ফার্মাসিউটিক্যালস ও কেমিক্যালস, টেক্সটাইল, ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড এবং জেনারেল ইন্স্যুরেন্স খাতেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে।
সপ্তাহের শীর্ষ লেনদেন হওয়া শেয়ারগুলোর মধ্যে ছিল ওরিয়ন ইনফিউশন, স্কয়ার ফার্মা, সিটি ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক ও ফাইন ফুডস। ব্লক মার্কেটেও বড় বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা চোখে পড়েছে, বিশেষ করে স্কয়ার ফার্মা, ফাইন ফুডস ও গ্রামীণফোনে।
মূল্য বৃদ্ধির দিক থেকে সপ্তাহের সেরা পারফর্মার ছিল টাল্লু স্পিনিং, জিকিউ বল পেন, পাবালি ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক। বিপরীতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও জেড ক্যাটাগরির একাধিক শেয়ারে বড় দরপতন দেখা গেছে, যেখানে কিছু শেয়ারের মূল্য ২০ শতাংশের বেশি কমেছে।
সপ্তাহ শেষে বাজারের সামগ্রিক প্রাইস টু আর্নিং (P/E) অনুপাত দাঁড়িয়েছে ৮.৮২, যা ঐতিহাসিক গড়ের তুলনায় এখনো তুলনামূলকভাবে কম। বিশ্লেষকদের মতে, এই মূল্যায়ন দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যদিও খাত ও কোম্পানি নির্বাচনে সতর্কতা জরুরি।
-রফিক
৮ জানুয়ারি ডিএসই মেইন বোর্ডের লেনদেন চিত্র
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মেইন বোর্ডে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের পরিসংখ্যানে উল্লেখযোগ্য সক্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে। দিনের লেনদেন শেষে প্রকাশিত তথ্যমতে, মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ৯২১টি ট্রেডের মাধ্যমে হাতবদল হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার, যার বিপরীতে মোট লেনদেন মূল্য বা টার্নওভার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪২৯ কোটি ১১ লাখ টাকা। এই চিত্র বাজারে তারল্যের উপস্থিতি নির্দেশ করলেও সামগ্রিক দিকনির্দেশনায় এখনো অনিশ্চয়তা স্পষ্ট।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এক দিনে এত সংখ্যক ট্রেড সম্পন্ন হওয়া বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। তবে একই সঙ্গে তারা উল্লেখ করছেন যে, লেনদেনের গতি থাকা সত্ত্বেও সূচকের গতিপথ ও দরপতনকারী শেয়ারের আধিক্য বাজারে আস্থার সংকট কাটেনি বলেই ধারণা করা যায়। অর্থাৎ, বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় থাকলেও সিদ্ধান্তে এখনো সতর্কতা বজায় রাখছেন।
লেনদেনের পরিমাণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মেইন বোর্ডে বিভিন্ন খাতের শেয়ারে কেনাবেচা হয়েছে, যা বাজারের বহুমুখী অংশগ্রহণের প্রতিফলন। তবে লেনদেনের এই পরিসংখ্যানকে পুরোপুরি ইতিবাচক হিসেবে দেখার আগে বাজারের সূচক, দরবৃদ্ধি ও দরপতনের অনুপাত এবং খাতভিত্তিক প্রবণতা বিবেচনায় নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
-রাফসান
ডিএসইর আজকের বাজার সারসংক্ষেপ কী বলছে
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত শেয়ারবাজারে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত নেতিবাচক প্রবণতা প্রাধান্য পেয়েছে। বাজারসারাংশ অনুযায়ী, মোট লেনদেন হওয়া ৩৯১টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ১২৬টির, বিপরীতে দর কমেছে ১৮৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮২টি শেয়ারের। এই চিত্র বাজারে বিক্রির চাপ ও বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ক্যাটাগরি ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর মধ্যে দরবৃদ্ধি পেয়েছে ৬২টি, তবে দরপতন হয়েছে ১০২টির, যা বাজারের মূলধারার শেয়ারেও চাপের ইঙ্গিত দেয়। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে তুলনামূলক ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র দেখা গেলেও এখানেও দরপতনকারী শেয়ারের সংখ্যা দরবৃদ্ধিকারীদের চেয়ে বেশি। ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে দরপতন ও অপরিবর্তিত শেয়ারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ স্পষ্ট হয়েছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। এই খাতে লেনদেন হওয়া ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে মাত্র ৫টির দর বেড়েছে, যেখানে দর কমেছে ১০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি ফান্ড। অন্যদিকে করপোরেট বন্ড ও সরকারি সিকিউরিটিজ খাতে সীমিত লেনদেনের মধ্যে সমানসংখ্যক দরবৃদ্ধি ও দরপতনের চিত্র পাওয়া গেছে, যা এই খাতগুলোর স্থিতিশীল কিন্তু কম সক্রিয় অবস্থান নির্দেশ করে।
দিনের মোট লেনদেনে অংশ নিয়েছে এক লাখ ২৭ হাজার ৯২১টি ট্রেড, যার মাধ্যমে হাতবদল হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার। লেনদেনের মোট আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪২৯ কোটি ১১ লাখ টাকায়। বিশ্লেষকদের মতে, লেনদেনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে সন্তোষজনক হলেও দরপতনকারী শেয়ারের আধিক্য বাজারে আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।
বাজার মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, ইক্যুইটি, মিউচুয়াল ফান্ড ও ঋণপত্র মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ইক্যুইটি খাতের অংশ উল্লেখযোগ্য হলেও ঋণপত্র খাতের বাজার মূলধন তুলনামূলকভাবে বেশি, যা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগের প্রতি আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।
দিনের ব্লক ট্রানজাকশনেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। খাদ্য, ব্যাংক, বীমা ও শিল্প খাতের একাধিক শেয়ারে বড় অঙ্কের ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। ফাইন ফুডস, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, গ্রামীণফোন, জিকিউ বলপেন এবং ডমিনেজ স্টিলের মতো শেয়ারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লেনদেন হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নির্বাচিত শেয়ারে আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।
-রাফসান
ডিএসইতে দরপতনে শীর্ষে আর্থিক খাতের শেয়ার
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের মধ্যভাগে শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ক্লোজ প্রাইস ও আগের দিনের ক্লোজ মূল্য বিবেচনায় প্রকাশিত শীর্ষ দরপতনকারী শেয়ারের তালিকায় দেখা গেছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও স্বল্পমূল্যের শেয়ারগুলোতেই সবচেয়ে বেশি বিক্রির চাপ পড়েছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দরপতনের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে PLFSL। কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১০ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪২ পয়সায়। দিনের লেনদেনে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দাম ছিল ৪৬ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ৪২ পয়সা, যা শক্তিশালী বিক্রির চাপের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এর পরের অবস্থানগুলোতে রয়েছে FASFIN, PREMIERLEA, FAREASTFIN এবং ILFSL। এসব কোম্পানির শেয়ারের দর ৯ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে কমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক খাতের মৌলিক দুর্বলতা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতি এই পতনের প্রধান কারণ।
তালিকার মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা FIRSTFIN ও PRIMEFIN–এর শেয়ারদর প্রায় ৯ শতাংশের বেশি কমেছে। একই সঙ্গে FAMILYTEX–এর শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা গেছে, যা টেক্সটাইল খাতেও স্বল্পমেয়াদি চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দরপতনকারী তালিকার শেষ দিকে রয়েছে BIFC এবং GSPFINANCE। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর প্রায় ৭ শতাংশের বেশি কমেছে, যা আর্থিক খাতে সামগ্রিক নেতিবাচক সেন্টিমেন্টের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
-রাফসান
আজকের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারগুলোর চিত্র
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের মধ্যভাগে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ক্লোজ প্রাইস ও আগের দিনের ক্লোজ মূল্য বিবেচনায় প্রকাশিত শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের তালিকায় খাদ্য, শিল্প এবং মিউচুয়াল ফান্ড খাতের একাধিক কোম্পানি জায়গা করে নিয়েছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এই সময়ের দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছে ফাইন ফুডস, যার শেয়ারদর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০১ টাকা ৯০ পয়সায়। আগের দিনের তুলনায় শেয়ারটির দাম বেড়েছে প্রায় ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। দিনের লেনদেনে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দাম ছিল ৪০৪ টাকা ৫০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ৩৮০ টাকা, যা সক্রিয় ক্রয়চাপের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সোনারগাঁও কোম্পানির শেয়ারদর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৩০ পয়সায়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি। একইভাবে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স (CLICL)–এর শেয়ারদরও ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ৫৯ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছেছে, যা বীমা খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তালিকার পরবর্তী অবস্থানগুলোতে রয়েছে ওয়াটার কেমিক্যাল, কুয়াসেম ইন্ডাস্ট্রিজ, জিকিউ বলপেন এবং মনো ফেব্রিকস। এসব শেয়ারের দর ৩ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে জিকিউ বলপেনের মতো উচ্চমূল্যের শেয়ারের তালিকায় উপস্থিতি বাজারে শক্তিশালী ক্রয়চাপের বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এছাড়া আইএসএন লিমিটেড–এর শেয়ারদর প্রায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৭৭ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। তালিকার শেষ দিকে থাকা দুটি মিউচুয়াল ফান্ড এক্সিম ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ও ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় ৩ শতাংশের বেশি দরবৃদ্ধি দেখিয়েছে, যা মিউচুয়াল ফান্ড খাতে স্বল্পমেয়াদি আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
-রাফসান
বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক সংকেত: মিউচুয়াল ফান্ড বিশ্লেষণ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত একাধিক মিউচুয়াল ফান্ড ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তাদের দৈনিক নিট সম্পদ মূল্য (Net Asset Value–NAV) প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত এই তথ্য বিশ্লেষণ করলে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, দেশের মিউচুয়াল ফান্ড খাত এখনো দীর্ঘদিনের বাজার মন্দা, আস্থাহীনতা এবং তারল্য সংকটের চাপ থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারেনি। অধিকাংশ ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক NAV এখনো ফেস ভ্যালু ১০ টাকার নিচে অবস্থান করছে, যা বিনিয়োগকারীদের মনস্তত্ত্ব ও বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
CAPITECGBF, GLDNJMF, NCCBLMF1, ICBAGRANI1, LRGLOBMF1, MBL1STMF, ICBSONALI1, AIBL1STIMF, GREENDELMF, TRUSTB1MF, POPULAR1MF, PHPMF, FBFIF, EBL1STMF, 1JANATAMFসহ অধিকাংশ মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক NAV ৬ থেকে ৯ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। অথচ একই ফান্ডগুলোর কস্ট প্রাইস ভিত্তিক NAV প্রায় সব ক্ষেত্রেই ফেস ভ্যালুর ওপরে অবস্থান করছে। এই ব্যবধান স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, ফান্ডগুলোর অন্তর্নিহিত সম্পদমূল্য বাজারে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না।
বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, অনেক বড় আকারের মিউচুয়াল ফান্ডেও এই দুর্বলতা বিদ্যমান। উদাহরণ হিসেবে TRUSTB1MF, POPULAR1MF, PHPMF, FBFIF এবং 1JANATAMF–এর মতো ফান্ডগুলোর মোট নিট সম্পদের পরিমাণ হাজার কোটি টাকার ঘরে থাকলেও বাজারদরের NAV তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত নিচে অবস্থান করছে। এতে বোঝা যায়, শুধুমাত্র তহবিলের আকার বড় হওয়াই বাজারে আস্থা ফেরানোর জন্য যথেষ্ট নয়; বরং বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকটই এখানে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।
অন্যদিকে, সামগ্রিক দুর্বলতার মধ্যেও কিছু ব্যতিক্রমী চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। RELIANCE1 এবং GRAMEENS2 মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক NAV তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে GRAMEENS2–এর বাজারদরের NAV ফেস ভ্যালুর ওপরে অবস্থান করছে, যা বর্তমান বাজার বাস্তবতায় একটি বিরল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই ফান্ডগুলোর পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা, সম্পদ নির্বাচন এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা তুলনামূলকভাবে ভালো হওয়ায় তারা এই চাপের মধ্যেও ইতিবাচক অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে।
পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজারদরভিত্তিক NAV এবং কস্ট প্রাইস ভিত্তিক NAV–এর মধ্যে এই বড় ব্যবধান মূলত শেয়ারবাজারের দীর্ঘস্থায়ী মন্দাভাব, বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি মনোভাব এবং ইউনিটের প্রতি চাহিদার ঘাটতির ফল। তাদের মতে, এটি মৌলিকভাবে সব ফান্ডের দুর্বলতা নির্দেশ করে না; বরং বাজারচক্র ও মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব এখানে বড় ভূমিকা রাখছে।
-রফিক
রেকর্ড ডেটের আগে ও দিনে বন্ধ যে বন্ড
বাংলাদেশ সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি একটি ট্রেজারি বন্ডে রেকর্ড ডেট উপলক্ষে সাময়িকভাবে লেনদেন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রকাশিত তথ্যমতে, ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড ১৩/০৭/২০২৭, যার ট্রেডিং কোড TB5Y0727, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্দিষ্ট দুই দিন লেনদেনের বাইরে থাকবে।
ঘোষণা অনুযায়ী, রেকর্ড ডেটের আগের দিন ১১ জানুয়ারি ২০২৬ এবং রেকর্ড ডেটের দিন ১২ জানুয়ারি ২০২৬—এই দুই দিনে উক্ত সরকারি বন্ডে কোনো ধরনের লেনদেন কার্যক্রম পরিচালিত হবে না। রেকর্ড ডেট সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বন্ডটির লেনদেন পুনরায় স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।
পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি ট্রেজারি বন্ডের ক্ষেত্রে এ ধরনের সাময়িক স্থগিতাদেশ একটি নিয়মিত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ। রেকর্ড ডেট মূলত কুপন বা সুদ প্রাপ্য বিনিয়োগকারীদের তালিকা নির্ধারণের জন্য নির্ধারিত হয়। এই সময়কালে লেনদেন বন্ধ রাখার উদ্দেশ্য হলো, বিনিয়োগকারীদের অধিকার সুরক্ষা এবং হিসাব সংক্রান্ত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
-রফিক
রেকর্ড ডেট শেষে ফের লেনদেনে ফিরছে দুই সরকারি বন্ড
রেকর্ড ডেট সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকারের দুটি ট্রেজারি বন্ডে পুনরায় লেনদেন শুরু হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রকাশিত তথ্যমতে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ১১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই বন্ডগুলোতে আবারও নিয়মিত লেনদেন চালু হবে।
পুনরায় লেনদেনে ফিরছে ০২ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড ০৯/০৭/২০২৭, যার ট্রেডিং কোড TB2Y0727। একই তারিখে বাজারে লেনদেন শুরু হবে ০৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড ১১/০১/২০২৮, যার ট্রেডিং কোড TB5Y0128।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ডে লেনদেন পুনরারম্ভ একটি নিয়মিত ও প্রত্যাশিত প্রক্রিয়া। রেকর্ড ডেট মূলত সুদ বা কুপন প্রাপ্য বিনিয়োগকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করার জন্য নির্ধারিত হয়। এই সময়কালে সাময়িকভাবে লেনদেন বন্ধ থাকলেও পরবর্তীতে বন্ডগুলো আবারও বাজারে সক্রিয় হয়ে ওঠে।
-রফিক
সমতা লেদারের বার্ষিক নিরীক্ষায় উদ্বেগের বিষয়গুলো
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সমতা লেদার (SAMATALETH)–এর সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন নিরীক্ষক। ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য প্রকাশিত অডিট রিপোর্টে Qualified Opinion, Emphasis of Matter এবং Other Matter শীর্ষক আলাদা অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।
নিরীক্ষকের দেওয়া Qualified Opinion সাধারণত নির্দেশ করে যে, আর্থিক বিবরণীর কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নিরীক্ষক পর্যাপ্ত ও উপযুক্ত প্রমাণ পাননি অথবা কিছু সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান। যদিও সামগ্রিকভাবে হিসাব বাতিল করা হয়নি, তবুও এই মতামত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনসংক্রান্ত কিছু দুর্বলতা বা অনিশ্চয়তার দিকে ইঙ্গিত দেয়।
অডিট রিপোর্টে থাকা Emphasis of Matter অনুচ্ছেদে এমন কিছু বিষয়ের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে, যেগুলো আর্থিক বিবরণীতে উল্লেখ থাকলেও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে আলাদাভাবে বিবেচনা প্রয়োজন। এসব বিষয় সাধারণত চলমান ঝুঁকি, গুরুত্বপূর্ণ হিসাব নীতি বা ভবিষ্যৎ আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
এছাড়া Other Matter অনুচ্ছেদে নিরীক্ষা প্রক্রিয়া বা রিপোর্ট বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক কিছু প্রসঙ্গ যুক্ত করা হয়েছে, যা সরাসরি অংকের সঙ্গে সম্পর্কিত না হলেও কর্পোরেট গভর্ন্যান্স ও রিপোর্টিং কাঠামোর প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক পর্যবেক্ষণসহ অডিট মতামত পাওয়া মানে সমতা লেদার–এ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন জরুরি। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য কোম্পানির ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং ভবিষ্যৎ নগদ প্রবাহ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, নিরীক্ষকের পূর্ণাঙ্গ মতামত ও বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নথিতে পাওয়া যাবে।
-রফিক
পাঠকের মতামত:
- কলকাতায় বাংলাদেশ ভিসা কেন্দ্র খোলা, আবেদন জমা পড়ছে
- ইরান সরকারকে হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- এসএসসি পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন, চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ
- পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্টে ফি নতুন নীতিমালা কার্যকর
- কোরআন ও হাদিসে জুমার নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত
- ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় ভোটে প্রভাব ফেলে না: মির্জা ফখরুল
- ডিএসইর সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বাজার বিশ্লেষণ
- পিএসএলে রেকর্ড, ১৮৫ কোটি রুপিতে বিক্রি যে দল
- খাগড়াছড়িতে রাতের অভিযানে অবৈধ গ্যাস গুদাম ধরা পড়ল
- আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ
- নবম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিন প্রস্তাব
- ঢাকার প্রেস থেকে ভোটকেন্দ্র: কীভাবে যাবে ব্যালট
- আজ টিভিতে যত খেলা: বিপিএল থেকে বুন্দেসলিগা
- আজ ঢাকায় বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান
- স্বর্ণের দামে ফের পতন, কমল রূপার দামও
- জবির ডি ইউনিটে তীব্র প্রতিযোগিতা, পরীক্ষা আজ
- দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মাউশির চিঠি, নেপথ্যে কী
- আজ নামাজের সময়সূচি ও সূর্যাস্ত
- আজকের আবহাওয়া আপডেট: কোথায় কতটা শীত
- আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
- জ্বালানি সংকটে নতুন আশার আলো! সূর্য আর পানিতেই বাজিমাত বিজ্ঞানীদের
- ফ্যাসিবাদ রুখতে গণভোট কেন জরুরি? যা বললেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ
- ডিসেম্বরের পর জানুয়ারিতেও বড় চমক! ৭ দিনেই রেমিট্যান্সের নতুন ইতিহাস
- আইসিসিকে নতুন চিঠি দিল বিসিবি, কী আছে এতে আর বিশ্বকাপের ভাগ্য কী?
- ভারতের ৩ শহরে বাংলাদেশি পর্যটক ভিসা সীমিত ঘোষণা
- এক চড়, দশ হাজার টাকা, আর চিরকালের নত মেরুদণ্ড
- শীতে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কেন বাড়ে? জানুন বাঁচার সহজ উপায়
- শীতের দাপটে সর্দি-কাশি? ৩টি জাদুকরী যোগাসনে মিলবে চিরস্থায়ী মুক্তি
- স্বাধীনতার নামে পতন, স্বপ্নের নামে ধ্বংস: গাদ্দাফি–পরবর্তী লিবিয়া কী পেল?
- বেতন নিয়ে বড় খবর! নবম পে স্কেলের সর্বনিম্ন দরের ৩ প্রস্তাব এল সামনে
- মার্কিন ভিসা বন্ড দুঃখজনক তবে অস্বাভাবিক নয়:পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
- বিশ্ববাজারে কেন কমল স্বর্ণের দাম? মার্কিন ডলারের দাপটে বিনিয়োগকারীদের দ্বিধা
- যেসব জেলায় হাড়কাঁপানো শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে এলো নতুন দুঃসংবাদ
- কেন বিদ্রোহীদের বহিষ্কার করছে বিএনপি? সালাহউদ্দিন আহমদের সোজাসাপ্টা জবাব
- ওষুধের দরে বড় চমক! এবার ২৯৫টি ওষুধের দাম বেঁধে দিল অন্তর্বর্তী সরকার
- ডলারের আধিপত্য ও তেলের নিয়ন্ত্রণ: ট্রাম্পের শুল্কের রাজনীতিতে কাঁপছে বিশ্ববাজার
- শীতে এলপিজির হাহাকার রুখতে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার
- জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তিতে আসিফ নজরুলের বড় সিদ্ধান্ত
- ভোক্তা ব্যয় কমবে কি,এলপিজি গ্যাস ভ্যাট নিয়ে পর্যালোচনা
- ৮ জানুয়ারি ডিএসই মেইন বোর্ডের লেনদেন চিত্র
- ডিএসইর আজকের বাজার সারসংক্ষেপ কী বলছে
- ডিএসইতে দরপতনে শীর্ষে আর্থিক খাতের শেয়ার
- আজকের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারগুলোর চিত্র
- আওয়ামী লীগ ছাড়লেন ৬১ ইউপি সদস্য, বিএনপিতে যোগদান
- পিএসএলে ১০ বাংলাদেশি ক্রিকেটার, আলোচনায় মোস্তাফিজ
- ভেনেজুয়েলাকে শুধু মার্কিন পণ্য কেনার নির্দেশ ট্রাম্পের
- বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক সংকেত: মিউচুয়াল ফান্ড বিশ্লেষণ
- রেকর্ড ডেটের আগে ও দিনে বন্ধ যে বন্ড
- রেকর্ড ডেট শেষে ফের লেনদেনে ফিরছে দুই সরকারি বন্ড
- সমতা লেদারের বার্ষিক নিরীক্ষায় উদ্বেগের বিষয়গুলো
- ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা কবে
- কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য লম্বা ছুটি ঘোষণা
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- নতুন বছরে স্বর্ণের বাজারে বড় পরিবর্তন, আজ থেকে সোনার দর নিম্নমুখী
- বুধবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- ৮ জানুয়ারি ডিএসই মেইন বোর্ডের লেনদেন চিত্র
- ৪ জানুয়ারি শেয়ারবাজারে আজ শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী তালিকা
- পেটের আলসার: কারণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
- কাত্তালী টেক্সটাইলের শেয়ারে নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর
- ০৫ জানুয়ারি আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
- অবশেষে অবসান হলো অপেক্ষার: বিশেষ আহ্বান নিয়ে হাজির ড. ইউনূস
- গয়না কেনার আগে দেখে নিন আজ কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দেশে
- এক নজরে ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের সর্বশেষ NAV
- আবহাওয়া অফিসের বড় দুঃসংবাদ, ধেয়ে আসছে হাড়কাঁপানো তীব্র শীত
- নাগরিকত্ব পেতে চান? জানুন কোন কোন দেশে খুব সহজে নাগরিকত্ব পাওয়া যায়








