এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বার পরিবর্তন স্বর্ণের দামে নতুন সমন্বয়

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৫ ১০:২৬:১০
এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বার পরিবর্তন স্বর্ণের দামে নতুন সমন্বয়
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে আজ মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বর স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বাজুস সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ২০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব এবং তেজাবি স্বর্ণের মূল্যহ্রাস বিবেচনায় ভরিতে ১ হাজার ৩৫৩ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন এই দাম আজ থেকে দেশের সকল জুয়েলারি দোকানে কার্যকর হয়েছে।

বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি ভরি ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৯৬ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৩১৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ আজ বিক্রি হবে ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪৮ টাকায়।

স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাজারের সার্বিক অবস্থা তেজাবি স্বর্ণের মূল্যহ্রাস এবং আমদানি প্রবণতা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস। একই সঙ্গে জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। গহনার ডিজাইন জটিলতা ও মান অনুযায়ী মজুরিতে তারতম্য হতে পারে।

এর আগে বুধবার ১৯ নভেম্বর বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ৬১২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম হয়েছিল ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছিল ২ লাখ ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭১ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা। ২০ নভেম্বর থেকে সেই দাম কার্যকর হয়।

স্বর্ণের বাজারে দামের ওঠানামা দেখা গেলেও রুপার বাজার সম্পূর্ণ স্থিতিশীল রয়েছে। দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট রুপা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়। ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

-রাফসান


আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৯ ১১:৪২:৩২
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার হালনাগাদ বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি ২০২৬) প্রকাশিত এই তালিকায় দেখা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবে মুদ্রাবাজারে কিছুটা তারতম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) কার্যদিবসে লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার যে বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে, তা ব্যাংকিং লেনদেন ও বৈদেশিক বাণিজ্যে দিকনির্দেশনা হিসেবে ব্যবহৃত হবে। বিশেষ করে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, প্রবাসী আয় এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনে এই হার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত বিনিময় হারে প্রতি মার্কিন ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২২ টাকা ৩৬ পয়সা দরে। ইউরোর বিপরীতে টাকার দর দাঁড়িয়েছে ১৪২ টাকা ৮১ পয়সা, আর ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে তা বেড়ে হয়েছে ১৬৪ টাকা ৬২ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার সংশ্লিষ্ট মুদ্রাগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়ালের দাম নির্ধারিত হয়েছে ৩২ টাকা ৬৩ পয়সা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই দেরহাম ৩৩ টাকা ৩২ পয়সা, কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৬১ পয়সা, ওমানি রিয়াল ৩১৭ টাকা ৯৩ পয়সা এবং বাহরাইন দিনার ৩২৫ টাকা ১৭ পয়সা। কুয়েতি দিনার সর্বোচ্চ দরের মুদ্রাগুলোর একটি হিসেবে ৩৯৮ টাকা ১৪ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে।

এশিয়ার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার মধ্যে মালয়েশিয়ান রিংগিতের বিনিময় হার ৩০ টাকা ১১ পয়সা, সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ২১ পয়সা, ব্রুনাই ডলার ৯৫ টাকা ২০ পয়সা, চীনা রেনমিনবি ১৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং ভারতীয় রুপি ১ টাকা ৩৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জাপানি ইয়েন ও দক্ষিণ কোরিয়ান ওনের মতো অপেক্ষাকৃত নিম্নমূল্যের মুদ্রার ক্ষেত্রে যথাক্রমে ০ টাকা ৭৯ পয়সা ও ০ টাকা ০৮ পয়সা হার নির্ধারিত হয়েছে।

ইউরোপ ও অন্যান্য অঞ্চলের মুদ্রার মধ্যে কানাডিয়ান ডলার বিক্রি হচ্ছে ৮৮ টাকা ৫২ পয়সা, অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮২ টাকা ০৮ পয়সা, দক্ষিণ আফ্রিকান র‍্যান্ড ৭ টাকা ৪৭ পয়সা, তুরস্কের লিরা ২ টাকা ৮৪ পয়সা, লিবিয়ান দিনার ২২ টাকা ৫৪ পয়সা এবং মালদ্বীপিয়ান রুপি ৭ টাকা ৯১ পয়সা দরে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বৈদেশিক বাণিজ্যের অবস্থা, রেমিট্যান্স প্রবাহ, বৈশ্বিক সুদের হার এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এসব মুদ্রার বিনিময় হারে সময়ভেদে পরিবর্তন আসতে পারে। ফলে লেনদেনের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা অনুমোদিত ডিলারের কাছ থেকে হালনাগাদ দর জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

-রফিক


স্বর্ণের দামে ফের পতন, কমল রূপার দামও

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৯ ১০:৪৯:১৯
স্বর্ণের দামে ফের পতন, কমল রূপার দামও
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্যহ্রাসের ঘোষণা এসেছে। ভরিতে এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সমন্বয় অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। ঘোষণায় বলা হয়েছে, শুক্রবার থেকে সারাদেশে স্বর্ণের নতুন এ দর কার্যকর হবে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এ মূল্যহ্রাস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা। একই সঙ্গে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৫ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, ঘোষিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। তবে গহনার নকশা, কারুকাজ ও মানের ভেদে মজুরির হার পরিবর্তিত হতে পারে, ফলে চূড়ান্ত মূল্য কিছুটা বেশি হতে পারে বলে ক্রেতাদের সতর্ক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই স্বর্ণের দামে একাধিকবার সমন্বয় দেখা গেছে। এর আগে ৫ জানুয়ারি ভরিতে ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস, যা ৬ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছিল। সর্বশেষ ঘোষণায় সেই বৃদ্ধির একটি অংশ কার্যত প্রত্যাহার করা হলো।

স্বর্ণের পাশাপাশি রূপার দামেও হ্রাস আনা হয়েছে। বাজুসের তথ্যমতে, ভরিতে ৩৮৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট রূপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেট রূপার দাম দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

-রফিক


ডিসেম্বরের পর জানুয়ারিতেও বড় চমক! ৭ দিনেই রেমিট্যান্সের নতুন ইতিহাস

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ২১:২১:১১
ডিসেম্বরের পর জানুয়ারিতেও বড় চমক! ৭ দিনেই রেমিট্যান্সের নতুন ইতিহাস
ছবি : সংগৃহীত

নতুন বছরের শুরুতেই বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের পালে বইতে শুরু করেছে দারুণ হাওয়া। ২০২৬ সালের প্রথম সাত দিনেই দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে এক অভাবনীয় গতি লক্ষ্য করা গেছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই আশাব্যঞ্জক তথ্য জানিয়েছেন। তাঁর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই প্রবাসীরা বৈধ পথে প্রায় ৯০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

হিসাব অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম সাত দিনে দেশে প্রতিদিন গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। আরিফ হোসেন খান উল্লেখ করেন যে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবারের প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত ইতিবাচক। ২০২৫ সালের জানুয়ারির প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ৫৪ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে বছর ব্যবধানে এই খাতের আয় ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গত ৭ জানুয়ারি কেবল এক দিনেই প্রবাসীরা ১৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম দৈনিক রেকর্ড।

চলতি অর্থবছরের পরিসংখ্যান ও প্রবৃদ্ধির চিত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে অর্থাৎ গত জুলাই থেকে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ১ হাজার ৭১৭ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি। মূলত সরকারের বিভিন্ন উৎসাহমূলক পদক্ষেপ এবং প্রবাসীদের সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর এই হার ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

অতীতের রেকর্ড ও ধারাবাহিক সাফল্য সদ্য বিদায়ী ডিসেম্বর মাসেও রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে এক অভাবনীয় সাফল্য দেখা গিয়েছিল। গত ডিসেম্বরে প্রবাসীরা মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার পাঠিয়েছেন, যা চলতি অর্থবছরের যেকোনো মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের কোনো নির্দিষ্ট মাসে প্রাপ্ত প্রবাসী আয়ের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে নভেম্বর মাসে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছিল। গত সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর পর্যন্ত প্রতি মাসেই আয়ের পরিমাণ ছিল আড়াইশ কোটি ডলারের ওপরে। জুলাই ও আগস্ট মাসেও রেমিট্যান্সের প্রবাহ ছিল ২৪০ কোটি ডলারের বেশি।

উল্লেখ্য যে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরটি বাংলাদেশের রেমিট্যান্স ইতিহাসের জন্য ছিল মাইলফলক। সেই পুরো অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড হিসেবে স্বীকৃত। নতুন বছরের শুরুতেই ৯০ কোটি ডলারের এই ইতিবাচক ধারা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ২০২৬ সালটিও হতে পারে রেমিট্যান্সের জন্য আরও একটি রেকর্ড গড়ার বছর।


বিশ্ববাজারে কেন কমল স্বর্ণের দাম? মার্কিন ডলারের দাপটে বিনিয়োগকারীদের দ্বিধা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৮:৫৩:০৩
বিশ্ববাজারে কেন কমল স্বর্ণের দাম? মার্কিন ডলারের দাপটে বিনিয়োগকারীদের দ্বিধা
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চিত পরিস্থিতির মধ্যেও আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আজ নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। মূলত মার্কিন ডলারের ক্রমাগত শক্তিশালী অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বাজারের আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের অপেক্ষায় থাকা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে এই মূল্যবান ধাতুর প্রতি আগ্রহ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। রয়টার্সের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সময় সকাল ৫টা ৩৯ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪২৩ দশমিক ২০ ডলারে নেমে আসে। বিশ্ববাজারের এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে স্বর্ণের ফিউচার মার্কেটেও।

আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের ডেলিভারির জন্য নির্ধারিত স্বর্ণের ফিউচার মূল্য আজ শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৩২ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক লেনদেনের প্রধান মুদ্রা মার্কিন ডলার যখন শক্তিশালী হয়, তখন অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে স্বর্ণের মূল্য স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পায়। এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে স্বর্ণ কেনা তুলনামূলক ব্যয়বহুল ও কম আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক চাহিদার ওপর। উল্লেখ্য যে, এই পতনের ধারা কেবল আজই নয়, এর আগের দিন বুধবারও স্বর্ণের বাজারে উল্লেখযোগ্য দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিবেদনের দিকে নিবিড়ভাবে নজর রাখছেন। এই প্রতিবেদনটি মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ সুদের হার নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে, যা পরোক্ষভাবে স্বর্ণের বাজারে বিনিয়োগের গতিপথ ঠিক করে দেবে। বিনিয়োগকারীরা সাধারণত এমন বড় ধরণের তথ্য প্রকাশের আগে নতুন করে বিনিয়োগে ঝুঁকি নিতে চান না, যা বাজারে এক ধরণের স্থবিরতা সৃষ্টি করেছে। ডলারের এই একচ্ছত্র দাপটের সামনে স্বর্ণের নিরাপদ বিনিয়োগের তকমা কিছুটা হলেও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে নানা অস্থিরতা এবং বিশেষ করে লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও, স্বর্ণের বাজারে এর প্রভাব বর্তমানে খুবই সামান্য। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার চেয়েও মার্কিন ডলারের শক্ত অবস্থানই বর্তমান স্বর্ণবাজারকে বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে। যদিও দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণকে একটি নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে ডলারের ঊর্ধ্বমুখী গতি ও অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের অপেক্ষায় থাকা বড় বিনিয়োগকারীদের সাবধানী পদক্ষেপই স্বর্ণের দামকে নিম্নমুখী করে রেখেছে।


শীতে এলপিজির হাহাকার রুখতে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৭:১০:৫৭
শীতে এলপিজির হাহাকার রুখতে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) একটি বিশেষ চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই চিঠিতে এলপিজি আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে বিদ্যমান ভ্যাট এবং ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের জন্য জোরালো অনুরোধ জানানো হয়েছে। মূলত শীতকালীন সংকটের মুখে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করেই এই শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের পাঠানো চিঠিতে বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়েছে যে, দেশে ব্যবহৃত মোট এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। বিশেষ করে শীত মৌসুমে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। এর ফলে বাজারে এলপি গ্যাসের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে এবং তীব্র সংকটের সৃষ্টি হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এই সংকট নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর সরকার বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সাথে কাজ শুরু করেছে এবং সরাসরি এনবিআর-এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

চিঠিতে আরও প্রস্তাব করা হয়েছে যে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা জরুরি। এছাড়াও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ এবং ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর সম্পূর্ণভাবে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এই প্রস্তাবের সাথে সরকারের উপদেষ্টা পরিষদও একমত পোষণ করেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় মনে করছে, যদি এই ভ্যাট ও ট্যাক্স কাঠামো দ্রুত পরিবর্তন করা হয়, তবে আমদানিকারকদের খরচ কমবে এবং বাজারে গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে।

তবে এই ভ্যাট ছাড়ের সুফল সাধারণ গ্রাহকরা পাবেন কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগকে সমন্বিতভাবে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করতে বলা হয়েছে যে, ভ্যাট কমানোর ফলে ভোক্তা পর্যায়ে সিলিন্ডার প্রতি ঠিক কত টাকা কমবে। উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) নেতাদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় ব্যবসায়ীরা উচ্চ শুল্ক হারের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং তা কমানোর প্রস্তাব দেন, যার প্রেক্ষিতেই মন্ত্রণালয় আজ এই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করল।


বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১১:৫২:০৬
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬), দেশের ব্যাংকিং ও খোলা বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে বড় কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। আমদানি ব্যয় মেটানো এবং রেমিট্যান্স প্রবাহের দিক থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ডলারের দাম আজ ১২২.২৯ টাকা (ক্রয়) এবং ১২২.৩০ টাকা (বিক্রয়) এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারের এই স্থিতিশীলতা ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্যদিকে, ইউরোপীয় দেশগুলোর মুদ্রা বিশেষ করে ব্রিটিশ পাউন্ডের দর আজ বেশ ঊর্ধ্বমুখী। প্রতি পাউন্ড স্টার্লিং কিনতে গ্রাহককে গুনতে হচ্ছে ১৬৪.৬৬ টাকা, যেখানে এর ক্রয়মূল্য ১৬৪.৫৫ টাকা।

ইউরো জোনের প্রধান মুদ্রা ইউরোর দামও আজ স্থিতিশীল রয়েছে; যার বিক্রয়মূল্য ১৪৩.৩৫ টাকা এবং ক্রয়মূল্য ১৪৩.৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ১.৩৬ টাকায় স্থির আছে, যা সীমান্ত বাণিজ্য ও পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চীনের মুদ্রা ইউয়ানের দর আজ ১৭.৫৫ টাকা এবং জাপানি ইয়েনের দাম ০.৭৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫.১২ টাকা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮১.৮৭ টাকা দরে বাজারে কেনাবেচা হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসীদের পাঠানো উচ্চ রেমিট্যান্স এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে ডলারের বাজার বর্তমানে অনেকটা নিয়ন্ত্রিত। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে পাউন্ড ও ইউরোর দরে সামান্য ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। যারা ব্যক্তিগত কাজে বা শিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন অথবা রেমিট্যান্স পাঠাতে চান, তাদের জন্য প্রতিদিনের এই হালনাগাদ বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


আজকের স্বর্ণের দাম: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১০:১৯:০১
আজকের স্বর্ণের দাম: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) ভরিতে ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে। সোমবার রাতে নির্ধারিত এই নতুন দাম অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেশের বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা এই নতুন মূল্য নির্ধারণে বাধ্য হয়েছে।

বাজুসের নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন থেকে বিক্রি হবে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকায়। তবে বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস বিশেষভাবে সতর্ক করে জানিয়েছে, গহনা কেনার ক্ষেত্রে এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং নূন্যতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে, যা ডিজাইনভেদে আরও বাড়তে পারে।

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩৮৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৮৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা এখন ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা ভরি দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রমাগত দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ ক্রেতা ও জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরণের অস্বস্তি কাজ করছে, কারণ মজুরি ও ভ্যাটসহ এক ভরি গহনা তৈরিতে খরচ এখন প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার থেকে আড়াই লাখ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে।


প্রবাসী আয়ের শক্তিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে দেশ: শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১০:১৩:৫০
প্রবাসী আয়ের শক্তিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে দেশ: শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে নতুন এক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে সংগৃহীত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই স্বস্তিদায়ক তথ্য জানা গেছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাপক অবদানেই আয়ের এই উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, রেমিট্যান্স আহরণে একক দেশ হিসেবে যথারীতি শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরব। গত ডিসেম্বর মাসে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি থেকে ৪৯ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এছাড়া শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় থাকা যুক্তরাজ্য থেকে ৪০ কোটি ৪৯ লাখ, মালয়েশিয়া থেকে ৩২ কোটি ২৮ লাখ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৫ কোটি ৯২ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

প্রবাসী আয়ের এই প্রবৃদ্ধি কেবল অর্থনীতিতে গতি ফেরাবে না, বরং ডলারের বাজারেও স্থিতিশীলতা আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শীর্ষ তালিকার অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে ইতালি (১৯ কোটি ৫৩ লাখ), ওমান (১৮ কোটি), কুয়েত (১৬ কোটি ৪৩ লাখ), কাতার (১৪ কোটি ৫০ লাখ) এবং সিঙ্গাপুর (১১ কোটি ৫০ লাখ) থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থ জাতীয় সমৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে এবং সামনের মাসগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।


বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১১:৫৯:৪৬
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

আজকের লেনদেনের জন্য ব্যাংক রেট ও বিকাশ রেটের তালিকা নিচে দেওয়া হলো (উল্লেখ্য যে, যেকোনো সময় এই হার পরিবর্তন হতে পারে

বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংক রেট (৳) বিকাশ রেট (৳)
মার্কিন ১ ডলার ১২৩.১২ ১২৪.৩৩
সৌদির ১ রিয়াল ৩২.৫৪ ৩২.৫৪
ইতালিয়ান ১ ইউরো ১২৭.১০ ১২৬.৫৭
ব্রিটেনের ১ পাউন্ড ১৫০.৯৩ ১৪৭.৩৩
মালয়েশিয়ান ১ রিংগিত ২৭.১০ ২৬.৫৫
সিঙ্গাপুরের ১ ডলার ৮৮.৫০ ৮৯.৪২
ওমানি ১ রিয়াল ৩১৫.০০ ৩১৫.০০
কুয়েতি ১ দিনার ৩৯৪.০০ ৩৯৪.০০
ইন্ডিয়ান ১ রুপি ১.৪০ ১.৪০

প্রবাসীদের জন্য কিছু জরুরি তথ্য

টাকার রেট প্রতিনিয়ত ওঠানামা করে। তাই যখন দেখবেন বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, তখনই রেমিট্যান্স পাঠানো বুদ্ধিমানের কাজ।

বাংলাদেশের প্রথম কাগুজে নোট চালু হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ। তখন এক ডলারের মান ছিল মাত্র সাড়ে ৭ থেকে ৮ টাকা।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও তেল রপ্তানির ওপর ভিত্তি করে কুয়েতি দিনার এখনও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা হিসেবে তার অবস্থান ধরে রেখেছে।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত