ভারতীয় ভিসা আবেদনে বড় পরিবর্তন

ভারতীয় ভিসা আবেদনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বরাদ্দে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক)। আগামী বুধবার (১ জুলাই) থেকে সারা দেশে নতুন এই অনলাইন ব্যবস্থা কার্যকর হতে যাচ্ছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভিসা প্রত্যাশী আবেদনকারীরা আর নিজেদের পছন্দমতো অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় (টাইম স্লট) বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন না। এর পরিবর্তে, অনলাইনে আবেদনপত্র চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার সময় সিস্টেমে খালি থাকা পরবর্তী যেকোনো একটি সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে (অটোমেটিকভাবে) আবেদনকারীর জন্য বরাদ্দ করা হবে।
আইভ্যাক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১ জুলাই থেকে বাংলাদেশের সব কটি ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে সব ধরনের ভিসার (ট্যুরিস্ট, মেডিকেল, বিজনেস ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এই নতুন টাইম-স্লটভিত্তিক আবেদন জমা দেওয়ার নিয়ম চালু হচ্ছে। প্রতিটি আইভ্যাক কেন্দ্রের দৈনিক আবেদন গ্রহণ করার সর্বোচ্চ সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে অনলাইন সিস্টেম ক্রমানুসারে আবেদনকারীদের জন্য সুনির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দেবে। ফলে নতুন নিয়মে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং করার সময় আবেদনকারীদের আলাদাভাবে কোনো টাইম স্লট নির্বাচন করার প্রয়োজন পড়বে না।
ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও নির্বিঘ্ন, সুশৃঙ্খল ও সময়মতো সম্পন্ন করার স্বার্থে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিতকরণ কপিতে (স্লট পেপার) উল্লেখিত নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আইভ্যাক কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ পরামর্শ দিয়েছে আইভ্যাক কর্তৃপক্ষ।
/আশিক
নেপালে আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা জারি
নেপালে অব্যাহত মুষলধারে বৃষ্টিপাত, ভয়াবহ বন্যা ও প্রাণঘাতী ভূমিধসের পটভূমিতে ক্ষতিগ্রস্ত এবং দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলগুলোতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রবাসী বাংলাদেশি পর্যটক ও পাহাড়ি ট্রেকারদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকার অনুশাসন দিয়েছে কাঠমান্ডুস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় না ফেরা পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যেকোনো প্রকার ভ্রমণ পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক জরুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নেপাল দূতাবাসের এই সতর্কবার্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে পিসাং, চামে, মানাং এবং এর আশেপাশের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে অবস্থানরতদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। লাগাতার বৃষ্টি, আকস্মিক তুষারপাত ও পাহাড়ি ধসের কারণে বিভিন্ন আন্তঃঅঞ্চল মহাসড়ক ও হাঁটার ট্রেইল সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে করে জরুরি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও উদ্ধার অভিযান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় নেপাল প্রশাসন মানাং অঞ্চলের বিখ্যাত তিলিচো লেক, থরং লা পাস, আইস লেক, কাংলা ও ভীমথাং এলাকাগুলোতে সকল প্রকার ট্র্যাকিং ও পর্বতারোহণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি ভূমিধস ঝুঁকির কারণে পর্যটন শহর পোখারা ও এর সংলগ্ন জেলাগুলোতে চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
অন্যান্য পার্বত্য অঞ্চল যেমন মুস্তাং ও জমসম অভিমুখী যাত্রীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, যাত্রার পূর্বে অবশ্যই গান্দাকি প্রদেশের হালনাগাদ সড়ক যোগাযোগের খবর জেনে নিতে হবে। পার্বত্য সড়কগুলো যেকোনো মুহূর্তে ভূমিধসে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার তীব্র ঝুঁকি রয়েছে।
একই সঙ্গে অন্নপূর্ণা, মানাং, মুস্তাং ও মানাসলু অঞ্চলের মতো ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি ট্রেইলে অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস, ট্র্যাকিং কিংবা পর্বতারোহণে যাওয়ার পূর্বে পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও নেপাল সরকারের নির্দেশিকা কঠোরভাবে মেনে চলার তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ মিশন।
ইতোমধ্যে যারা এই দুর্যোগপূর্ণ এলাকাগুলোতে অবস্থান করছেন, তাদের নিকটবর্তী নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি নদীর তীরবর্তী অঞ্চল বা ধসপ্রবণ খাদের কিনার এড়িয়ে চলা, নিয়মিত ভ্রমণের রুট চেক করা এবং ট্রাভেল এজেন্সির পাশাপাশি কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাসের সাথে অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ দূতাবাস স্পষ্ট করেছে যে, এটি একটি সাময়িক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও সতর্কতা। তবে রাজধানী কাঠমান্ডু শহর এবং এর সংলগ্ন এলাকাগুলো এই ভ্রমণ সতর্কতার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
/আশিক
মার্কিন চাপে কি বোয়িং কিনছে বাংলাদেশ? মুখ খুললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
কোনো কূটনৈতিক বা রাজনৈতিক চাপের মুখে নয়, বরং অভ্যন্তরীণ প্রয়োজন ও যাত্রীচাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখেই বোয়িং থেকে নতুন উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে স্পষ্ট করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রভাব নেই এবং এর পেছনে কোনো গোপন উদ্দেশ্যও লুকিয়ে নেই।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মূলত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে সফল অংশগ্রহণের বিস্তারিত তুলে ধরতে এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
হুমায়ুন কবির জানান, একটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে কেনাকাটার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবেই বাংলাদেশ বিমানের বহরে বোয়িংয়ের বড় উড়োজাহাজ ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে আন্তর্জাতিক রুটের পরিধি বাড়ানো এবং বাংলাদেশকে একটি আধুনিক এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বহরে বিভিন্ন ধরনের উড়োজাহাজের মিশ্রণ জরুরি।
উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনের ফাঁকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বোয়িংয়ের কাছ থেকে নতুন করে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর আগে গত এপ্রিলে আরও ১৪টি উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রাথমিক চুক্তি হয়েছিল। নতুন এই চুক্তির অধীনে পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ মডেলের উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে। এর ফলে দুই দফায় বাংলাদেশ বিমানের কেনা মোট বোয়িং উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫টিতে।
আগের দফায় ১৪টি উড়োজাহাজ ক্রয়ে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। তবে নতুন করে যুক্ত হওয়া ১১টি উড়োজাহাজের চূড়ান্ত মূল্য, অর্থায়নের উৎস ও সরবরাহের সময়সীমা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়নি।
রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রভাব সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী পুনরুল্লেখ করেন যে, দেশের স্বার্থই এখানে মুখ্য। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে বিমানের বহর আরও বড় করা হবে। ঢাকা-নিউইয়র্ক রুট পুনরায় চালুর বিষয়ে তিনি জানান, বিষয়টির কারিগরি মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় পর্যালোচনা কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।
নিউইয়র্কের এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন ও বিনিয়োগ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক ও উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাও অংশ নেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর চার দিনব্যাপী জাতিসংঘ সফরকে অত্যন্ত সফল বলে অভিহিত করা হয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, এই সফরের মাধ্যমে নতুন সরকারের গণতান্ত্রিক অঙ্গীকার ও বৈশ্বিক প্রত্যাশা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। সফরে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে মূল ভাষণসহ মোট ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন, যার মধ্যে ১১টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অন্তর্ভুক্ত ছিল। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, পাকিস্তান, তুরস্ক, থাইল্যান্ডসহ একাধিক রাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিনিধি এবং বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ ও বোয়িং গ্লোবালের সিইওর সঙ্গে আলোচনায় নতুন বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস ও সম্মান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান তিনি।
/আশিক
'ছাত্ররা নামলেই গুলি করে মারা হবে' ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন জুলাইযোদ্ধা
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থান দমনে রাজপথে ‘ছাত্ররা মাঠে নামলেই গুলি করে মেরে ফেলা হবে’—এমন পৈশাচিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সরাসরি জবানবন্দি দিয়েছেন মো. হান্নান মিয়া নামের এক গেজেটভুক্ত জুলাইযোদ্ধা। ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত আসামিদের উপস্থিতিতে দেওয়া চাঞ্চল্যকর সাক্ষ্যে তিনি রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় আন্দোলন দমনে তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ক্ষমতাসীন জোটের চালানো নির্মমতার লোমহর্ষক বর্ণনা তুলে ধরেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর প্রধান বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং প্যানেল সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর উপস্থিতিতে এ ঐতিহাসিক সাক্ষ্য রেকর্ড করা হয়। শুনাকালে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তৎকালীন শেখ হাসিনার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এবং ছাত্র-জনতার ন্যায়সংগত আন্দোলন দমনে বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এই দুই প্রবীণ নেতা। তৎকালীন ১৪ দলের শীর্ষ পদে থেকে মারণাস্ত্র প্রয়োগ ও কারফিউ জারির প্ররোচনায় তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের ফলেই শুধু বাড্ডা ও সংলগ্ন এলাকাতেই প্রাণ হারান অন্তত ২৩ জন আন্দোলনকারী।
পেশায় ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক এবং সরকারি গেজেটভুক্ত ‘খ’ শ্রেণির আহত জুলাইযোদ্ধা মো. হান্নান মিয়া সাক্ষ্যে জানান, গত বছরের ১৫ জুলাই থেকেই তিনি সক্রিয়ভাবে বৈষম্যবিরোধী কর্মসূচিতে যুক্ত ছিলেন। ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও ক্ষমতাসীনদের যৌথ গুলিবর্ষণে বহু ছাত্র-জনতা হতাহত হন। ওই দিন সন্ধ্যার পর গণমাধ্যমে প্রচারিত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ১৪ দলীয় জোট নেতাদের জরুরি বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, উক্ত বৈঠকে উপস্থিত রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলামের পূর্ণ সমর্থনে ওবায়দুল কাদের কারফিউ জারি করে ছাত্রদের দেখামাত্র গুলির পৈশাচিক নির্দেশ ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ৫ আগস্ট 'লং মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে রামপুরা ব্রিজে গুলবিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি মারাত্মক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন তিনি। সাক্ষ্যদান শেষে হান্নান মিয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননসহ গণহত্যায় জড়িত সবার সর্বোচ্চ বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
/আশিক
চীনের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
উন্নয়ন অংশীদার চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, নতুন বিনিয়োগ এবং সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী এই প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দ্বিপক্ষীয় এই আলোচনায় বাণিজ্যিক সম্পর্কের বাইরেও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বহুমাত্রিক ইস্যুতে আলোচনা হয়। বৈঠকের প্রারম্ভেই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সফল নেতৃত্ব প্রদান এবং নিউইয়র্কের সমস্ত বিশ্বমঞ্চীয় কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীনের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশের চলমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সার্বিক সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সাথে সামনের দিনগুলোতে দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের নতুন অবস্থান: প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের অর্জন
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বহুপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের এক অনন্য সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সামগ্রিক রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে নতুন বাংলাদেশের এই প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত সার্থক ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের সফর ও ঐতিহাসিক অর্জনের বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরতে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতিসংঘের এবারের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করেছেন এবং মোট ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নিয়েছেন।
এর মধ্যে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে একটি রাষ্ট্রীয় ও ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান, ৭টি উচ্চপর্যায়ের বৈশ্বিক সভায় বক্তব্য প্রদান, ১১টি সার্বভৌম দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অন্তর্ভুক্ত ছিল। স্বতঃস্ফূর্ত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের নিরঙ্কুশ ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব দরবারে দেশের আত্মবিশ্বাস ও সম্মানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বহুল আলোচিত বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘বোয়িং’ কেনার চুক্তির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানান যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বাংলাদেশ সরকারের চারজন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এই ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের গোপনীয় বা লুকায়িত এজেন্ডা নেই। ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচলে বোয়িংয়ের ওপর নির্ভরশীল হলেও আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ এবং দেশকে একটি আন্তর্জাতিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে মিশ্র বিমান বহরের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করেই বাণিজ্যিক শর্তে আরও বোয়িং বিমান কেনা হবে।
/আশিক
বঙ্গোপসাগরের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জ্বালানি সম্ভাবনা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের বামদিকে মিয়ানমার এবং ডানদিকে ভারত ধারাবাহিকভাবে মূল্যবান প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন করলেও বিগত আওয়ামী লীগ সরকার নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক আনুগত্যের কারণে আমাদের অংশের গ্যাস তোলায় কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, বঙ্গোপসাগরের তলদেশে আন্তর্জাতিক জরিপ অনুযায়ী বিপুল পরিমাণ গ্যাসের অক্ষয় ভাণ্ডার বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার বিদেশি শক্তির অসন্তুষ্টির ভয়ে তা অব্যবহৃত ফেলে রেখেছিল।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মানিকগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের করণীয়’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, গ্যাস না থাকার কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বিগত সরকার শত শত কোটি টাকা দুর্নীতির উদ্দেশ্যে আটটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কেবল প্রদর্শনের জন্য তৈরি করেছিল। বর্তমান সরকার আন্তর্জাতিক দরকষাকষির মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের গভীর তলদেশ থেকে অতি দ্রুত গ্যাস উত্তোলনের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যা দিয়ে জাতীয় জ্বালানি চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে জাতীয় বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে দেশের সকল সরকারি হাসপাতাল এবং বাসা-বাড়িতে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার নিশ্চিত করার কৌশলগত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অতীতের দুর্নীতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক ও বিদ্যুৎ খাতের কঠোর সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, তথাকথিত কুইক রেন্টালের নামে কতিপয় সুবিধাভোগীকে কোটি কোটি টাকার 'ক্যাপাসিটি চার্জ' দেওয়া হয়েছে, যা প্রবাসীদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স লুণ্ঠনের সামিল ছিল। বর্তমানে ভারতীয় বিদ্যুৎ কোম্পানি আদানি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ দেওয়া অর্ধেক কমিয়ে দিয়ে সংকট তৈরির যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তা অত্যন্ত শক্ত হাতে সামাল দিচ্ছে সরকার। কৃত্রিম কৃষি সংকট ও সার পাচার রোধে প্রতিটি ইউনিয়নে ১ জন নতুন মূল ডিলারের সাথে ৩ জন অতিরিক্ত সাব-ডিলার নিয়োগ করে বাজার ব্যবস্থাপনাকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে।
কৃষি ও পানিসম্পদ রক্ষায় ঐতিহাসিক তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে বর্ষায় বন্যা এবং শুষ্ক মৌসুমে খরা দিয়ে বাংলাদেশকে মরুকরণের যে চক্রান্ত চালিয়ে আসছে, তা আর বরদাশত করা হবে না। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সুরমা নদীর প্রবাহ আটকে সিলেটকে ধ্বংসের পাঁয়তারা রোখে এবং সার্বিক পানিসম্পদ রক্ষায় চীনের সরাসরি প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতায় তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আর এসব গণমুখী রাজনৈতিক যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পলাতক ফ্যাসিস্ট ও বিদেশি অনুচর গোষ্ঠী দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চক্রান্ত চালাচ্ছে বলে হুঁশিয়ার করেন তিনি।
/আশিক
মুখে সিঙ্গাপুর-অস্ট্রেলিয়ার ফাঁকা বুলি নয়, বাসযোগ্য ঢাকা চান প্রধানমন্ত্রী: মীর শাহে আলম
রাজধানী ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খালগুলোকে অবৈধ দখলমুক্ত ও পূর্ণাঙ্গ সচল করে চিরতরে জলাবদ্ধতা নিরসনের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানিয়েছেন, চলমান শুষ্ক মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে মান্ডা, জিরানী, শ্যামপুর ও কালুনগর খালের সংস্কার কাজ এমন এক দৃশ্যমান পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যাতে খালগুলো পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক ব্যবহারের উপযোগী হয়ে ওঠে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জিরানী খাল সংলগ্ন পরিদর্শন এলাকায় চারটি খাল পুনরুদ্ধার, আধুনিক সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে গৃহীত প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। খালের একাংশ ঘুরে দেখে মীর শাহে আলম বলেন, অতীতের অনির্বাচিত ও স্বৈরাচারী সরকারের মতো বর্তমান সরকার ফাপা প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেশকে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া কিংবা সিঙ্গাপুর বানানোর মিথ্যা স্বপ্ন দেখাবে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি পরিচ্ছন্ন, সুশাসিত ও জলাবদ্ধতামুক্ত বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলতে চান। এই লক্ষ্যে খালগুলো পুনঃখনন ও আবর্জনা পরিষ্কারের পাশাপাশি খালের পাড় সংরক্ষণ, বিস্তৃত বৃক্ষরোপণ এবং সবুজ ওয়াকওয়ে তৈরির কাজ ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।
প্রকল্পের গতি পর্যালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী জানান, চার খালের পুনরুদ্ধারের কাজ বর্তমানে ১৭ থেকে ১৮ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে, যা দ্রুত বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। খালের ভেতরের অংশ এবং পাড়ের সমস্ত অবৈধ দখল চিহ্নিত করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে নিয়েই সরকারি জমি উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হবে। শুধু খাল নয়, ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর নাব্য ফেরাতে, বর্জ্য ও পয়োবর্জ্য শোধন ব্যবস্থা নিশ্চিতে সরকার সমন্বিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সাধারণ নগরবাসীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, সততার সাথে নাগরিক উন্নয়নের গ্যারান্টি দিচ্ছে বর্তমান সরকার।
পরিদর্শন কর্মসূচিতে দেশের চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেন, রাজনৈতিক ইস্যুহীন বিরোধী দল অহেতুক কিছু অবাস্তব বিষয় নিয়ে আন্দোলনে নামার নামান্তর চেষ্টা চালাচ্ছে। দেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের টেকসই সমাধান অতি দ্রুতই নিশ্চিত হবে উল্লেখ করে তিনি সরকারকে নির্দিষ্ট সময় দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে সরকারের যেসব বিষয়ে ঘাটতি বা ব্যর্থতা রয়েছে, সেগুলোর জন্য জনগণের কাছে বিনীতভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
/আশিক
তেলের পর পানির জন্য যুদ্ধ হবে, টাকা দিয়েও মিলবে না পানি: পানিসম্পদমন্ত্রী
চারপাশে প্রচুর পানির প্রাচুর্য থাকলেও শিল্পবর্জ্য ও মারাত্মক দূষণের কারণে সেই পানি ব্যবহারের ন্যূনতম উপযোগী থাকছে না বলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ঢাকার আশপাশে গড়ে ওঠা ১১টি অনিয়ন্ত্রিত শিল্পাঞ্চলের বিষাক্ত বর্জ্য রাজধানী ও আশপাশের পরিবেশ এবং সুপেয় নদীর পানির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পান ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বিশ্ব নদী দিবস ২০২৬ উদযাপন ও মার্ক এঞ্জেলো রিভার অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান সত্ত্বেও দেশে সুপেয় পানির সংকট দিন দিন চরম রূপ নিচ্ছে। ক্রমাগত ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনক হারে নিচে নেমে যাওয়ায় শুধু গভীর নলকূপ বসিয়ে এই বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করা অসম্ভব। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, অতীতে বা বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানি তেলের জন্য যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলছে, খুব শিগগিরই সুপেয় পানির জন্য মানবজাতিকে সেই যুদ্ধে নামতে হতে পারে। তখন হয়তো অঢেল টাকা বা ডলার দিয়েও এক ফোঁটা বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যাবে না।
স্থানীয় অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নিজ নির্বাচনী এলাকায় গেলে সাধারণ মানুষ অহরহ গভীর নলকূপ স্থাপনের দাবি জানান। কিন্তু চার থেকে সাড়ে চার লাখ মানুষের বিশাল জনপদের বিপরীতে সরকারিভাবে বছরে মাত্র ৩০০ থেকে ৫০০টি নলকূপ স্থাপন করে সুপেয় পানির চাহিদা মেটানো বাস্তবসম্মত নয়। কেমিক্যালযুক্ত দূষিত নদীর পানিতে গোসল করা স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক নদী-খালে মাছ চাষ করা হলেও বিষাক্ত ধাতুর উপস্থিতির কারণে তা মানুষের খাওয়ার উপযোগী কি না, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের ব্যাপক সংশয় রয়েছে।
এই জাতীয় সংকট নিরসনে পানি সংরক্ষণ ও নদী রক্ষাকে সর্বজনীন সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু সরকার বা একক কোনো মন্ত্রণালয়ের পক্ষে এই বিশাল দুর্যোগ থামানো সম্ভব নয়। খাল খনন কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করে সাধারণ জনগণকে সরাসরি পরিবেশ রক্ষায় সম্পৃক্ত করতে হবে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ক্ষতির কারণে বাংলাদেশ যেসব আন্তর্জাতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সেই ন্যায্য দাবিগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
/আশিক
চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী: বিশ্বমঞ্চে ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে কড়া বার্তা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিয়ে চার কর্মদিবসের সফল নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও কৌশলগত অগ্রাধিকারগুলো বিশ্বমঞ্চে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। জনরায় নিয়ে গঠিত সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর এই জাতিসংঘ সফর বিশ্বজুড়ে দেশের ভাবমূর্তিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
মুখপাত্র জানান, নিউইয়র্কে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নেন। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে ১১টি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সংশ্লিষ্ট ৮টি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান এবং ১১টি প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসূচি। সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা প্রায় ৮০টি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে যুক্ত ছিলেন। এসব বৈঠকে বাণিজ্য ও দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ, জনশক্তি রফতানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি, রোহিঙ্গা সংকট, স্বাস্থ্য খাত ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুগুলো প্রাধান্য পেয়েছে।
বিশেষ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মূল অধিবেশনে বিশ্বশান্তি, ফিলিস্তিনে চলমান সংকট, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো ইস্যুতে বাংলাদেশের সুস্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরা হয়। ফিলিস্তিন ইস্যুর প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ চলাকালে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ঐতিহাসিক 'ওয়াকআউট' বৈশ্বিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী) সফরের মধ্য দিয়ে দেশের প্রথাগত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে আসা গুণগত পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন। তিনি জানান, অতীতে রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশ গমনাগমন ও প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে বিশাল রাজনৈতিক দলীয় জমায়েত করার যে রেওয়াজ ছিল, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তা সম্পূর্ণ নিরুৎসাহিত করেছেন। তদুপরি, বিপুল অপচয় রোধে ভিআইপি বিমানের বিশাল বহর এড়িয়ে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং এমিরেটস এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তিনি। মাত্র ৩৫ জনের সংক্ষিপ্ত সফরসঙ্গী নিয়ে চার কর্মদিবসসহ মোট পাঁচ দিনের বৈশ্বিক মিশন সফলভাবে শেষ করে রোববার সকালেই ঢাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- নেপালে আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা জারি
- ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নতুন সতর্কতা
- মার্কিন চাপে কি বোয়িং কিনছে বাংলাদেশ? মুখ খুললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- শেষ হলো ভোট গ্রহণ, ব্যালন ডি'অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যারা
- শেষ হলো ভোট গ্রহণ, ব্যালন ডি'অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যারা
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে যে ৫টি প্রশ্ন করা বিপজ্জনক হতে পারে
- 'ছাত্ররা নামলেই গুলি করে মারা হবে' ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন জুলাইযোদ্ধা
- জাতীয় নাগরিক পার্টির বড় সিদ্ধান্ত: নতুন জাতীয় দায়িত্বে সারজিস আলম
- পৈতৃক জমির ওপর পিচঢালাই রাস্তার আশঙ্কায় আইনি নোটিশ, যৌথ ভূ-জরিপের দাবি
- ইরানে আর কখনো বিদেশি আধিপত্য ফিরবে না, আরব সাগর থেকেও তাড়ানো হবে শত্রুদের: খামেনি
- চীনের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
- আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও আমদানির নতুন সংকট: বিশেষ প্রতিবেদন
- এশিয়ান গেমসের নকআউট পর্বের আগে বড় ধাক্কা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে
- বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উপকূলে নিম্নচাপ: জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরের নতুন পাঁচ দিনের তথ্য
- সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে ধস, ৭ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন
- বিয়ে সাড়ে চার মাসের মাথায় বিয়োগান্তক পরিণতি: কড়া বিচারে কারাগারে গাজী নজরুল
- প্রতিযোগী দেশ টেক্কা দিতে বাজারে বিশেষ ম্যাট্রিক্স প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ
- হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ইরানের নতুন অবস্থান প্রকাশ
- আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের নতুন অবস্থান: প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের অর্জন
- পারমাণবিক কর্মসূচি ও বৈশ্বিক চাপ: তেহরানের নতুন কৌশলগত অবস্থান প্রকাশ
- বঙ্গোপসাগরের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জ্বালানি সম্ভাবনা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
- জুলাই যোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরে আমরা ব্যথিত: ন্যায়বিচারের আশ্বাস রাশেদ খাঁনের
- পারমাণবিক অস্ত্রের পথ খোলা রাখছে সৌদি আরব: মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে তোলপাড়
- ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের আস্থার প্রতীক: গাজী শওকাত হোসেনের পরিবার-সাড়ে পাঁচ দশকের জনসেবা
- মুখে সিঙ্গাপুর-অস্ট্রেলিয়ার ফাঁকা বুলি নয়, বাসযোগ্য ঢাকা চান প্রধানমন্ত্রী: মীর শাহে আলম
- দিনভর শারীরিক অলসতা ও ক্লান্তি: চিকিৎসকদের নতুন স্বাস্থ্য পরামর্শ
- হরমুজ প্রণালিতে নতুন সামুদ্রিক উত্তেজনা: আন্তর্জাতিক সামরিক অঙ্গনে বড় খবর
- জাতীয় দল ও ইতালিয়ান ক্লাবের টানাপোড়েন: বড় সিদ্ধান্তের মুখে বিশ্বজয়ী তারকা
- তেলের পর পানির জন্য যুদ্ধ হবে, টাকা দিয়েও মিলবে না পানি: পানিসম্পদমন্ত্রী
- সন্ত্রাসবাদের সাথে বন্ধুত্ব চলতে পারে না: জাতিসংঘে পাকিস্তানকে জয়শঙ্করের তোপ
- ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার ও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন: মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় খবর
- দখলবাজি ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা সরকারের জন্য অশনিসংকেত: টিআইবি
- সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের মূল পরিকল্পনাকারী শাহরিয়ারসহ ৪ জন গ্রেপ্তার
- ক্রিকেট খেলায় নতুন দিগন্ত: সারা দেশে ট্রায়াল পর্বের সূচনা
- আমরা জয়ী হয়েছি তবে বিজয় সুসংহত করতে হবে: তেহরানে ইরানি সেনাপ্রধান
- চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী: বিশ্বমঞ্চে ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে কড়া বার্তা
- ইরানকে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’
- বিশ্বমঞ্চে শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙার দ্বারপ্রান্তে বিরাট কোহলি
- বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলা
- ফিলিস্তিন শাসন করবে ফিলিস্তিনিরাই: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বার্তা দিল চীন
- ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে তৈরি হচ্ছে জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- লাখ লাখ বছরের পুরনো রহস্য উন্মোচিত: বিজ্ঞানীরা পেলেন নতুন তথ্য
- যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বড় আইনি পদক্ষেপ: আদালতের নতুন সিদ্ধান্ত
- মাথার কাছে মোবাইল রেখে ঘুমানো: ব্রেন টিউমার ও রেডিয়েশন দাবির বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা
- ইসরায়েলি মানচিত্রের ভুলে গাজার উচ্চ রেজল্যুশনের স্যাটেলাইট ছবি ফাঁস
- প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আরও বাড়ানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের আস্থার প্রতীক: গাজী শওকাত হোসেনের পরিবার-সাড়ে পাঁচ দশকের জনসেবা
- হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাব
- আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দক্ষিণ শ্রীপুরে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান পাপিয়া পারভীন
- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে রিমান্ডে নিলেই বের হবে বাসে আগুনের রহস্য: রাশেদ খাঁন
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে জ্বালানি খাতে বড় আর্থিক চাপ
- বাংলাদেশে অফিস খোলার প্রক্রিয়ায় মেটার নতুন অগ্রগতি
- অতীত আর বর্তমানের মিল: দেশজুড়ে আবার কি এক-এগারোর ছায়া?
- জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চরম সংকট: কার্গো স্থানান্তর বন্ধে কমলো এলএনজি সরবরাহ
- 'হাসিনার সময় পদত্যাগ চাইতাম, এখন চাওয়া ঠিক হবে না': জাহেদ উর রহমান
- পাসপোর্ট খোয়া গেলে বা নষ্ট হলে যেসব নিয়ম মানতে হবে
- নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে যুক্ত হলেন জাতীয় দলের তারকা পেসার
- জাতিসংঘের অধিবেশনে বিশ্ব নেতাদের সামনে জলবায়ু সংকট নিয়ে কড়া বার্তা
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ-সহনশীল ও আধুনিক বিদ্যুৎ কাঠামোর পথে বাংলাদেশ
- ২০-এর কোঠাতেই চুল পাতলা হওয়া রোধে যেসব বিষয় জানা জরুরি
- বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তনের আভাস নিয়ে হাই-ভোল্টেজ বৈঠক








