এপ্রিলে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা; ১০টি কড়া নির্দেশনাসহ নীতিমালা প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১০:২২:৩২
এপ্রিলে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা; ১০টি কড়া নির্দেশনাসহ নীতিমালা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

২০২৫ সালের সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আগামী এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যদিও পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি, তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা ও পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বিশেষ নির্দেশনাসহ আচরণবিধি প্রকাশ করেছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের পাঁচটি প্রধান বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

এর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত মিলিয়ে ১০০ নম্বরের একটি পরীক্ষা এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মিলিয়ে আরও ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য সময় বরাদ্দ থাকবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা নিয়মানুযায়ী অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন। বৃত্তির জন্য বিবেচিত হতে হলে একজন শিক্ষার্থীকে প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ক্যাটাগরিতে মেধা তালিকার ভিত্তিতে ছাত্র ও ছাত্রীদের সমানুপাতিক হারে (৫০ শতাংশ করে) বৃত্তি প্রদান করা হবে। এছাড়া মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের জন্য যে ১০টি কড়া নিয়ম ও আচরণবিধি মেনে চলতে হবে

পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বিশেষ নির্দেশনা

১. প্রবেশপত্র ও উপস্থিতি: পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার হলে উপস্থিত হতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া কাউকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না।

২. নিষিদ্ধ বস্তু: পরীক্ষার হলে প্রবেশপত্র ছাড়া অন্য কোনো অননুমোদিত কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

৩. ওএমআর শিট পূরণ: উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার (ওএমআর) নির্ধারিত স্থানে নাম, বিষয় কোড ও রোল নম্বর ছাড়া অন্য কোনো কিছু লেখা যাবে না।

৪. পরিদর্শকের স্বাক্ষর: উত্তরপত্রে অবশ্যই ইনভিজিলেটর বা কক্ষ পরিদর্শকের স্বাক্ষর থাকতে হবে; অন্যথায় উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

৫. অপ্রাসঙ্গিক লেখা: উত্তরপত্রের ভেতর বা বাইরে পরীক্ষার্থীর নাম, ঠিকানা, রোল নম্বর বা কোনো সাংকেতিক চিহ্ন বা অপ্রয়োজনীয়/আপত্তিকর কোনো কিছু লেখা যাবে না।

৬. খসড়া কাজ: খসড়ার জন্য কোনো অতিরিক্ত কাগজ দেওয়া হবে না। প্রদত্ত উত্তরপত্রেই খসড়ার কাজ করতে হবে এবং পরে তা যথাযথভাবে কেটে দিতে হবে।

৭. নিষিদ্ধ লিখন: উত্তরপত্র ছাড়া টেবিল, স্কেল, নিজ দেহ বা অন্য কোথাও পরীক্ষার্থী কোনো কিছু লিখতে পারবে না।

৮. হল ত্যাগ: প্রশ্নপত্র বিতরণের পর অন্তত এক ঘণ্টা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা হলের বাইরে যেতে পারবে না।

৯. উত্তরপত্র জমা: পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর কর্তব্যরত ইনভিজিলেটরের কাছে উত্তরপত্র বুঝিয়ে দিয়ে তবেই পরীক্ষার হল ত্যাগ করতে হবে।

১০. কর্তৃপক্ষের নিয়ম: এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য সকল নিয়মাবলি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

পরীক্ষা চলাকালীন আচরণবিধি

পরীক্ষার হলে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

প্রশ্নপত্র বা অন্য কোনো মাধ্যমে কিছু লিখে অন্য পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বিনিময় করা যাবে না।

অন্যের উত্তরপত্র দেখে লেখা বা অন্যকে দেখানোর কাজে সহযোগিতা করা যাবে না।

উত্তরপত্র ইনভিজিলেটরের কাছে দাখিল না করে পরীক্ষার হল ত্যাগ করা যাবে না।

উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা পরিবর্তন বা কোনোভাবে বিনষ্ট করা যাবে না।

/আশিক


প্রকাশিত হলো একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির চূড়ান্ত ফল, যেভাবে জানবেন মনোনীত কলেজ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৯ ২০:০৭:৩২
প্রকাশিত হলো একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির চূড়ান্ত ফল, যেভাবে জানবেন মনোনীত কলেজ
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৮টার দিকে এ ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে এবং অনলাইনে আবেদনের সময় ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাঁদের চূড়ান্ত কলেজ মনোনয়ন ফলাফল জানতে পারবেন। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির নির্দেশনা অনুসারে, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়ে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনীত কলেজে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ভর্তির চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ধাপে মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন, যার মধ্যে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন বিভিন্ন কলেজে প্রাথমিক মনোনয়ন পান। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২ হাজার ২০৫ জনসহ মোট ১৪ হাজার ৪১৫ জন শিক্ষার্থী কলেজ পছন্দক্রমের জটিলতায় প্রথম ধাপে কোনো প্রতিষ্ঠানেই মনোনীত হতে পারেননি।

অন্যদিকে শিক্ষার্থী সংকটে পড়েছে দেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠান। পছন্দের তালিকায় কোনো শিক্ষার্থী নাম না দেওয়ায় অনুমোদিত ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীও মনোনীত হননি। পাশাপাশি আরও ৪১৬টি কলেজে কোনো শিক্ষার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি; ফলে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে এসব কলেজে ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষার্থী মেলেনি। গত ২ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া অনলাইন আবেদন কার্যক্রম ১৩ সেপ্টেম্বর সমাপ্ত হওয়ার পর চূড়ান্ত এই ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে কলেজ মনোনয়নের ডিজিটাল ধাপ সম্পন্ন হলো।

/আশিক


একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৬ ২১:০৮:৫৪
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম পর্যায়ের ফল বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত আটটায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। নির্ধারিত অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (https://xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল দেখতে পারছেন। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মেধার ভিত্তিতে পরিচালিত এই ভর্তি কার্যক্রমে চলতি বছর মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৯৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। নীতিমালা অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৫টি থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দের সুযোগ ছিল। সারা দেশের কলেজ ও মাদ্রাসায় প্রায় ২৫ লাখ আসন থাকায় বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার সম্ভাবনা থাকলেও শীর্ষস্থানীয় কলেজগুলোতে আসন সীমাবদ্ধতার কারণে জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী প্রথম পছন্দের প্রতিষ্ঠানে সুযোগ নাও পেতে পারে।

প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে

ভর্তি নিশ্চিতকরণ ও ফি প্রদান

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত আটটার মধ্যে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে ভর্তি নিশ্চায়ন (কনফার্ম) করতে হবে; ব্যর্থ হলে প্রাথমিক নির্বাচন ও সম্পূর্ণ আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

মাইগ্রেশনের ফল

শিক্ষার্থীদের দেওয়া পছন্দক্রম অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় মাইগ্রেশনের ফলাফল প্রকাশিত হবে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রাত আটটায়।

মূল ভর্তি কার্যক্রম

সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল ভর্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

ক্লাস শুরু

যাবতীয় ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।

ফল দেখার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘ভিউ রেজাল্ট’ অপশনে যেতে হবে। এরপর নির্ধারিত ঘরে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের সাল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে ইনপুট করতে হবে। সবশেষে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ক্যাপচা কোডটি টাইপ করে ‘সাবমিট’ করলেই শিক্ষার্থী কোন কলেজের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তা বিস্তারিতভাবে প্রদর্শিত হবে।

/আশিক


এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ কাল, জানা যাবে ৩টি উপায়ে

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৯ ২০:০৩:১৪
এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ কাল, জানা যাবে ৩টি উপায়ে
ছবি : সংগৃহীত

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর খাতা পুনঃনিরীক্ষণসহ সামগ্রিক মূল্যায়নের ফল আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ করা হবে। ফলপ্রত্যাশী আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত তিনটি পৃথক মাধ্যমে এই ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুসারে, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় একযোগে দেশের সব সাধারণ ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করা হবে। পাশাপাশি যেসব পরীক্ষার্থী ফলাফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন করার সময় নিজস্ব বা অভিভাবকের সচল মোবাইল নম্বর যুক্ত করেছিলেন, সেই নম্বরে সরাসরি ক্ষুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফল পৌঁছে দেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফল দেখতে পারবেন। দ্বিতীয়ত, আবেদনপত্রে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে পাঠানো এসএমএসের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ফল জানা যাবে। এ ছাড়া আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় নির্ধারিত ফলাফল পোর্টাল থেকেও প্রয়োজনীয় রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ইনপুট দিয়ে বিস্তারিত ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে। ফলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পর থেকে এই তিনটির যেকোনো একটি বিকল্প বেছে নিয়ে দ্রুত ফলাফল দেখার প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে বোর্ডের নতুন নীতিমালা প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৫ ২১:২২:১৬
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে বোর্ডের নতুন নীতিমালা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। নতুন এই নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রকাশিত নীতিমালায় পরীক্ষার মানবণ্টন ও বিষয়কাঠামোও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এতে জানানো হয়, মোট ৪০০ নম্বরের ভিত্তিতে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ১০০ নম্বর করে মোট ৩০০ নম্বর এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে বাকি ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিস্তারিত ও পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা জানতে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের অফিসিয়াল পোর্টালে চোখ রাখতে বলা হয়েছে।

/আশিক


এগিয়ে এলো জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, নতুন সূচি প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ১২:০১:১১
এগিয়ে এলো জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, নতুন সূচি প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্বঘোষিত শিক্ষাপঞ্জির তুলনায় পরীক্ষা এক সপ্তাহ এগিয়ে এনে আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। নতুন সূচি অনুযায়ী চার দিনে পাঁচ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং শেষ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ডিসেম্বর।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে গত ৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত এক সভায় সংশোধিত সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষার্থীদের জন্য একই সূচিতে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, নতুন সূচি অনুযায়ী ৮ ডিসেম্বর বাংলা, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ মাঝে বিরতি রেখে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জিতে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ১৫ ডিসেম্বর শুরু করে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়োজনের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। একই শিক্ষাপঞ্জিতে ৩০ ডিসেম্বর সম্ভাব্য ফল প্রকাশের তারিখ রাখা হয়। নতুন সিদ্ধান্তে পরীক্ষার শুরুর দিন সাত দিন এগিয়ে এলেও ফল প্রকাশের সময়সূচিতে কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যে নতুন কোনো তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।

এবারের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় মোট ৪০০ নম্বরের মূল্যায়ন হবে। পরীক্ষার ফল ও নির্ধারিত নীতিমালার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তির জন্য নির্বাচন করা হবে।

বাংলা, ইংরেজি ও গণিত এই তিনটি বিষয়ের প্রত্যেকটিতে থাকবে ১০০ নম্বর। প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষার্থীরা তিন ঘণ্টা করে সময় পাবে। ফলে মূল তিন বিষয়ের সম্মিলিত নম্বর হবে ৩০০।

অন্যদিকে বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মিলিয়ে থাকবে বাকি ১০০ নম্বর। এর মধ্যে বিজ্ঞানে ৫০ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। দুই বিষয়ের জন্য আলাদাভাবে দেড় ঘণ্টা করে মোট তিন ঘণ্টা সময় পাওয়া যাবে। একই দিনে এই দুই বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন সূচি অনুসারে প্রথম পরীক্ষা বাংলা দিয়ে শুরু হবে মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর। এক দিনের বিরতির পর বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর রোববার, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এবারের বৃত্তি পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সংশোধিত সূচি প্রকাশের ফলে পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির পরিকল্পনাতেও পরিবর্তন আনতে হবে। কারণ পূর্বনির্ধারিত ১৫ ডিসেম্বরের পরিবর্তে এখন ৮ ডিসেম্বর থেকেই পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নতুন সময়সূচি অনুসারে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।

-রফিক


ভিসা বাতিলের ঝুঁকি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের কড়া বার্তা ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২২ ২০:০৭:২৯
ভিসা বাতিলের ঝুঁকি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের কড়া বার্তা ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষারত বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার শর্তাবলি কঠোরভাবে মেনে চলার বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম লঙ্ঘন করে পড়ালেখা বন্ধ করা, নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা কিংবা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবহিত না করে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ালে শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হতে পারে। এর ফলে ভবিষ্যতে দেশটিতে নতুন করে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও স্থায়ী জটিলতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

শনিবার (২২ আগস্ট) দূতাবাসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা তুলে ধরা হয়। বার্তায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসার যাবতীয় বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে অনুসরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের আইনি ও বৈধ মর্যাদা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দূতাবাসের বার্তায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, কোনো শিক্ষার্থী যদি নিজের পড়াশোনা ছেড়ে দেয়, ক্লাসে অনিয়মিত হয়ে পড়ে অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া নিজ পাঠ্যক্রম ত্যাগ করে, তবে তার স্টুডেন্ট ভিসা বাতিল করা হবে। পাশাপাশি এমন অনিয়ম ভবিষ্যতে যেকোনো মার্কিন ভিসা পাওয়ার যোগ্যতাকেও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভিসাধারীদের অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত পূর্ণকালীন কোর্স চালিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক। তবে কোনো বিশেষ বা জরুরি পরিস্থিতিতে কোর্সের চাপ কমাতে হলে বা অধ্যয়নের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন দেখা দিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে পূর্বানুমোদন নেওয়া আবশ্যক।

অনুমোদন ছাড়া কোনো শিক্ষার্থী যদি পড়াশোনা ছেড়ে দেয়, নির্ধারিত ক্রেডিটের নিচে কোর্স ড্রপ করে কিংবা অনুমতি ব্যতীত কোনো কাজে যুক্ত হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার বৈধ শিক্ষার্থী পরিচয় বাতিল হতে পারে। একই সাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এই পরিবর্তনগুলোর তথ্য ‘স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ইনফরমেশন সিস্টেম’ (SEVIS)-এ নথিবদ্ধ করতে বাধ্য থাকে।

এ ছাড়া পাসপোর্টে ভিসার মেয়াদ থাকা মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান বৈধ থাকা নয়। যুক্তরাষ্ট্রে একজন শিক্ষার্থীর বৈধভাবে থাকা সম্পূর্ণ নির্ভর করে ভিসার শর্ত পূরণ এবং নির্ধারিত পাঠ্যক্রম সঠিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার ওপর। যেকোনো কারণে শিক্ষার্থী মর্যাদা বা বৈধ অবস্থান নষ্ট হলে পরবর্তী সময়ে মার্কিন ভিসা পাওয়ার পথ স্থায়ীভাবে রুদ্ধ হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, নির্ধারিত ক্রেডিট মেনে চলা এবং শিক্ষাক্রমে কোনো পরিবর্তন আনার আগে নিজ প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করার জন্য জোরালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরনের আইনি জটিলতা এড়াতে দূতাবাস থেকে ভিসার প্রতিটি শর্ত সতর্কতার সঙ্গে মেনে চলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট? জেনে নিন এসএসসি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের নিয়ম

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১০ ২১:০৩:৩৬
ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট? জেনে নিন এসএসসি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের নিয়ম
ছবি : সংগৃহীত

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা খাতা চ্যালেঞ্জের অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) থেকে। ফলাফলে সংক্ষুব্ধ বা অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এই আবেদনের সুযোগ পাবেন।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবার সম্পূর্ণ নতুন ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

যেভাবে আবেদন করতে হবে

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে নির্ধারিত শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট (https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd)-এ প্রবেশ করতে হবে। সেখানে নির্দিষ্ট জায়গায় রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ড্রপ ডাউন মেনু থেকে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে 'সাবমিট' বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর শিক্ষার্থীকে একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর দিতে হবে, যেখানে পরবর্তীতে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল পৌঁছাবে। পরের ধাপে বিষয়ের তালিকা দেখা যাবে। যেসব বিষয়ের ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে 'ফি প্রদান করুন' বাটনে চাপ দিতে হবে। উল্লেখ্য, দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে এবং প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।

ফি পরিশোধের প্রক্রিয়া

বিষয় নির্বাচনের পর মোট ফি প্রদর্শিত হবে। শিক্ষার্থী বিকাশ, নগদ কিংবা সোনালী সেবার মাধ্যমে এই ফি প্রদান করতে পারবেন। ফি পরিশোধের বিস্তারিত নির্দেশনা পোর্টালে যুক্ত নির্দেশিকায় পাওয়া যাবে। ফি পরিশোধের পর পুনরায় পোর্টালে এসে 'জমা দিন' বাটনে ক্লিক করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

বিষয় সংশোধন বা নতুন বিষয় যুক্ত করার নিয়ম

একবার আবেদন জমা দেওয়ার পর শিক্ষার্থী যদি চান অন্য কোনো বিষয় যুক্ত করতে, তবে একই উপায়ে নতুন বিষয় যোগ করা যাবে। সেই ক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

ফি জমা দেওয়ার আগে আবেদনের তথ্য পরিবর্তন করতে চাইলে 'মুছে ফেলুন' সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচিত বিষয় বাতিল করা যাবে। তবে একবার ফি পরিশোধ হয়ে গেলে নির্বাচিত বিষয় আর বাতিল বা পরিবর্তন করা যাবে না এবং জমা দেওয়া ফি কোনো অবস্থাতেই ফেরত দেওয়া হবে না।

শিক্ষা বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এবার কোনো ম্যানুয়াল বা কাগুজে আবেদন গ্রহণ করা হবে না। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি কেবল নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে।

/আশিক


শেখ হাসিনাকে ফেরাতে চাওয়া ৪০৪ শিক্ষকের ওপর নজরদারি করা হচ্ছে: ঢাবি উপাচার্য

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৮ ২১:৫৩:০৯
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে চাওয়া ৪০৪ শিক্ষকের ওপর নজরদারি করা হচ্ছে: ঢাবি উপাচার্য
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) আয়োজিত এই সভায় ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ৪০৪ জন শিক্ষক শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন, তাঁদের ওপর পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটিকে প্রতিহিংসা না উল্লেখ করে তিনি জানান, আইন অনুযায়ী অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভিন্নমতাবলম্বী শিক্ষকদের ওপর প্রশাসনিক নজরদারি ও নির্যাতনের কথা স্মরণ করেন। তিনি জানান, সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের 'সাদা দল'-এর সভায় প্রতিপক্ষের শিক্ষকদের কড়া নজরদারি থাকত এবং বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করে হুমকির মুখে রাখা হতো। এত প্রতিকূলতার পরও তৎকালীন সময়ে শিক্ষকরা দমে না গিয়ে রাজপথে নেমেছেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শুরুতে শিক্ষার্থীদের দাবি বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার হলেও, সরকারের ব্যাপক দমন-পীড়নের কারণে তা চূড়ান্ত রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানে। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের নৃশংসতার তুলনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল আর ২০২৪ সালে অর্জিত হয়েছে সেই পতাকার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার এক নতুন প্রত্যয়।

নতুন বাংলাদেশের অগ্রগতি ও সংস্কারের জন্য বর্তমান সরকারকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার আহ্বান জানান ঢাবি উপাচার্য। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরের জমকালো সব সমস্যা মাত্র পাঁচ মাসে সমাধান করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। গুম, খুন ও দমন-পীড়নের অবসান ঘটিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি সবার প্রতি একসঙ্গে কাজ করার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি শহীদদের রক্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি কোনো বৈষম্য, নিপীড়ন বা স্বৈরাচার ছাড়াই আইনের মাধ্যমে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।

/আশিক


এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬: শিক্ষা বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৮ ২১:৩৮:২১
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬: শিক্ষা বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরদিন থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া। আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এই আবেদনের সুযোগ পাবেন। আজ শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফল পুনর্নিরীক্ষণের এই সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত মেয়াদে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদন করার পদ্ধতি এবং এ সংক্রান্ত বিস্তারিত দিকনির্দেশনা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এর আগে আগামী ১০ আগস্ট (সোমবার) আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশের দিন ধার্য রয়েছে। ফলাফল প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীরা এসএমএস এবং নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তা সংগ্রহ করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল দেশজুড়ে একযোগে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়ে ২০ মে শেষ হয়। এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের ধারাবাহিক ঐতিহ্য বজায় রেখে এবারও নির্ধারিত সময়েই ফল ও পুনর্নিরীক্ষণের সূচি প্রকাশ করা হলো।

/আশিক

পাঠকের মতামত: