নতুন পে স্কেলে বড় ঘোষণা সামনে আলোচনার অন্তরালে কী ঘটছে

নতুন জাতীয় পে স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন ধাপে ধাপে কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল সোমবার বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত কমিশনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, যেখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা অংশ নেন। বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সময়োপযোগী বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করার বিষয়ে নানা আলোচনা হয়।
সভা শেষে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সাংবাদিকদের বলেন যে সচিবদের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। যদিও সব সচিব সভায় উপস্থিত থাকতে পারেননি, তাই অনুপস্থিত সচিবদের সঙ্গে শিগগিরই আলাদা করে বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি জানান, আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দ্রুতই সুপারিশ চূড়ান্ত করে রিপোর্ট জমা দেওয়া সম্ভব হবে।
সরকার গত ২৭ জুলাই জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সময়োপযোগী ও যথোপযুক্ত বেতন কাঠামো নির্ধারণে জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। এরপর ১ থেকে ১৫ অক্টোবর অনলাইনের মাধ্যমে সাধারণ নাগরিক, সরকারি চাকরিজীবী, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং অ্যাসোসিয়েশন বা সমিতি এই চার শ্রেণির মানুষের মতামত সংগ্রহ করা হয়। প্রশ্নমালাভিত্তিক এ মতামত কমিশনের সুপারিশ প্রণয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ পূর্বে জানিয়েছেন যে পে কমিশনের জন্য আলাদা একটি কমিশনও কাজ করছে। তিনটি রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই-বাছাই করে সুপারিশ চূড়ান্ত করা হবে। বর্তমান সরকার মূল কাঠামো তৈরি করবে, যা পরবর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। পে কমিশনকে সুপারিশ জমা দেওয়ার জন্য ৩০ নভেম্বরকে আলটিমেটাম দিয়েছেন কর্মচারী নেতারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুপারিশ না পেলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। একই দাবিতে আগামী ৫ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
-শরিফুল
পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্টে ফি নতুন নীতিমালা কার্যকর
বিদেশগামী যাত্রীদের পাসপোর্টে বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্টের ক্ষেত্রে ফি আদায়ে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা আনতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জাররা এখন থেকে এনডোর্সমেন্টের জন্য সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার বেশি ফি আদায় করতে পারবে না, এনডোর্সমেন্টের পরিমাণ যত বেশি বা কমই হোক না কেন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ (এফইপিডি) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার আলোকে মানি চেঞ্জারদের কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত বা গোপন ফি আদায় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, জিএফইটি ২০১৮ অনুসারে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জাররা বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নির্ধারিত বার্ষিক ভ্রমণ ভাতার আওতায় বিদেশি নোট, কয়েন এবং ট্রাভেলার্স চেক বিক্রি করতে পারবেন। এই লেনদেনের সময় যাত্রীর পাসপোর্ট ও বিমান টিকিটে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিল দিয়ে এনডোর্সমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও নির্দেশ দিয়েছে যে, মানি চেঞ্জারদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দৃশ্যমান স্থানে স্পষ্টভাবে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার এনডোর্সমেন্ট ফি প্রদর্শন করতে হবে, যাতে গ্রাহকরা আগে থেকেই ফি সম্পর্কে অবগত থাকতে পারেন। একই সঙ্গে গ্রাহকের কাছ থেকে ফি আদায়ের পর অবশ্যই রসিদ দিতে হবে এবং আদায়কৃত ফি সংক্রান্ত তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এর আগে জারি করা বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত অন্যান্য সার্কুলার ও নীতিমালা বহাল থাকবে। নতুন এই সিদ্ধান্ত মূলত যাত্রী হয়রানি কমানো, ফি আদায়ে একরূপতা নিশ্চিত করা এবং মানি চেঞ্জার খাতে জবাবদিহি বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই নির্দেশনা দেশের সব লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জার ও অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা ডিলারদের কাছে পাঠানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এ নির্দেশনা লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
-রাফসান
ঢাকার প্রেস থেকে ভোটকেন্দ্র: কীভাবে যাবে ব্যালট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬কে সামনে রেখে ব্যালট পেপারসহ সব নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহন ও বিতরণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে ঢাকা থেকে জেলা, জেলা থেকে উপজেলা এবং উপজেলা থেকে ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত পরিবহনের ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জারি করা এক পরিপত্রে নির্বাচন কমিশন জানায়, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর তালিকা অনুযায়ী ব্যালট পেপার মুদ্রণ করা হবে। এরই মধ্যে ডাকভোটে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধিত ভোটারদের জন্য প্রয়োজনীয় পোস্টাল ব্যালট, ওসিভি ও আইসিপিভি ব্যালট মুদ্রণ ও বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। সাধারণ ব্যালট পেপার মুদ্রণ করা হবে ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বিজি প্রেস, গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং প্রেস এবং সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে।
পরিপত্র অনুযায়ী, প্রতিটি নির্বাচনী আসনের জন্য রিটার্নিং অফিসারের পক্ষে একজন সিনিয়র সহকারী কমিশনার অথবা সহকারী কমিশনার এবং জেলা নির্বাচন অফিসারের পক্ষে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাকে ঢাকায় পাঠাতে হবে ব্যালট পেপার গ্রহণের জন্য। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত ক্ষমতাপত্র এবং প্রয়োজনীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য থাকতে হবে। ব্যালট গ্রহণের সময় প্রতিনিধিদের অবশ্যই প্রার্থীদের নাম ও প্রতীকসহ চূড়ান্ত তালিকা (ফরম-৫) যাচাই করতে হবে এবং কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসি জানায়, ভোটগ্রহণের আগের দিন সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রিজাইডিং অফিসাররা নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রের ব্যালট পেপার ও অন্যান্য নির্বাচন সামগ্রী গ্রহণ করবেন। ভোটকেন্দ্রে সামগ্রী পৌঁছানোর পর ভোটগ্রহণের আগের দিন প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতি ব্যতীত এক-দুজন সহকারী ছাড়া অন্য কর্মকর্তা কেন্দ্র ত্যাগ করতে পারবেন না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও নির্বাচনী সামগ্রীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পরিপত্রে স্থানীয়ভাবে ক্রয়যোগ্য কিছু মনিহারি দ্রব্যের তালিকাও উল্লেখ করা হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে বলপয়েন্ট কলম, সাদা ও কার্বন কাগজ, ছুরি, সুতা, মোমবাতি, দিয়াশলাই, গামপট, স্ট্যাম্প, প্যাডের কালি এবং বিভিন্ন নির্দেশনামূলক প্ল্যাকার্ড। এসব সামগ্রী স্থানীয়ভাবে ক্রয় বা মুদ্রণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত সব ফরম, প্যাকেট, ম্যানুয়েল, পোস্টার ও লিফলেট গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং প্রেস থেকে সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্ট্যাম্প প্যাড, অফিসিয়াল সিল, মার্কিং সিল, ব্রাস সিল, অমোচনীয় কালির কলম এবং হেসিয়ান ব্যাগ ইতোমধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে বলেও জানায় কমিশন। পাশাপাশি চার্জার লাইট, ক্যালকুলেটর ও স্ট্যাপলার মেশিন কেনার জন্য প্রিজাইডিং অফিসারদের নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, জেলায় সব নির্বাচনী সামগ্রী পৌঁছানোর পর তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করতে হবে। কোনো ঘাটতি, অতিরিক্ত সরঞ্জাম বা অসংগতি পাওয়া গেলে তা অবিলম্বে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।
-শরিফুল
ফ্যাসিবাদ রুখতে গণভোট কেন জরুরি? যা বললেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ
ভবিষ্যতের রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা আসীন হবেন, তারা যেন আর কখনোই স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সুযোগ না পান, তা নিশ্চিত করতেই আসন্ন গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরেন। অধ্যাপক রীয়াজ যুক্তি দেন যে, বাংলাদেশের বিদ্যমান সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে এমন কিছু মৌলিক ত্রুটি রয়েছে, যা শাসকদের ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে উৎসাহিত করে।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ তাঁর বক্তব্যে অত্যন্ত জোরালোভাবে বলেন যে, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়ী করার মাধ্যমেই আগামীর বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের পথ চিরতরে রুদ্ধ করতে হবে। তিনি মনে করেন, এই গণভোটের মাধ্যমেই দেশের আপামর জনগণ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন যে আগামীতে বাংলাদেশ ঠিক কোন আদর্শ ও পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ কার্যকর করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
ব্যালট পেপার ও ভোট প্রদানের নতুন পদ্ধতি আসন্ন নির্বাচনের দিন ভোটারদের জন্য ভোট প্রদানের প্রক্রিয়াটি কেমন হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন অধ্যাপক রীয়াজ। তিনি জানান, নির্বাচনের দিন প্রত্যেক ভোটার দুটি ভিন্ন রঙের ব্যালট পেপার পাবেন। এর মধ্যে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ থাকবে প্রথাগত সাদা ব্যালট এবং গণভোটের মতামতের জন্য ব্যবহার করা হবে বিশেষ রঙিন ব্যালট। কর্মশালায় উপস্থিত দেশের প্রায় সাড়ে চারশ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিও প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গণভোটের গুরুত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এনজিওদের সক্রিয় ও নিবিড় ভূমিকা পালন করতে হবে।
কর্মশালায় বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐক্যমত্য) মনির হায়দার। তিনি সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেন, গণভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবিত সংস্কারগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হলে দেশে একটি কার্যকর সংসদীয় ব্যবস্থা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য বা ‘চেকস অ্যান্ড ব্যালেন্স’ প্রতিষ্ঠিত হবে। অন্যথায় দেশ আবারও ৫ আগস্টের পূর্ববর্তী অস্থিতিশীল ও স্বৈরতান্ত্রিক অবস্থায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই অনুষ্ঠানে সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার গণভোটের কারিগরি জটিলতা এবং তাত্ত্বিক দিকগুলো বিশদভাবে অংশগ্রহণকারীদের সামনে উপস্থাপন করেন।
এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক মোঃ দাউদ মিয়া তাঁর বক্তব্যে মাঠপর্যায়ে জনসচেতনতা তৈরির পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, এনজিওগুলোর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে দেশের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ উপকারভোগী পরিবারের মধ্যে গণভোটের প্রয়োজনীয়তা ও পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে তাঁরা নিবিড়ভাবে কাজ করবেন। মূলত তৃণমূল পর্যায়ে জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কারের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই হবে এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।
ভারতের ৩ শহরে বাংলাদেশি পর্যটক ভিসা সীমিত ঘোষণা
ভারতের প্রধান শহরগুলোতে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনগুলো থেকে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য পর্যটক ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা, মুম্বাই এবং চেন্নাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনগুলো এখন থেকে সীমিত পরিসরে পর্যটক ভিসা ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও পর্যটন কেন্দ্র থেকে ভিসা প্রদানের প্রক্রিয়া সংকুচিত করার ফলে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশ ভ্রমণের সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে এল।
এর আগে রাজধানী দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান হাইকমিশন থেকে অনুরূপ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। একই ধারাবাহিকতায় উত্তর-পূর্ব ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ত্রিপুরার আগরতলা এবং আসামের গোহাটিতে অবস্থিত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনগুলো থেকেও ভারতীয় নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা সীমিত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। ফলে ভারতের প্রায় সবকটি প্রধান কূটনৈতিক পয়েন্ট থেকেই বাংলাদেশ ভ্রমণের আবেদন গ্রহণ ও পর্যটন ভিসা ইস্যু করার বিষয়টি এখন নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে চলে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট মিশনগুলোর পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে আসা এই ঘোষণাগুলো ভারতের সব প্রান্তের পর্যটকদের ওপর প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে কলকাতা ও চেন্নাইয়ের মতো শহরগুলো থেকে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাগরিক চিকিৎসার পাশাপাশি পর্যটনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে যাতায়াত করেন। দিল্লি থেকে শুরু হয়ে আগরতলা, গোহাটি এবং সর্বশেষ মুম্বাইসহ দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের মিশনগুলোতে এই সীমাবদ্ধতা কার্যকর হওয়ায় দুই দেশের মধ্যকার পর্যটন যাতায়াতে এক ধরণের স্থবিরতা বা মন্থর গতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বেতন নিয়ে বড় খবর! নবম পে স্কেলের সর্বনিম্ন দরের ৩ প্রস্তাব এল সামনে
বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের সর্বনিম্ন বেতন কাঠামো নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছে জাতীয় পে কমিশন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত পে কমিশনের একটি উচ্চপর্যায়ের পূর্ণাঙ্গ সভায় এই প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করা হয়। সভায় এই তিনটি বিকল্প প্রস্তাবের যেকোনো একটিকে চূড়ান্ত করার প্রাথমিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও, সামগ্রিক বেতন কাঠামো নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি কমিশন।
পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় কমিশনের পূর্ণাঙ্গ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই বৈঠকে নবম পে স্কেলের সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন প্রদান করা হয়। তবে বেতন কাঠামোর নিম্নবর্গের অঙ্কগুলো নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হলেও অন্যান্য ভাতার জটিলতায় আজ চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। এই সভার ওপর ভিত্তি করেই আগামী দিনের সরকারি চাকুরিজীবীদের আর্থিক ভাগ্য নির্ধারিত হতে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তিনটি ভিন্ন প্রস্তাবের গাণিতিক সমীকরণ সভার আলোচনার বিষয়ে পে কমিশনের একজন শীর্ষ সদস্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, সর্বনিম্ন বেতন স্কেল নির্ধারণে তিনটি সুনির্দিষ্ট অঙ্কের প্রস্তাব কমিশনের সামনে রয়েছে। এই প্রস্তাবগুলোর মধ্যে প্রথম ও সর্বোচ্চ প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন ২১ হাজার টাকা করার কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় প্রস্তাবে এই অঙ্কটি ১৭ হাজার টাকা এবং তৃতীয় তথা সর্বশেষ প্রস্তাবে সর্বনিম্ন ১৬ হাজার টাকা বেতন স্কেল করার সুপারিশ করা হয়েছে। মূলত দেশের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং সরকারি চাকুরিজীবীদের জীবনযাত্রার মান বিবেচনা করেই এই তিনটি ভিন্ন অঙ্কের প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে।
সর্বোচ্চ স্কেল ও অন্যান্য ভাতার জটিলতা সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিনটি প্রস্তাব আসলেও, নবম পে স্কেলের সর্বোচ্চ বেতন ঠিক কত হতে পারে—তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। এ বিষয়ে কমিশন সদস্য জানান যে, সর্বোচ্চ বেতনের অঙ্কটি এখনো চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে, মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি নিবিড়ভাবে জড়িত। এই অতিরিক্ত ভাতাসমূহ ঠিক কোন হারে প্রদান করা হবে, তা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ বেতন স্কেলের অঙ্কটি নির্ধারিত করা যাচ্ছে না। ফলে সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য বেতন কাঠামো ঠিক কেমন হবে, তা জানতে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।
উল্লেখ্য যে, এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় পে কমিশনের সভাপতি জাকির আহমেদ খান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ড. মোহাম্মদ আলী খান, এনডিসি, মো. ফজলুল করিম, মো. মোসলেম উদ্দীন এবং সদস্য সচিব মো. ফরহাদ সিদ্দিক। এ ছাড়াও সভার গুরুত্ব বিবেচনায় কয়েকজন খণ্ডকালীন সদস্যও অংশগ্রহণ করেন। কমিশন এখন এই তিনটি প্রস্তাবের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো বিশ্লেষণ করে দেখবে, যার ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী সময়ে সরকারের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়া হবে।
মার্কিন ভিসা বন্ড দুঃখজনক তবে অস্বাভাবিক নয়:পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশাধিকারে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন করে ‘ভিসা বন্ড’ বা আর্থিক জামানত আরোপের বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তবে বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও অভিবাসন সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্তকে তিনি খুব একটা ‘অস্বাভাবিক’ বলে মনে করছেন না। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন কড়াকড়ি এবং এর ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের প্রাথমিক অবস্থান স্পষ্ট করেন।
উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত কেবল বাংলাদেশের জন্য একক কোনো পদক্ষেপ নয়, বরং বিশ্বের আরও অনেকগুলো দেশ এই বন্ডের তালিকায় রয়েছে। তাঁর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মূলত যেসব দেশের নাগরিকদের নিয়ে অভিবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে, তাদের ওপরেই এই নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তৌহিদ হোসেন একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে বলেন যে, মার্কিন সোশ্যাল সিস্টেম বা সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা থেকে যারা আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেন, তাদের মধ্যে বাংলাদেশিদের সংখ্যা বর্তমানে সর্বাধিক। এই বিশেষ বাস্তবতায় মার্কিন প্রশাসনের নির্দিষ্ট কিছু দেশের ওপর এমন কঠোর শর্ত আরোপ করা তাঁর কাছে অপ্রত্যাশিত নয়।
দায়ভার ও নীতিগত অবস্থান এই পরিস্থিতির জন্য সরাসরি বর্তমান সরকারকে দায়ী করার সুযোগ নেই বলে দাবি করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, যদি এটি গত এক বছরের ঘটনার ফল হতো তবে বর্তমান প্রশাসন দায় নিত, কিন্তু এই অভিবাসন সমস্যাটি একটি দীর্ঘস্থায়ী পদ্ধতি। তাঁর মতে, এই অবস্থার জন্য যদি কোনো নীতিগত দায়ভার থেকে থাকে, তবে তা পূর্ববর্তী সকল সরকারের ওপরই সমানভাবে বর্তায়। ভিসা বন্ডের এই শর্ত বন্ধে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি জানান, প্রচলিত কূটনৈতিক পন্থায় বাংলাদেশ এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাবে। বাংলাদেশ যাতে এই কঠিন শর্ত থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি পায়, সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
ভিসা বন্ডের বিস্তারিত ও কার্যকর হওয়ার তারিখ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভ্রমণ বিষয়ক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ৩৮টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে এখন থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত জমা দিতে হবে। গত বছরের আগস্ট মাস থেকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন দেশের নাম এই তালিকায় যুক্ত করা হলেও, সর্বশেষ দফায় বাংলাদেশসহ আরও ২৫টি রাষ্ট্রকে এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে যুক্ত হওয়া এই দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য বন্ডের শর্ত আগামী ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে।
এই তালিকায় আলজেরিয়া, ভুটান, নেপাল, নাইজেরিয়া এবং ভেনেজুয়েলার মতো দেশের নাম থাকলেও বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দেশে-বিদেশে ব্যাপক আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই কৌশলী পদক্ষেপ মূলত অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং তাদের সামাজিক সুরক্ষা খাতের ওপর চাপ কমানোর একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই শর্তের ফলে সাধারণ শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াত অনেক বেশি ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যেসব জেলায় হাড়কাঁপানো শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে এলো নতুন দুঃসংবাদ
জানুয়ারির কনকনে ঠাণ্ডা আর হাড়কাঁপানো বাতাসের যৌথ দাপটে বর্তমানে স্থবির হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের স্বাভাবিক জনজীবন। দেশের বিস্তীর্ণ জনপদ এখন মৃদু থেকে মাঝারি ধরণের শৈত্যপ্রবাহের কবলে, যা বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য চরম ভোগান্তি বয়ে আনছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) আবহাওয়া অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সবকটি জেলাসহ দেশের অন্তত ২৪টি জেলায় এই হাড়কাঁপানো শীতের প্রভাব স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কুয়াশার দাপট এতটাই বেশি যে, দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের ১৬টি জেলা ছাড়াও গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলায় শৈত্যপ্রবাহের এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই এবং দেশের আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকা অঞ্চলে ঘন কুয়াশা পড়ার কারণে নৌযান ও সড়কপথে চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি যে তা দৃষ্টিসীমা কমিয়ে আনছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
নিম্নচাপ ও উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাব আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ বর্তমানে আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। এটি বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং এর অভিমুখ এখন পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি সম্ভবত শ্রীলঙ্কা উপকূল অতিক্রম করবে। এই নিম্নচাপের একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর পাশাপাশি ভারতীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি অংশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, যার ফলেই উত্তর থেকে আসা শীতল বাতাস সরাসরি ভূখণ্ডে প্রবেশ করছে।
তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার পরিসংখ্যান তাপমাত্রার পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ রেকর্ড করা হয়েছে চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গলে, মাত্র ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সাগরের কোল ঘেঁষে থাকা টেকনাফে তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রার এই বিশাল ব্যবধান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জলবায়ুগত বৈচিত্র্যকে তুলে ধরছে। রাজধানীতে আজ সকালে বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৮ শতাংশ, যা ভোরের দিকে শীতের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও রাতের তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তনের আভাস নেই।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হাড়কাঁপানো শীতের এই তীব্রতায় বিশেষ করে প্রবীণ ও শিশুরা ব্যাপকভাবে শ্বাসকষ্ট ও শীতকালীন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে নিম্ন আয়ের মানুষেরা খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। শৈত্যপ্রবাহের এই কঠিন পরিস্থিতিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। আগামী কয়েকদিন কুয়াশার দাপট ও শৈত্যপ্রবাহের এমন পরিস্থিতি বহাল থাকতে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা ধারণা করছেন।
ওষুধের দরে বড় চমক! এবার ২৯৫টি ওষুধের দাম বেঁধে দিল অন্তর্বর্তী সরকার
দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় লাঘব এবং জীবনরক্ষাকারী ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এক বড় ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) উপদেষ্টা পরিষদের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে ‘অত্যাবশ্যকীয়’ বা এসেনশিয়াল ড্রাগ লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে অতি প্রয়োজনীয় ওষুধের এই বিশেষ তালিকায় মোট ওষুধের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯৫টিতে।
এই সিদ্ধান্তের অন্যতম প্রধান দিক হলো মূল্য নিয়ন্ত্রণ। তালিকায় থাকা ২৯৫টি ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার এখন থেকে সুনির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত ওষুধের বাজারে অস্থিরতা রোধ এবং সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় রেখেই প্রশাসন এই সরাসরি মূল্য নির্ধারণের পথে হেঁটেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. সায়েদুর রহমান।
ব্রিফিংকালে সায়েদুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান যে, উপদেষ্টা পরিষদের সভায় নতুন করে আরও এক-দুটি ড্রাগ অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ এসেছে, যার ফলে চূড়ান্ত তালিকায় ওষুধের সংখ্যা ২৯৫ বা ২৯৬টি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী তালিকার তুলনায় এবারের সংশোধিত তালিকায় উল্লেখযোগ্যভাবে ১৩৫ থেকে ১৩৬টি নতুন ওষুধকে অগ্রাধিকার দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে। এই বর্ধিত তালিকাটি মূলত দেশের মানুষের চিকিৎসা সেবার মৌলিক চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে সায়েদুর রহমান আরও স্পষ্ট করেন যে, এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি ওষুধের ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য কার্যকর করা হবে। অর্থাৎ, বিক্রেতারা চাইলেই ইচ্ছেমতো দামে এসব ওষুধ বিক্রি করতে পারবেন না; বরং সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দেবে, সেই মূল্যেই তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। মানুষের চিকিৎসা ও ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই কঠোর নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে নতুন এই মূল্য ব্যবস্থা কার্যকর করার ক্ষেত্রে ওষুধ বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া হবে বলেও তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন। এই পদক্ষেপের ফলে দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্বাস্থ্য খাতে ওষুধের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তিতে আসিফ নজরুলের বড় সিদ্ধান্ত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতা ও যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’-এর খসড়া প্রস্তুত করেছে আইন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই অধ্যাদেশটি শিগগিরই অনুমোদনের জন্য উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে যারা জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিলেন এবং খুনিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম চালিয়েছিলেন, তাদের আইনি হয়রানি থেকে সুরক্ষা দেওয়াই এই আইনের মূল লক্ষ্য।
ড. আসিফ নজরুল তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “জুলাই যোদ্ধারা জীবন-বাজি রেখে দেশকে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্ত করেছিল। অবশ্যই তাদের দায়মুক্তির অধিকার রয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ফ্যাসিস্ট সরকারের খুনিদের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল, তার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। উপদেষ্টা মনে করেন, এ ধরনের আইন প্রণয়ন সম্পূর্ণ বৈধ এবং আন্তর্জাতিকভাবেও এর নজির রয়েছে। বিশেষ করে ‘আরব বসন্ত’ বা সমসাময়িক কালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনধিকৃত সরকারের পতনের পর এ ধরনের দায়মুক্তি আইন করা হয়েছে।
আইনি ভিত্তি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ড. আসিফ নজরুল বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করেছেন, যা সরকারকে দায়মুক্তি সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, ১৯৭৩ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধাদের সুরক্ষায় একই ধরণের দায়মুক্তি আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। আইন উপদেষ্টার মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে নিরাপদ রাখা বর্তমান সরকারের একটি পবিত্র দায়িত্ব। এই অধ্যাদেশ জারি হলে গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী কারো বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট সরকারের সমর্থকদের পক্ষ থেকে কোনো ধরণের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এই উদ্যোগকে ছাত্র-জনতার বিপ্লবকে স্থায়ী আইনি ভিত্তি দেওয়ার প্রথম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পাঠকের মতামত:
- কলকাতায় বাংলাদেশ ভিসা কেন্দ্র খোলা, আবেদন জমা পড়ছে
- ইরান সরকারকে হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- এসএসসি পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন, চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ
- পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্টে ফি নতুন নীতিমালা কার্যকর
- কোরআন ও হাদিসে জুমার নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত
- ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় ভোটে প্রভাব ফেলে না: মির্জা ফখরুল
- ডিএসইর সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বাজার বিশ্লেষণ
- পিএসএলে রেকর্ড, ১৮৫ কোটি রুপিতে বিক্রি যে দল
- খাগড়াছড়িতে রাতের অভিযানে অবৈধ গ্যাস গুদাম ধরা পড়ল
- আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ
- নবম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিন প্রস্তাব
- ঢাকার প্রেস থেকে ভোটকেন্দ্র: কীভাবে যাবে ব্যালট
- আজ টিভিতে যত খেলা: বিপিএল থেকে বুন্দেসলিগা
- আজ ঢাকায় বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান
- স্বর্ণের দামে ফের পতন, কমল রূপার দামও
- জবির ডি ইউনিটে তীব্র প্রতিযোগিতা, পরীক্ষা আজ
- দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মাউশির চিঠি, নেপথ্যে কী
- আজ নামাজের সময়সূচি ও সূর্যাস্ত
- আজকের আবহাওয়া আপডেট: কোথায় কতটা শীত
- আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
- জ্বালানি সংকটে নতুন আশার আলো! সূর্য আর পানিতেই বাজিমাত বিজ্ঞানীদের
- ফ্যাসিবাদ রুখতে গণভোট কেন জরুরি? যা বললেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ
- ডিসেম্বরের পর জানুয়ারিতেও বড় চমক! ৭ দিনেই রেমিট্যান্সের নতুন ইতিহাস
- আইসিসিকে নতুন চিঠি দিল বিসিবি, কী আছে এতে আর বিশ্বকাপের ভাগ্য কী?
- ভারতের ৩ শহরে বাংলাদেশি পর্যটক ভিসা সীমিত ঘোষণা
- এক চড়, দশ হাজার টাকা, আর চিরকালের নত মেরুদণ্ড
- শীতে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কেন বাড়ে? জানুন বাঁচার সহজ উপায়
- শীতের দাপটে সর্দি-কাশি? ৩টি জাদুকরী যোগাসনে মিলবে চিরস্থায়ী মুক্তি
- স্বাধীনতার নামে পতন, স্বপ্নের নামে ধ্বংস: গাদ্দাফি–পরবর্তী লিবিয়া কী পেল?
- বেতন নিয়ে বড় খবর! নবম পে স্কেলের সর্বনিম্ন দরের ৩ প্রস্তাব এল সামনে
- মার্কিন ভিসা বন্ড দুঃখজনক তবে অস্বাভাবিক নয়:পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
- বিশ্ববাজারে কেন কমল স্বর্ণের দাম? মার্কিন ডলারের দাপটে বিনিয়োগকারীদের দ্বিধা
- যেসব জেলায় হাড়কাঁপানো শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে এলো নতুন দুঃসংবাদ
- কেন বিদ্রোহীদের বহিষ্কার করছে বিএনপি? সালাহউদ্দিন আহমদের সোজাসাপ্টা জবাব
- ওষুধের দরে বড় চমক! এবার ২৯৫টি ওষুধের দাম বেঁধে দিল অন্তর্বর্তী সরকার
- ডলারের আধিপত্য ও তেলের নিয়ন্ত্রণ: ট্রাম্পের শুল্কের রাজনীতিতে কাঁপছে বিশ্ববাজার
- শীতে এলপিজির হাহাকার রুখতে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার
- জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তিতে আসিফ নজরুলের বড় সিদ্ধান্ত
- ভোক্তা ব্যয় কমবে কি,এলপিজি গ্যাস ভ্যাট নিয়ে পর্যালোচনা
- ৮ জানুয়ারি ডিএসই মেইন বোর্ডের লেনদেন চিত্র
- ডিএসইর আজকের বাজার সারসংক্ষেপ কী বলছে
- ডিএসইতে দরপতনে শীর্ষে আর্থিক খাতের শেয়ার
- আজকের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারগুলোর চিত্র
- আওয়ামী লীগ ছাড়লেন ৬১ ইউপি সদস্য, বিএনপিতে যোগদান
- পিএসএলে ১০ বাংলাদেশি ক্রিকেটার, আলোচনায় মোস্তাফিজ
- ভেনেজুয়েলাকে শুধু মার্কিন পণ্য কেনার নির্দেশ ট্রাম্পের
- বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক সংকেত: মিউচুয়াল ফান্ড বিশ্লেষণ
- রেকর্ড ডেটের আগে ও দিনে বন্ধ যে বন্ড
- রেকর্ড ডেট শেষে ফের লেনদেনে ফিরছে দুই সরকারি বন্ড
- সমতা লেদারের বার্ষিক নিরীক্ষায় উদ্বেগের বিষয়গুলো
- ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা কবে
- কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য লম্বা ছুটি ঘোষণা
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- নতুন বছরে স্বর্ণের বাজারে বড় পরিবর্তন, আজ থেকে সোনার দর নিম্নমুখী
- বুধবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- ৮ জানুয়ারি ডিএসই মেইন বোর্ডের লেনদেন চিত্র
- ৪ জানুয়ারি শেয়ারবাজারে আজ শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী তালিকা
- পেটের আলসার: কারণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
- কাত্তালী টেক্সটাইলের শেয়ারে নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর
- ০৫ জানুয়ারি আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
- অবশেষে অবসান হলো অপেক্ষার: বিশেষ আহ্বান নিয়ে হাজির ড. ইউনূস
- গয়না কেনার আগে দেখে নিন আজ কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দেশে
- এক নজরে ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের সর্বশেষ NAV
- আবহাওয়া অফিসের বড় দুঃসংবাদ, ধেয়ে আসছে হাড়কাঁপানো তীব্র শীত
- নাগরিকত্ব পেতে চান? জানুন কোন কোন দেশে খুব সহজে নাগরিকত্ব পাওয়া যায়








