ইউরোপজুড়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ক্ষোভ: মিলানে সংঘর্ষ, লিসবনে তাঁবু ফেলে বিক্ষোভ

ফ্রান্স ও স্পেনে শুরু হওয়া জীবনযাত্রার অতিরিক্ত ব্যয় ও আবাসন সংকটের তীব্র ক্ষোভের উত্তাপ এবার দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে ইতালি ও পর্তুগালেও। জীবনযাত্রার আকাশচুম্বী খরচ ও লাগামহীন বাসা ভাড়ার প্রতিবাদে শনিবার ইতালির মিলানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে, অন্যদিকে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে তাঁবু গেড়ে অবরুদ্ধ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন হাজার হাজার ক্ষুব্ধ নাগরিক।
মিলানের রাজপথে শনিবার অনুষ্ঠিত একটি শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা হঠাৎই সহিংস রূপ নেয়, যখন মুখোশধারী একদল বিক্ষোভকারী পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে এবং রাস্তার পাশের বারের টেবিল দিয়ে ব্যারিকেড গড়ে তুলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। দাঙ্গাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও প্রচুর টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘লাপ্রেস’-এর তথ্যমতে, এই সংঘর্ষে অন্তত দুজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন এবং অপ্রাপ্তবয়স্কসহ প্রায় ৫০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এই সহিংসতার কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেন, "বিক্ষোভ করার অধিকার সবার আছে, কিন্তু শহরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া ও নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"
এদিকে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের বিখ্যাত ‘রসিও স্কয়ারে’ তীব্র আবাসন সংকট সমাধানের দাবিতে প্রতীকী তাঁবু শিবির স্থাপন করেছেন আন্দোলনকারীরা। ২০১৫ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পর্তুগালে আবাসন ও বাসা ভাড়া খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে রেকর্ড ১২৪ শতাংশে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) গড় বৃদ্ধির প্রায় দ্বিগুণ। সরকারের নেওয়া ভাড়ানীতি সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলেছে অভিযোগ তুলে পর্তুগিজ প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনিগ্রোকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন লিসবনবাসী। পরিস্থিতির সংবেদনশীলতা মেনে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মন্টিনিগ্রো জানান, তিনি জনগণের কষ্ট বুঝতে পারছেন, তবে ফ্রান্সের উগ্র বিক্ষোভের মতো কোনো বাহ্যিক শক্তি যেন দেশকে অস্থিতিশীল করতে না পারে সে বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।
/আশিক
পুতিনের পক্ষ নিলে যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক ভুল করবে: সতর্ক করলেন জেলেনস্কি
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পক্ষ নিলে যুক্তরাষ্ট্র এক চরম ঐতিহাসিক ভুল করবে বলে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এই কঠিন বার্তা দিলেও তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজেদের অন্যতম বড় মিত্র হিসেবেই বিবেচনা করেন তিনি।
রোববার (১৮ অক্টোবর) মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এনবিসি নিউজের বিখ্যাত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার প্রদানকালে জেলেনস্কি বলেন, "আমরা এখনও ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিশ্বাস করতে চাই।" ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রপ্রধান আশা প্রকাশ করেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট খুব শিগগিরই তাঁর নেওয়া সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন করবেন, কারণ ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ ইউক্রেন বা যুক্তরাষ্ট্র কারও স্বার্থ রক্ষা করবে না। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া রাশিয়াবিরোধী নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সাময়িক ছাড় দিয়েছেন ট্রাম্প, যাকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের অনুকূল বলে উল্লেখ করেন। তা ছাড়া, বিশ্ববাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণে পুতিনের সঙ্গে সমঝোতা করে প্রচুর পরিমাণ রুশ ডিজেল আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড়ার পথ সুগম করেছেন ট্রাম্প।
সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, সম্প্রতি মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় রাশিয়ার ছোড়া প্রাণঘাতী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আগাম সতর্কতা পেতে ব্যর্থ হয় ইউক্রেন। যদিও বর্তমানে গোয়েন্দা সহযোগিতা পুনরায় চালু করা হয়েছে, তবুও ইলন মাস্কের মালিকানাধীন উপগ্রহ যোগাযোগব্যবস্থা ‘স্টারলিংক’ ও ‘স্টারশিল্ড’ ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ এখনো পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়নি।
এর পেছনে ট্রাম্প ও ইলন মাস্ক উভয়ের হাত থাকতে পারে বলে ধারণা জেলেনস্কির। ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার পক্ষ গ্রহণ করলে ইউক্রেনের জন্য টিকি থাকা অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে স্বীকার করে নিয়ে জেলেনস্কি জানান, ভুল বোঝাবুঝি অবসানে রোববারের শেষভাগে মার্কিন আলোচকদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রত্যক্ষ বৈঠকে বসার জন্য কিয়েভ প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
হুথি হামলার মুখে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত মিশর: প্রেসিডেন্ট সিসি
ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ বাহিনীর ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় যেকোনো প্রয়োজনীয় সামরিক ও প্রতিরক্ষা সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মিশর। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে কায়রোর আল-ইত্তিহাদিয়া প্রাসাদে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠকে এই নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বৈঠক শেষে মিশরের রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জানানো হয়, সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা, রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং পবিত্র ধর্মীয় স্থানগুলোর সুরক্ষায় কায়রো পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে রিয়াদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। সংঘাত নিরসনে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক আলোচনা জোরদারের তাগিদ দেওয়ার পাশাপাশি রিয়াদের পক্ষ থেকে সামরিক সমর্থনের সুনির্দিষ্ট অনুরোধ আসলে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে মিশর প্রস্তুত রয়েছে। এ উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট সিসিকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় মিশরীয় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন বা প্রয়োজনীয় সামরিক সহায়তা অনুমোদনের বিশেষ এখতিয়ার দিতে দেশের পার্লামেন্টে একটি বিশেষ জরুরি অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে।
ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর সৌদি সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরুদ্ধে হুথিদের লড়াই নতুন মাত্রা নিয়েছে। সম্প্রতি রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা ‘সৌদি আরামকো’র শোধনাগার লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক আক্রমণের প্রেক্ষাপটে মিশরীয় প্রেসিডেন্ট ইতোমধ্যে সৌদি রাজা সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে যৌথ পদক্ষেপের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মূলত লোহিত সাগরের কৌশলগত নৌপথ ও সুয়েজ খালের অর্থনৈতিক রাজস্ব রক্ষা কায়রোর জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে লোহিত সাগরে তেহরান সমর্থিত হুথিদের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার ঠেকাতে কায়রো এই প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান নিয়েছে, যদিও ইরানের পক্ষ থেকে হুথি হামলায় ইন্ধন জোগানোর অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করা হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
বিশ্ব রাজনীতির দৃশ্যপটে দুই মিত্র দেশের কূটনৈতিক ও সামরিক টানাপড়েন
রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে বড় ধরনের টানাপড়েন তৈরি হয়েছে। ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া বন্ধ বা সীমিত করার হুমকির পাশাপাশি রাশিয়ার ওপর নতুন কিছু নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা এবং মস্কো থেকে ডিজেল আমদানির বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের এসব নীতিগত পরিবর্তনে ইউক্রেন শিবিরে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যা রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় মার্কিন সাহায্য সংকুচিত হওয়ার পথ উন্মুক্ত করেছে।
জ্বালানির আন্তর্জাতিক বাজার ও অভ্যন্তরীণ উচ্চমূল্যের জন্য ইউক্রেন কর্তৃক রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে চালানো আক্রমণকে আংশিকভাবে দায়ী করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ নিয়ে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির তীব্র সমালোচনাও করেন। জবাবে জেলেনস্কি ট্রাম্পের এই অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে জানান যে, রাশিয়া অবিরাম আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ায় কিয়েভ তাদের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করবে না। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ তোলেন, বর্তমান মার্কিন প্রশাসন রাশিয়ার প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল অবস্থান গ্রহণ করছে এবং মস্কোর সঙ্গে জ্বালানি চুক্তি স্বাক্ষর ইউক্রেনের সঙ্গে একপ্রকার প্রতারণার শামিল।
এদিকে ওয়াশিংটনের নতুন পদক্ষেপের কারণে কিয়েভের সামরিক সক্ষমতা বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে মার্কিন উপগ্রহভিত্তিক যোগাযোগব্যবস্থা 'স্টারশিল্ড' নেটওয়ার্কে হঠাৎ বিধিনিষেধ ও ধীরগতি তৈরি হওয়ায় এবং গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ সীমিত করার আশঙ্কায় কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ও ড্রোন কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। সাবেক মার্কিন কূটনীতিক ড্যানিয়েল ফ্রিডের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন অবস্থান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার সম্ভাবনাকে ক্ষুণ্ন করে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াবে। তবে সব উত্তেজনার মধ্যেও ওয়াশিংটনের সাথে সম্পর্কের সুতা টিকিয়ে রাখতে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে কিয়েভের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
সূত্র: রয়টার্স
মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে প্রবাসীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় আন্তর্জাতিক আইনি বিতর্ক
মসজিদে ‘অনৈতিক’ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তাঁদের পরিবার কিংবা বাংলাদেশ দূতাবাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানানোয় দেশটি কূটনৈতিক ও কনস্যুলার সম্পর্কবিষয়ক ‘ভিয়েনা সনদ’ লঙ্ঘন করেছে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক ও আইনি বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য ও ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
জেদ্দায় বাংলাদেশ দূতাবাসের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে ওই দুই বাংলাদেশির আটক, বিচারিক প্রক্রিয়া কিংবা চরম দণ্ড কার্যকরের বিষয়ে সৌদি কতৃপক্ষ পূর্বাহ্নে দূতাবাসকে কোনো তথ্য জানায়নি। বিষয়টি তারা প্রথম জানতে পারে সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গণমাধ্যমের সংবাদের মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক কনস্যুলার আইন (ভিয়েনা কনভেনশনের ৩৬ অনুচ্ছেদ) অনুযায়ী, কোনো বিদেশি নাগরিক অন্য কোনো দেশে আটক বা অভিযুক্ত হলে তাঁকে কনস্যুলার সহায়তা পাওয়ার অধিকার সম্পর্কে অবহিত করা এবং তাঁর সম্মতিক্রমে নিজ দেশের দূতাবাসকে অবিলম্বে জানানোর সুস্পষ্ট নিয়ম রয়েছে। তবে সৌদি আরব তাঁদের অভ্যন্তরীণ শরিয়াহ বিচারব্যবস্থার আওতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বাংলাদেশকে আগে থেকে অবহিত করার বিষয়ে তাঁরা কতটা বাধ্য ছিল, তা নিয়ে কূটনৈতিকদের মধ্যে কিছুটা দ্বিমত রয়েছে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরের মতে, বিচার কার্যক্রম সৌদি আরবের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ আইনি কাঠামোর অধীনে সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো তাদের জন্য বাধ্যতামূলক নাও হতে পারে। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা চাওয়া হলে তাঁরা জবাব দিতে পারে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ড. রায়হান রশীদ মনে করেন, দীর্ঘ বিচারিক ও আপিল প্রক্রিয়া শেষে যেহেতু রাজকীয় আদেশে এই রায় কার্যকর হয়েছে, সেহেতু এটি এক দিনে ঘটা বিষয় নয়। ফলে দূতাবাস বা ভিকটিম পরিবারকে বারবার কনস্যুলার সুবিধার কথা অবহিত করা সৌদি কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ছিল এবং এ ক্ষেত্রে বিষয়টি দূতাবাসের নজর এড়ানো বা না জানতে পারাটাও একটি বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন তৈরি করে।
উল্লেখ্য, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশি হলেন নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতার। মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের বরাতে জানা যায়, মক্কার একটি মসজিদে পবিত্রতা ক্ষুণ্ন করে অশালীন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে সৌদি পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করেছিল। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে শরিয়াহ আইনের ‘তাআজির’ (বিচারকের স্বেচ্ছাধীন শাস্তি) বিধানে বিচারিক আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন, যা পরবর্তীতে উচ্চতর আদালত ও রাজকীয় নির্দেশে বহাল থেকে গত বুধবারে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে তাঁদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে নাকি সৌদি আরবেই দাফন করা হবে—তা নিয়ে প্রক্রিয়াগত জটিলতা দেখা দিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
ইসরায়েলের সহায়তা প্রস্তাব সৌদি আরবের নেওয়া উচিত: ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ বাহিনীর বিরুদ্ধে চলমান সামরিক সংঘাত মোকাবিলায় ইসরায়েলের দেওয়া সহায়তার প্রস্তাব সৌদি আরবের গ্রহণ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইসরায়েলের এই সহায়তার মনোভাবকে ‘অত্যন্ত সাহায্যকারী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং একই সঙ্গে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে নিকট ভবিষ্যতে রিয়াদ ও জেরুজালেমের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া নতুন করে বেগবান হতে পারে।
গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জর্জিয়ায় এক নির্বাচনী সমাবেশে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন ট্রাম্প। সৌদি আরবের ইসরায়েলি সহায়তা নেওয়া উচিত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান যে, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তায় ইসরায়েল সৌদি আরবকে উল্লেখযোগ্য সহায়তা করতে সক্ষম।
একই সঙ্গে ২০২০ সালের ঐতিহাসিক ‘আব্রাহাম চুক্তি’তে সৌদি আরবের যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ট্রাম্প অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সৌদি আরব ইসরায়েল ও আমেরিকার সমর্থন পেয়ে সন্তুষ্ট এবং চুক্তি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা এখন আগের চেয়েও অনেক বেশি। এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন যে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় প্রতিটি দেশই এখন নানা প্রয়োজনে তাদের কাছে সাহায্য চাইছে।
চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে ইয়েমেনে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকেই হুথিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত অবকাঠামো, তেল ট্যাংকার এবং বিমানবন্দরে একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়নের অপেক্ষায় থাকা কায়রোগামী একটি যাত্রীবাহী বিমানের কাছে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে এবং প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হন।
ওদিকে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন যে সৌদি জোট সানা, হোদেইদা, মারিবসহ বিভিন্ন স্থানে দুই হাজার চার শরও বেশি বিমান হামলা চালিয়ে সাধারণ বেসামরিক মানুষদের হতাহত করেছে। সৌদি আরবে উদ্ভূত এই টানা সংঘাতের কারণে সেদেশে মার্কিন দূতাবাস তাদের নাগরিকদের জন্য আকাশসীমা বন্ধ ও ভ্রমণ সতর্কবার্তা জারি করেছে।
তবে হুথি বাহিনীদের পরিচালিত এই হামলাগুলোতে ইরানের প্রত্যক্ষ ইন্ধন ও সমর্থন রয়েছে বলে রিয়াদ যে অভিযোগ তুলেছে, তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেন যে দীর্ঘদিনের বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ ও অবরোধ কোনো টেকসই সমাধান আনতে পারেনি। ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী নিজেদের সিদ্ধান্তেই সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট জানান যে, সংঘাত থামানোর স্বার্থে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো রাজি থাকলে ইরান যেকোনো ধরনের মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।
/আশিক
জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে ফ্রান্স
ফ্রান্সজুড়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম এবং সরকারি পরিষেবার মান অবনতির প্রতিবাদে দেশটির বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে বিক্ষোভ করেছেন। গত শনিবার অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য, বিভিন্ন পেশার শ্রমিক এবং সুপরিচিত ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের সমর্থকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। উন্নত ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা, পর্যাপ্ত উচ্চ মজুরি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন দাম কমানো এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়নের দাবিতে মূলত সাধারণ মানুষ একত্রিত হন, যা বর্তমান সরকারের ওপর সামাজিক অসন্তোষ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
রাজধানী প্যারিসে কয়েক শ বিক্ষোভকারী, যাদের অধিকাংশই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, গার দু নরড রেলস্টেশনের নিকটবর্তী এলাকায় জড়ো হয়ে প্রধান সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তোলে, অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করে এবং প্লাস দ্য লা রিপাবলিকসহ গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলের আশপাশের বেশ কয়েকটি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। এ সময় বিক্ষুব্ধদের একাংশ একটি স্মৃতিস্তম্ভে উঠে পড়ে এবং পুলিশের দিকে জ্বলন্ত ফ্লেয়ার বা অগ্নিসঙ্কেত ছুড়ে মারলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বাধ্য হয়ে কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইয়েও মুখোশধারী বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে একই ধরনের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালের মধ্যেই প্যারিস থেকে অন্তত ৪০ জনকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, নিরাপত্তার স্বার্থে পরিচালিত তল্লাশির সময় কাছে অস্ত্র বা নিষিদ্ধ সুরক্ষাসামগ্রী রাখার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। দেশজুড়ে চলমান এই ব্যাপক বিক্ষোভ মূলত দেশের তীব্র অর্থনৈতিক সংকট এবং শিক্ষা খাতের দীর্ঘস্থায়ী বিভিন্ন সমস্যার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। ‘ইউনিয়ন সাঁদিকাল লিসেয়েন’-এর মতো বিভিন্ন শিক্ষার্থী সংগঠন বেশ কিছুদিন ধরেই শিক্ষকসংকট, অতিরিক্ত শিক্ষার্থীপূর্ণ জনাকীর্ণ শ্রেণিকক্ষ এবং স্কুলগুলোর জরাজীর্ণ অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে আসছিল।
শিক্ষার্থীদের এই স্থানীয় আন্দোলন পরবর্তীতে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ও চড়া জ্বালানি মূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের সঙ্গে একাকার হয়ে যায়। ফলে এতে বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন এবং ২০১৮ সালে ফরাসি ভূখণ্ডে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করতে ইচ্ছুক বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠীও সমর্থন জুগিয়েছে। চলমান এই উত্তেজনার মধ্যেই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ প্রদর্শনের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি তার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি বিক্ষোভকারীদের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার কড়া তাগিদ দেন।
ওদিকে দেশের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু সংঘটিত সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মন্তব্য করেন যে, এই অস্থিরতাকে কেবল সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন হিসেবে দেখা ভুল হবে, বরং এটি অনেকাংশেই একধরনের শহুরে সহিংসতা। এ সময় তিনি বামপন্থী রাজনৈতিক দল ‘লা ফ্রঁস ইনসুমিজ’ এবং দলটির শীর্ষ নেতা জঁ-লুক মেলঁশোঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের এই পুঞ্জীভূত অসন্তোষকে নিজেদের সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে অপব্যবহার করার জোরালো অভিযোগ তোলেন। অন্যদিকে, শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে অবিলম্বে সব ধরনের সহিংসতা ও ভাঙচুর বন্ধের আহ্বান জানিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল দাবি ও উদ্বেগগুলো আলোচনার মাধ্যমে নিরসনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি বিদ্যালয় সরেজমিন পরিদর্শন করেন। অন্যদিকে, অতি ডানপন্থী ‘ন্যাশনাল র্যালি’ দলের নেতা জর্দান বারদেলা সামগ্রিক বিক্ষোভের এই অবনতিশীল পরিস্থিতি এবং বামপন্থী নেতা মেলঁশোঁর প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সবমিলিয়ে বহুমুখী অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মুখে ফরাসি সরকারের ওপর এই তীব্র গণবিক্ষোভ বড় ধরনের রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে। যদিও সরকার আলোচনার মাধ্যমে খুব দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা এবং জনজীবনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে আসছে, তবুও বিক্ষোভকারীরা পরিবারের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাস, শিক্ষা খাতে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন বৃদ্ধি এবং সরকারি পরিষেবার মান বাড়ানোর দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন।
সূত্র: বিবিসি
হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করল ইরানের আইআরজিসি
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযোগকারী অত্যন্ত কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও তেলবাহী জাহাজ চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি। সাম্প্রতিক সময়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে একের পর এক তেলবাহী ট্যাংকারে রহস্যজনক হামলার ঘটনার প্রেক্ষাপটে দেশটির সামরিক বাহিনী এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) আইআরজিসির নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো দেশেরই কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যদি কোনো জলযান প্রণালি অতিক্রম করার দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের অত্যন্ত কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর সুরক্ষা বা সহায়তার ওপর ভরসা করে এই নৌপথ পাড়ি দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করা হবে এবং এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়তে হতে পারে বলে চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।
এর আগে সম্প্রতি হরমুজ প্রণালির পানির নিচে পেতে রাখা মাইনের আঘাতে একটি বিশালাকার তেলবাহী ট্যাংকারে ভয়াবহ আগুন ধরে যাওয়ার সংবাদ বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল। ঠিক তার পরের দিনই সৌদি আরবের সমুদ্রসীমার কাছাকাছি এলাকায় আরও অন্তত দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে রহস্যজনক হামলার ঘটনা ঘটে। পরপর সংঘটিত এই বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সামগ্রিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম প্রধান ও সংবেদনশীল জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে পরিচিত এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরল গ্যাস বিশ্ববাজারে পরিবাহিত হয়। ফলে এই কৌশলগত নৌপথে জাহাজ চলাচল আকস্মিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ চেইনে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওপর পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
/আশিক
জাহাজে হামলার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বৃদ্ধি
গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির কাছে গত ২৪ ঘণ্টায় জোড়া কার্গো জাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পৃথক হামলায় অজ্ঞাত বস্তু বা প্রজেক্টাইলের আঘাতে জাহাজ দুটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর লোহিত সাগর ও সংলগ্ন আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিমজ্জিত হয়। এই মর্মান্তিক ও নাশকতামূলক ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল পরিবহন ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সিএনএনের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী বিশালাকার কনটেইনার জাহাজ ‘জিএফএস প্রাইড’ আচমকা প্রজেক্টাইলের আঘাতের শিকার হয়। এতে জাহাজটিতে মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ আগুন ধরে যায় এবং পরবর্তীতে তা সমুদ্রের পানিতে ডুবে যায় বলে সিঙ্গাপুরের মেরিটাইম অ্যান্ড পোর্ট অথরিটি নিশ্চিত করেছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, জাহাজটির সব নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
সিএনএন কর্তৃক যাচাইকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, জাহাজটি সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার সময় সেখান থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উদগিরণ হচ্ছিল। স্যাটেলাইট চিত্রেও ঘটনাস্থলজুড়ে পণ্যসামগ্রী এবং তেলের বড় স্তর ভাসতে দেখা গেছে। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি দাবি করেছে যে অননুমোদিত পথে চলার সময় এটি সমুদ্রের মাইন বিস্ফোরণে ডুবেছে, তবে সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা—এটি ড্রোন বা প্রজেক্টাইল হামলার ফল।
অন্যদিকে, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার পতাকাবাহী আরেকটি বাণিজ্যিক জাহাজ ‘কেপ দাও’ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) নিশ্চিতকরণ অনুযায়ী বুধবার সাগরে ডুবে যায়। গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রথম দফায় প্রজেক্টাইলের আঘাতে জাহাজটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং ওই ঘটনায় এক ভারতীয় নাবিক প্রাণ হারান। আইএমওর তথ্য মতে, চলতি বছর হরমুজ প্রণালিতে একাধিক জাহাজে নাশকতা চালানো হলেও ফেব্রুয়ারিতে সংঘাত জোরদার হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় জাহাজ ডুবে যাওয়ার এটি দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঘটনা। গত সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে আন্তর্জাতিক এই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও লাফিয়ে বেড়েছে।
সূত্র: সিএনএন
সিরিয়ার দারা প্রদেশে বাড়ি ও গুদামে ইসরায়েলি সেনাদের অগ্নিসংযোগ
সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় দারা প্রদেশের পশ্চিম দারার ওয়াদি আল-রাক্কাদ এলাকায় একটি বাড়ি ও পশুখাদ্য সংরক্ষণের গুদামে অগ্নিসংযোগ করেছে ইসরায়েলি সেনারা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল ইখবারিয়া টিভির খবরে বলা হয়, ইসরায়েলি সেনারা ওই এলাকায় আকস্মিক অভিযান চালিয়ে একটি আবাসিক বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে। পরবর্তীতে বাড়িটিতে এবং তার কাছাকাছি অবস্থিত পশুখাদ্য সংরক্ষণের একটি গুদামে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই আকস্মিক নাশকতার ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। পুরো বিষয়টির ওপর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।
উল্লেখ্য, সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ সরকারের পতনের পর গত ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে দেশটিতে নিজেদের সামরিক তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। বিভিন্ন কৌশলগত সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলার পাশাপাশি ইসরায়েল-অধিকৃত গোলান মালভূমির বাফার জোনে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি ক্রমান্বয়ে সম্প্রসারিত করে চলেছে দেশটি। ইসরায়েলি এই অনধিকার প্রবেশ এবং ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আসছে সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ। দামেস্কের স্পষ্ট অভিযোগ, ইসরায়েলের এই ধরনের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড সরাসরি সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
একই সঙ্গে ১৯৭৪ সালের বিচ্ছিন্নতা চুক্তিতে নির্ধারিত নির্দিষ্ট অবস্থানে ইসরায়েলি বাহিনীকে অবিলম্বে ফিরে যাওয়ার জোরালো আহ্বান জানিয়ে আসছে সিরিয়া। এদিকে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহত করার লক্ষে পারস্পরিক সমঝোতা এবং ১৯৭৪ সালের ঐতিহাসিক চুক্তি পুনর্বহালের লক্ষ্যে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় মধ্যস্থতায় দামেস্ক ও তেল আবিবের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: আল-ইখবারিয়া টিভি ও আনাদোলু এজেন্সি
পাঠকের মতামত:
- ইউরোপজুড়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ক্ষোভ: মিলানে সংঘর্ষ, লিসবনে তাঁবু ফেলে বিক্ষোভ
- পুতিনের পক্ষ নিলে যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক ভুল করবে: সতর্ক করলেন জেলেনস্কি
- সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের জটিলতার অবসান, প্রকাশ্যে নতুন ডিজিটাল টুলস
- রাজধানী ঢাকার প্রশাসনিক মানচিত্রে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের বড় সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভায়
- মেধা বিকাশে নতুন উদ্যোগ: এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেবে সরকার
- মিথ্যা তথ্য দিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে সাইমা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- হুথি হামলার মুখে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত মিশর: প্রেসিডেন্ট সিসি
- এআই ভুয়া আইডি ও গুজব রুখতে সাধারণদের জন্য বিনামূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ আনছে ফেসবুক
- জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে বিএনপি: জামায়াত আমির
- বাংলাদেশে ৩৯০ কোটি টাকার অনুদান ও নতুন বিনিয়োগ ঘোষণা করল কানাডা
- পাকিস্তানে প্রতি ৩ জন প্রাপ্তবয়স্কের ১ জন মানসিক রোগে আক্রান্ত: ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল
- আওয়ামী লীগকে জামায়াতই মাফ করে দিতে চেয়েছিল, বিএনপি নয়: রুহুল কবির রিজভী
- বিশ্ব রাজনীতির দৃশ্যপটে দুই মিত্র দেশের কূটনৈতিক ও সামরিক টানাপড়েন
- তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২০ ঘণ্টার সতর্কবার্তা
- সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে অনিশ্চয়তা ও দরপতন
- এক হাতে পিস্তল ও অন্য হাতে মাইক নিয়ে ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী ধাওয়া
- সংযুক্ত আরব আমিরাতে আন্তর্জাতিক সিরিজের প্রথম ম্যাচে টানটান উত্তেজনা
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৩ দফা দাবি জানাল জাতীয় নাগরিক পার্টি
- মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে প্রবাসীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় আন্তর্জাতিক আইনি বিতর্ক
- ইসরায়েলের সহায়তা প্রস্তাব সৌদি আরবের নেওয়া উচিত: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- দিল্লিতে নতুন মুচলেকায় স্বাক্ষর করে শর্তসাপেক্ষ জামিন পেলেন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে
- বিদেশের ঘরোয়া লিগে বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডারের নতুন গন্তব্য
- ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার, সংবিধান প্রদত্ত অধিকার রক্ষা করতে হবে: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- ত্রিদেশীয় সিরিজের শুরুতে বড় ধরনের ধাক্কা খেল টাইগাররা
- ঢাকা থেকে রিয়াদগামী ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- মহাকাশে সবুজ ও গোলাপি রঙের ব্যতিক্রমী শ্বেত বামন নক্ষত্রের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা
- নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তুলার গুদামে ভয়াবহ আগুন
- জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে ফ্রান্স
- হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করল ইরানের আইআরজিসি
- দেশের পর্যটন কেন্দ্রে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনায় বড় ক্ষয়ক্ষতি
- মাত্র সাড়ে চার ঘণ্টায় রাজধানীর ১৩টি স্পট আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- সীমান্ত এলাকায় মাদক নিয়ে লেখালেখির জেরে সাংবাদিক খুন
- আসন্ন আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টের আগে বাংলাদেশ শিবির নিয়ে বড় আপডেট
- ২১টি ইউনিটের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এল টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন
- পর্যটকদের জন্য অবশেষে উন্মুক্ত হলো সাজেক ভ্যালি
- বৈশ্বিক এক মঞ্চে আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন রূপরেখা তুলে ধরল ঢাকা
- অস্ট্রেলিয়ান টি-টোয়েন্টি লিগে খেলার সুসংবাদ পেলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটার
- দীর্ঘ কর্মঘণ্টা যেভাবে নিঃশব্দে ক্ষতি করছে আপনার হৃদযন্ত্রের
- আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই বাংলাদেশে আসছে অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্র ‘স্ট্রিট ফাইটার’
- দেবিদ্বারে জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজে নবীনবরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
- দেবিদ্বারে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক: তদন্তের দাবি ও বিএনপির বিক্ষোভ
- ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না যারা: জেনে নিন ৮টি বর্জনীয় শর্ত
- জাহাজে হামলার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বৃদ্ধি
- শেখ হাসিনা ও বেনজীর আহমেদের বিষয়ে যৌথ তদন্ত দলের কার্যক্রম অব্যাহত
- একটি চক্র সরকার ও দেশের ভাবমুর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে: রুহুল কবির রিজভী
- সিকা সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য বয়কট করল বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে প্রধান করে নতুন কমিটি গঠন সরকারের
- সিরিয়ার দারা প্রদেশে বাড়ি ও গুদামে ইসরায়েলি সেনাদের অগ্নিসংযোগ
- সৌদিগামী প্রবাসীদের জন্য বিকল্প যাত্রাপথের ব্যবস্থা করল বিমান কর্তৃপক্ষ
- ২০২৭ সালে কবে শুরু রোজা? সম্ভাব্য তারিখ জানাল আমিরাত
- রাশিয়ার ডিজেল চুক্তির পরও আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম
- জনমতের আশঙ্কায় ইসরায়েলি সহায়তা নিতে নারাজ মোহাম্মদ বিন সালমান
- হামলার পূর্বভাস কেন দেওয়া হলো না? সৌদি সরকারের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন
- বোলারদের ব্যর্থতা ও ক্যাচ মিসে জয় হাতছাড়া নাজমুল হোসেন শান্তদের
- নেপালি পর্যটকদের সরাসরি কক্সবাজার ভ্রমণে নতুন সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা
- ওজন ও ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে ঘরেই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু তিন ধরনের সালাদ
- ন্যাটো ভূখণ্ডে হামলা হলে সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি কমান্ডারের
- আত্মপ্রকাশের দুই বছরে কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি
- কত পুলিশ আনবেন আনুন, ভয় পাই না: অমিত শাহকে রাহুল গান্ধীর কড়া বার্তা
- মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা: মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপদ আশ্রয়ের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা
- বিচ্ছেদের পরও সাবেক স্ত্রীর নতুন জীবনের পাশে স্পাইডার-ম্যান
- আর কখনো ক্যাম্পাসে না ফেরার শর্তে চুয়েট ছাড়লেন নতুন উপাচার্য
- বিশ্ববাজারে টানা তৃতীয় সেশনে কমল স্বর্ণের দাম








