জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা সঠিকভাবে খরচের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১১ ২০:৩১:০৪
জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা সঠিকভাবে খরচের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা যেন সঠিকভাবে দেশ ও মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক ও সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করেন। কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দেবে, তবে খেয়াল রাখতে হবে এটি জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ। এই অর্থের প্রতিটি পয়সা যেন দেশের স্বার্থে সঠিকভাবে ব্যয় হয়, সেদিকে সবাইকে গভীর মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সরকারি দায়িত্ব পালনকে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার একটি বিশেষ সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার তুলনায় সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা অনেক দিক থেকে সুবিধাপ্রাপ্ত অবস্থানে আছেন। আল্লাহতায়ালা সবাইকে দেশ ও মানুষের সেবা করার যে সুযোগ দিয়েছেন, যার যার অবস্থান থেকে তা আন্তরিকভাবে কাজে লাগানোর তাগিদ দেন তিনি। দায়িত্ব পালনের সুযোগ সবসময় স্থায়ী হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যিনি যখন যে দায়িত্বে আছেন, সেই সুযোগকে দেশ ও জাতির কল্যাণে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।

এ সময় সরকারি কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয়ভাবে নিজেদের মতামত তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন স্তরে কর্মরত কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও বাস্তব পর্যবেক্ষণ সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ভবিষ্যতে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে পরবর্তী বৈঠকে কর্মকর্তারা আরও খোলামেলাভাবে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ তুলে ধরবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উক্ত পর্যালোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সচিব দেলোয়ার হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

/আশিক


টেকসই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করছে বাংলাদেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১১ ২০:০৬:৩৭
টেকসই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করছে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

মিয়ানমারে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের (এফডিএমএন) নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এটি বাস্তবায়নে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগ আরও জোরালো করা হচ্ছে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

রবিবার রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের অন্তরা হলে ‘ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ’ (এফএসডিএস) আয়োজিত ‘রোহিঙ্গা ক্রাইসিস : ওয়ে ফরওয়ার্ড - টুওয়ার্ডস সাসটেইনেবল রিপ্যাট্রিয়েশন অ্যান্ড আ ডিউরেবল রিজিওনাল সলিউশন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন। এফএসডিএস-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রীর পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে একা বাংলাদেশের একার প্রচেষ্টা পর্যাপ্ত নয়। এজন্য চীন, আসিয়ান, জাতিসংঘ ও জাপানসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে যুক্ত করে একটি কৌশলগত আঞ্চলিক জোট এবং সুসমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা অপরিহার্য।

সম্প্রতি জাপান সরকারের মিয়ানমার বিষয়ক জাতীয় পুনর্মিলন সংক্রান্ত বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাসাকাওয়ার বাংলাদেশ সফরের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী জানান, সফরকালে প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি নিজে এই ইস্যুতে গভীর আলোচনা পরিচালনা করেছেন এবং জাপান সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গেছে। এছাড়া চলতি মাসের শেষদিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত জাপান সফরে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত করার বিষয়ে বিস্তারিত কথা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সেখানে আইনি সরকারের পাশাপাশি একটি বড় অংশ এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগসহ নানা কূটনৈতিক চ্যানেল ব্যবহার করে জটিলতার সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। তবে সবকিছুর মূল লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন এবং চূড়ান্ত বিকল্প হিসেবে সব পথ খোলা রেখেই বাংলাদেশ তার কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাবে।

/আশিক


কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী 

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১১ ১৯:৩১:৫৪
কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী 
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন যে, কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরকার সুস্পষ্ট নীতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল উদযাপিত হতে যাওয়া এই দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য হলো—‘শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, নিরাপত্তাহীনতা বা বৈষম্যের কারণে মাঝপথে থেমে না যায়, তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রতিটি কন্যাশিশু যেন শিক্ষা, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসে সমৃদ্ধ হয়ে নিজের সম্ভাবনা বিকাশের সমান সুযোগ পায়—এটাই বর্তমান সরকারের মূল অঙ্গীকার। একটি শিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠা এবং স্বাধীনভাবে স্বপ্ন দেখার সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পবিত্র কর্তব্য বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

নারীর শিক্ষা ও অগ্রগতির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া নারীদের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার ঐতিহাসিক সুযোগ করে দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই বর্তমান সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যন্ত পড়ালেখার সুযোগ সম্পূর্ণ অবৈতনিক ও অবারিত করেছে। এছাড়া নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে প্রতিটি পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করার যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

তারেক রহমান আরও বলেন, সরকার এমন একটি সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করছে যেখানে প্রতিটি মেয়ের জন্ম পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে। বাল্যবিয়ে এবং সব ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আজকের কন্যাশিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে। বাস্তব ও ডিজিটাল উভয় পরিসরে তাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সব কন্যাশিশু, তাদের অভিভাবকসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

/আশিক


ফ্যাসিস্ট আমলের অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের দুর্নীতি তদন্তের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১১ ১৮:৫১:২২
ফ্যাসিস্ট আমলের অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের দুর্নীতি তদন্তের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
ছবি : সংগৃহীত

ফ্যাসিস্ট সরকারের আম্লে দেশি-বিদেশি অর্থায়নে বাস্তবায়িত অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলোর অনিয়ম ও দুর্নীতি কঠোরভাবে তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে এডিস মশা নিধন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ নিজ এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান সরাসরি তদারকি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, এমপির সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, জসীম উদ্দীন আহমেদ, শেখ ফরিদ আহমেদ, সেলিনা সুলতানা, এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবং মো. রফিকুল ইসলাম খান।

বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা, স্বজনপ্রীতিমুক্ত আচরণ এবং পূর্ণ জবাবদিহির সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এছাড়া প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা পর্যায়ে কর্মকর্তাদের জন্য অনলাইনভিত্তিক হাজিরা চালুর সুপারিশ করা হয়।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আর্সেনিকযুক্ত এলাকাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন প্রকল্প গ্রহণ এবং জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী, গ্রামীণ সড়ক ও রাস্তাঘাট নির্মাণকাজের কাঙ্ক্ষিত গুণগত মান, স্থায়িত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে কাজের মান সাপেক্ষে তিন বছরের ওয়ারেন্টি বাবদ জামানত রাখার সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে প্রতিটি নির্মাণকাজের নিবিড় তদারকি জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও সদস্যদের পরিচিতি পর্বের পর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রমের ওপর একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সরকারের বিগত ১৮০ দিনে মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত নানা কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।

বৈঠকের শুরুতে কমিটির সভাপতি তাঁর স্বাগত বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনে নিহত ছাত্র-জনতাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, অতিরিক্ত ও যুগ্ম সচিবগণ, বিভিন্ন সংস্থা ও অধিদপ্তরের প্রধানগণ এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকায় নামাতে সরকারকে আইনি নোটিশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১১ ১৮:৪২:৩৯
গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকায় নামাতে সরকারকে আইনি নোটিশ
ছবি : সংগৃহীত

দেশে গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় নামিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট দাবি জানিয়ে সরকারকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য জীবিত গরু এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদপ্রাপ্ত হালাল প্যাকেটজাত মাংস আমদানির ওপর বর্তমানে বহাল থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আমদানি শুল্ক যৌক্তিকীকরণের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করে এই আইনি নোটিশ পাঠান। মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার মোট ছয়জন কর্মকর্তাকে এই নোটিশের প্রাপক করা হয়েছে।

নোটিশে বর্তমান বাজার পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকা পর্যন্ত চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। পণ্যের এই অতিরিক্ত দামের কারণে দেশের দরিদ্র, নিম্নবিত্ত এবং নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে পুষ্টিকর এই খাদ্যপণ্য ক্রয় করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এর বিরূপ প্রভাবে শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সুপরিচিত ‘তুলনামূলক সুবিধা তত্ত্ব’ (Theory of Comparative Advantage) উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়েছে, যেসব রাষ্ট্রে তুলনামূলক কম খরচে নির্দিষ্ট কোনো পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব, সেসব দেশ থেকে তা আমদানি করলে দেশের সাধারণ ভোক্তারা সাশ্রয়ী মূল্যে সেই পণ্য পাওয়ার অধিকার রাখেন। বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক খাতের উদাহরণ টেনে এতে বলা হয়েছে, ঠিক একইভাবে বিদেশ থেকে কম খরচে গরুর মাংস আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা হলে দেশীয় বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা গড়ে উঠবে।

নোটিশে আরও ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, বাংলাদেশে পর্যাপ্ত চারণভূমির স্বল্পতা, পশুখাদ্যের লাগামহীন উচ্চমূল্য এবং সামগ্রিকভাবে গবাদিপশু পালনের উচ্চ ব্যয়ের কারণে স্থানীয় পর্যায়ে মাংস উৎপাদন বেশ ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। পক্ষান্তরে, বিশ্বের বেশ কিছু দেশে বিশাল পরিসরে বিস্তৃত চারণভূমি ও আধুনিক প্রযুক্তিতে পশু পালনের সুবিধা থাকায় অত্যন্ত কম খরচে মাংস উৎপাদন করা সম্ভব হয়।

সংবিধানের ১৫(ক), ১৮(১) এবং ৩২ অনুচ্ছেদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে নোটিশে নাগরিকের খাদ্য, পুষ্টি এবং মৌলিক জীবনধারণের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দেশের আপামর জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ, পুষ্টির মানোন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রেরই অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক দায়িত্ব।

আইনি নোটিশে সরকারকে আগামী ১৫ দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে জীবিত গরু এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হালাল হিমায়িত বা শীতলীকৃত মাংস আমদানির ওপর থেকে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, আমদানি শুল্ক যৌক্তিক করা এবং বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে যদি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তবে বাধ্য হয়ে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে স্পষ্টভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

/আশিক


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো শুরু হলো পারমাণবিক বিক্রিয়া

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১১ ১৭:৫২:১৮
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো শুরু হলো পারমাণবিক বিক্রিয়া
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে প্রথমবারের মতো সফলভাবে পারমাণবিক বিক্রিয়া (ক্রিটিক্যালিটি) শুরু হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর ৩টা ৩৪ মিনিটে এই প্রক্রিয়া শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন।

তিনি জানান, বর্তমানে কেন্দ্রের সমস্ত প্যারামিটার নির্ধারিত ও নিরাপদ মাত্রার মধ্যে রয়েছে। এছাড়া পারমাণবিক বিকিরণের মাত্রা নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার দেশের এই প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)। রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে সর্বাধুনিক তৃতীয় প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ মডেলের পারমাণবিক চুল্লি ব্যবহার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই মডেলে অত্যন্ত উন্নত ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরের শেষ নাগাদ জাতীয় গ্রিডে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করার লক্ষ্য সামনে রেখে জোরেশোরে কাজ চলছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কঠোর দিকনির্দেশনা মেনে প্রথম ইউনিটের বিভিন্ন পরীক্ষামূলক ও প্রস্তুতিমূলক ধাপগুলো একে একে সম্পন্ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ‘বি-১’ পর্যায়ের কাজ সফলভাবে শেষ হওয়ার পাশাপাশি চুল্লির স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার প্রাথমিক জটিলতাও সফলভাবে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।

এরপর শুরু হয় ‘বি-২’ পর্যায়ের কার্যক্রম, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রাথমিক পরিচালনার জন্য চুল্লিটিকে পুরোপুরি প্রস্তুত করা। তারই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে সম্পন্ন হলো ‘ক্রিটিক্যালিটি’ বা পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু। এই পর্যায়ে চুল্লির ভেতরে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত নিউক্লিয়ার চেইন রিঅ্যাকশন বা ধারাবাহিক পারমাণবিক বিভাজন প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার মাধ্যমে চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিতভাবে বিপুল পরিমাণ তাপশক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখন ধাপে ধাপে উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে। চুল্লির উৎপাদন ক্ষমতা ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর পরই মূলত জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

/আশিক


বাংলাদেশের বিমানবহর ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা মন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১১ ১৭:৪৬:৫৩
বাংলাদেশের বিমানবহর ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা মন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, প্রথম ধাপে ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা থাকলেও ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিমানবহর ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিমানমন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের মেধাবিকাশ ও দেশের অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিমানের বহর শুধু ৩৫টিতে সীমিত রাখা হবে না, বরং তা দুই শতাধিক উড়োজাহাজে উন্নীত করা হবে। এই বিশাল পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রায় এক দশক সময় লাগবে উল্লেখ করে তিনি জানান, ২০৩১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে নতুন উড়োজাহাজ দেশে আসা শুরু হবে এবং তা ২০৩৬ থেকে ২০৩৭ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

বর্তমান বহরের উড়োজাহাজগুলো একসময় পুরোনো হয়ে যাবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের আকাশপথের চাহিদা পূরণ ও পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখতে এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ বাড়াতে হবে। একই সাথে বিভিন্ন দেশে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় স্লট নিশ্চিত করার কাজও চলছে বলে জানান তিনি।

বিমান খাতের পাশাপাশি দেশের পর্যটনশিল্পের প্রসারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি নেত্রকোণার বিখ্যাত পর্যটন এলাকা বিরিশিরিকে একটি জাতীয় পর্যায়ের আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সরকারি উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।

/আশিক


বাংলাদেশের বিমানবহর ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা মন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১১ ১৭:৪৪:৪২
বাংলাদেশের বিমানবহর ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা মন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, প্রথম ধাপে ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা থাকলেও ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিমানবহর ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিমানমন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের মেধাবিকাশ ও দেশের অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিমানের বহর শুধু ৩৫টিতে সীমিত রাখা হবে না, বরং তা দুই শতাধিক উড়োজাহাজে উন্নীত করা হবে। এই বিশাল পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রায় এক দশক সময় লাগবে উল্লেখ করে তিনি জানান, ২০৩১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে নতুন উড়োজাহাজ দেশে আসা শুরু হবে এবং তা ২০৩৬ থেকে ২০৩৭ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

বর্তমান বহরের উড়োজাহাজগুলো একসময় পুরোনো হয়ে যাবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের আকাশপথের চাহিদা পূরণ ও পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখতে এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ বাড়াতে হবে। একই সাথে বিভিন্ন দেশে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় স্লট নিশ্চিত করার কাজও চলছে বলে জানান তিনি।

বিমান খাতের পাশাপাশি দেশের পর্যটনশিল্পের প্রসারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি নেত্রকোণার বিখ্যাত পর্যটন এলাকা বিরিশিরিকে একটি জাতীয় পর্যায়ের আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সরকারি উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।

/আশিক


‘মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি’: মোদির বিদায় নিয়ে আসিফ নজরুলের পোস্ট

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১০ ২০:৩১:৫০
‘মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি’: মোদির বিদায় নিয়ে আসিফ নজরুলের পোস্ট
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মন্তব্য করে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। মোদির রাজনৈতিক বিদায় ঘটলে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও সমাজে বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। একই সঙ্গে মোদির রাজনৈতিক পতন দেখার অপেক্ষায় থাকার কথাও স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন আইন বিষয়ের এই অধ্যাপক।

শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি পোস্টে আসিফ নজরুল ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। উক্ত পোস্টে ভারতের শীর্ষ নেতৃত্বের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করে তিনি উল্লেখ করেন যে, রাজনৈতিক নানা সংকটের কারণে বর্তমান ভারতীয় নেতৃত্ব বেশ দিশেহারা অবস্থায় রয়েছে এবং বেশিদিন টিকতে পারবে না বলেও তিনি মনে করছেন।

মোদির পতন পরবর্তী সময়ে ভারতের সমাজ ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কী প্রভাব পড়তে পারে, সে বিষয়েও আলোকপাত করেন সাবেক এই আইন উপদেষ্টা। তাঁর মতে, ভারতে নরেন্দ্র মোদির বিদায় হলে দেশটির বর্তমান মুসলিমবিদ্বেষী রাজনীতি কিছুটা হলেও বাধার মুখে পড়বে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্রের সংখ্যাও হ্রাস পেতে পারে।

বাংলাদেশ ও এ দেশের মানুষের ওপর মোদির রাজনীতির প্রভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী হয়েছে। ফলে এমন একটি পরিবর্তন আসলে ভুক্তভোগী মানুষ ও তাঁদের পরিবার কিছুটা হলেও সান্ত্বনা পাবে। নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, অন্যান্য অনেকের মতো তিনিও মোদির রাজনৈতিক পতন দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন।

এদিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের বিষয়টিও একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। তবে ওই আন্দোলন এবং আসিফ নজরুলের এই ফেসবুক মন্তব্যের মধ্যে কোনো সরাসরি যোগাযোগ বা সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

/আশিক


নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে বড় উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১০ ১৯:২৭:০৮
নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে বড় উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার
ছবি : সংগৃহীত

২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এই মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের সমবায় ভবনে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চাহিদা ও সরবরাহের মাঝে যে প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াটের ব্যবধান রয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হলে সেই ঘাটতি সফলভাবে পূরণ করা সম্ভব হবে। সরকার আশাবাদী যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশে ভবিষ্যতে আর কোনো লোডশেডিং থাকবে না।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও এর মূল্য নির্ধারণের বিষয়ে মীর শাহে আলম জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে ১০ টাকা ৫০ পয়সা মূল্য পাওয়া যাবে এবং ২০২৮ সাল পর্যন্ত এই সুবিধা অব্যাহত থাকবে। এরপর ক্রমান্বয়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম কমে ৬ থেকে ৭ টাকায় নেমে আসবে। এছাড়া দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিশাল ছাদ ব্যবহার করে সোলার প্যানেল স্থাপনের ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময় উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: