ই-চালান ও ভ্যাট সংস্কারে কি মিটবে রাজস্ব ঘাটতি? সংসদে সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর বড় আশ্বাস

উন্নয়ন ব্যয়ের হার বৃদ্ধি এবং অনুন্নয়ন খাতের খরচ কমিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে একটি বাস্তবসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ রূপ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তবে বাজেটের খাতা-কলমের এই বিশাল পরিসংখ্যানের পেছনে কিছু বড় ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও ব্লিন্ড স্পট রয়ে গেছে, যা সরকার কতটা সামলাতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যায়। রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি এই বক্তব্য পেশ করেন।
মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাজেটের সবচেয়ে বড় অংশ অর্থাৎ প্রায় ১৩.৬% চলে যাচ্ছে অতীত সরকারের ঋণের সুদ পরিশোধে, যা উন্নয়ন বাজেটের ওপর একটি বড় ধরনের কাঠামোগত চাপ। এর বাইরে ভর্তুকি বাবদ ১১% বরাদ্দ রাখা হলেও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সাধারণ মানুষের জন্য এই ভর্তুকি কতটুকু সুফল আনবে—তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়। যদিও সরকার অনুন্নয়ন ব্যয় ৭২.৭% থেকে কমিয়ে ৬৬.৩% করার এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দের মাধ্যমে উন্নয়নমুখী মানসিকতা দেখিয়েছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের মন্থর গতি এবং অপচয় রোধ করার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট কঠোর রূপরেখা এই বক্তব্যে স্পষ্ট নয়।
রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ই-চালান এবং ভ্যাট সংস্কারের ওপর ভরসা করে কোনো ঘাটতি হবে না বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করলেও, এনবিআরের কাঠামোগত দুর্বলতা ও কর ফাঁকি রোধের অতীত ট্র্যাক রেকর্ড এই আশাবাদের সাথে পুরোপুরি মেলে না। ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার ব্যাংক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা আগের চেয়ে কিছুটা কমানো হলেও, ঘাটতি বাজেট পূরণে দেশীয় ব্যাংকিং খাতের ওপর এই বিশাল নির্ভরতা বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহকে সংকুচিত করতে পারে। পরিশেষে, ৬.৫% প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা অর্জন করতে হলে কেবল অতীত অভিজ্ঞতা বা নীতিগত সহযোগিতার আহ্বানের চেয়েও বাস্তব অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও কঠোর অর্থ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের আসল পরীক্ষা।
/আশিক
১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে তৈরি হচ্ছে জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
দেশের সর্বমোট ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সুবিশাল ও সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) উদ্যাপিতব্য ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া বিশেষ এক বাণীতে তিনি এই সুসংবাদ জানান। রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, পর্যটন খাতকে দীর্ঘমেয়াদি, সুপরিকল্পিত ও টেকসই কাঠামোর ওপর দাঁড় করাতে সরকার শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিটি জেলার অনন্য বৈশিষ্ট্য, স্থানীয় ঐতিহ্য ও নিজস্ব সংস্কৃতিকে উপজীব্য করে জেলাভিত্তিক আধুনিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। প্রকৃতির অপার রূপ ও বৈচিত্র্যে ভরা বাংলাদেশের সৌন্দর্য তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবনের সুবিশাল ম্যানগ্রোভ বন, বান্দরবান ও সাজেক ভ্যালির সবুজ পাহাড়, কাপ্তাই লেক, বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ, সিলেটের সবুজ চা বাগান ও নদী-হাওরের মনোরম রূপের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই অনবদ্য প্রাকৃতিক রূপের সঙ্গে দেশের মানুষের উষ্ণ আতিথেয়তা বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য এক পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করেছে। পর্যটন খাতের বিকাশ দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে অত্যন্ত শক্তিশালী প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে।
বর্তমান যুগে তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পর্যটন শিল্পে বৈশ্বিক পরিবর্তন আসছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল প্রযুক্তি আজ ভ্রমণ পরিকল্পনা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, অনলাইন হোটেল বুকিং ও নিরাপদ পেমেন্ট নিশ্চিতকরণে বড় বিপ্লব এনেছে। এ কারণে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও যুগোপযোগী হয়েছে।
ইকো ট্যুরিজম ও কম্যুনিটি ট্যুরিজমের দ্রুত বিকাশে সরকারের পরিকল্পনার পাশাপাশি একটি বিশ্বমানের modern ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট স্থাপন এবং জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ করার বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন। পরিশেষে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ন রেখে যৌথভাবে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রযুক্তিবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীজনদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
/আশিক
দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও জাতীয় সঞ্চালন কাঠামোর সুরক্ষায় দেশের সকল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে প্রয়োজনীয় জোর পদক্ষেপ নেওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের ‘কোর কমিটি’ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের নিরাপত্তা শাখা-২ থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট সকল দফতর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনামূলক চিঠি পাঠানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গৃহীত সিদ্ধান্ত দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তর থেকেও সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগীয় কর্মকর্তা ও পুলিশ ইউনিটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি জারি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত কোর কমিটির বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের প্রতিটি ছোট-বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি, নাশকতা বা কারিগরি বিপর্যয় এড়াতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে তাৎক্ষণিক আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ইতিমধ্যে জারি করা চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রশাসনিক প্রধানসহ পুলিশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে কার্যকারিতা পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ ও বাড়তি পুলিশি টহল জোরদারের মধ্য দিয়েই এই নির্দেশনা বাস্তবায়িত হবে।
/আশিক
দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও জাতীয় সঞ্চালন কাঠামোর সুরক্ষায় দেশের সকল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে প্রয়োজনীয় জোর পদক্ষেপ নেওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের ‘কোর কমিটি’ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের নিরাপত্তা শাখা-২ থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট সকল দফতর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনামূলক চিঠি পাঠানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গৃহীত সিদ্ধান্ত দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তর থেকেও সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগীয় কর্মকর্তা ও পুলিশ ইউনিটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি জারি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত কোর কমিটির বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের প্রতিটি ছোট-বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি, নাশকতা বা কারিগরি বিপর্যয় এড়াতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে তাৎক্ষণিক আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ইতিমধ্যে জারি করা চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রশাসনিক প্রধানসহ পুলিশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে কার্যকারিতা পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ ও বাড়তি পুলিশি টহল জোরদারের মধ্য দিয়েই এই নির্দেশনা বাস্তবায়িত হবে।
/আশিক
প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আরও বাড়ানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটির) সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ধোলাইখালে মেয়র সাদেক হোসেন খোকা মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে’ বিএনপি এই সমাবেশের আয়োজন করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, গত ১৭ বছরে যারা গণতন্ত্রকে পদ্ধতিগতভাবে হত্যা করেছে এবং সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে, তাদের কাউকেই ক্ষমা করা হবে না। স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বর্বর হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া দেশের মাটিতে আর কোনোদিন ওই ফ্যাসিবাদী শক্তিকে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পতিত আওয়ামী সরকারের নেতাকর্মীদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি ইঙ্গিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে এবং ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কথা প্রচার করছে। এর জবাবে তিনি বলেন, সরকারও চায় শেখ হাসিনা দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হোন।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে তাঁকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদিও ভারতের দিক থেকে এখনো কোনো জবাব আসেনি। একই সঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত যেসব আসামি ও তাদের সহযোগীরা বিদেশে পালিয়ে আছেন, তাদেরও দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। দেশে ফিরে তারা চাইলে আইনি প্রক্রিয়ায় আপিল করার সুযোগ পাবেন বলেও উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
বর্তমান সরকারের মাত্র সাত মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই যারা সরকার পতনের এক দফা দাবিতে মাঠে নেমেছেন এবং চতুর্দিকে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছেন, তাদের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার যখন সবাইকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে, তখন কিছু গোষ্ঠী তা প্রত্যাখ্যান করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাস্তায় নেমে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। তবে বিএনপি ও তাদের মিত্ররা এসব কর্মকাণ্ড নীরবে বসে দেখবে না বলে সতর্ক করে দেন তিনি। দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষা, গণতন্ত্র সুসংহত করা এবং ভবিষ্যতে দেশে যেন আর কোনোদিন স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে সাংবিধানিক পরিবর্তনের পক্ষে বিএনপির দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
সমাবেশে সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে তেলের দাম ব্যাপক হারে বাড়লেও জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে বিএনপির নেতা তারেক রহমান এক মাস পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আটকে রেখেছিলেন। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় এবং সীমান্ত দিয়ে তেল পাচার রোধে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই সীমিত পরিসরে দাম বাড়াতে হয়েছে।
গালফ ওয়ারের কারণে বিশ্ববাজারে সৃষ্ট এই পরিস্থিতির ফলে জনগণের যে সাময়িক কষ্ট হচ্ছে, তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি এবং বিশ্ববাজারে দাম কমলে দেশেও তা কমানোর প্রতিশ্রুতি দেন। মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুস সাত্তার, সাইদুর রহমান মিন্টুসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।
/আশিক
সরকারি কর্মচারীদের সঞ্চয় ও অনুদান তহবিলে নতুন অর্থবছরীয় নির্দেশনা জারি
নবম পে স্কেল প্রজ্ঞাপন জারির ধারাবাহিকতায় সরকারি চাকরিজীবীদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (জিপিএফ) এবং কনট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ডের (সিপিএফ) অর্থ জমার বিপরীতে নতুন মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তহবিলের মোট স্থিতির ওপর ভিত্তি করে সরকারি কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ হারে মুনাফা সুবিধা পাবেন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর জিপিএফের প্রারম্ভিক স্থিতি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে তিনি সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। অর্থের পরিমাণ ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে শুরু করে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে সে ক্ষেত্রে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ শতাংশ। তবে তহবিলের স্থিতি ৩০ লাখ টাকা অতিক্রম করলে অতিরিক্ত অংশের জন্য মুনাফার হার কমে দাঁড়াবে ১১ শতাংশে। সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে কর্মচারীর বেতন থেকে কর্তনকৃত চাঁদার ওপরও সমহারে এই মুনাফা নীতি প্রযোজ্য হবে।
অন্যদিকে প্রজ্ঞাপনে সিপিএফের আওতাভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রায়ত্ত করপোরেশনগুলোর বিষয়েও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব সংস্থা বা করপোরেশন তাদের নিজস্ব বিদ্যমান আর্থিক বিধিমালা অনুসরণ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের মুনাফা দিতে পারবে। তবে কোনো অবস্থাতেই সংস্থাগুলো সরকারের নির্ধারিত এই মুনাফার সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করতে পারবে না।
/আশিক
বাংলাদেশ এখন ব্যবসার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল ও আস্থাশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার শতভাগ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান বাংলাদেশ বিশ্বমানের ব্যবসা ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটনে অবস্থিত জেপি মর্গানের সদর দপ্তরে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সাথে এক বিশেষ প্রাতরাশ বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। রাজনীতিবিদ হিসেবে আত্মপ্রকাশের পূর্বে নিজের ব্যবসায়িক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সফল বিনিয়োগের জন্য বাজারের স্থায়িত্ব, নীতিগত পূর্বানুমেয়তা এবং প্রবৃদ্ধির জন্য সহায়ক পরিবেশই মূল চাবিকাঠি।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়ীরা তাদের বিনিয়োগের স্বার্থ রক্ষা করেন, আর তিনি দেশের ১৮ কোটি মানুষের সার্বিক অর্থনৈতিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। উভয় পক্ষের দায়িত্ব ভিন্ন হলেও উভয়ের মূল লক্ষ্য এক ও অভিন্ন—তা হলো যৌথ সাফল্য অর্জন করা। তিনি আরও জানান, বিশ্ব এতদিন বাংলাদেশকে কেবল পোশাক খাতের আন্তর্জাতিক হাব হিসেবে চিনলেও বর্তমান বাংলাদেশে তৈরি হয়েছে বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের শক্তিশালী অর্থনীতিতে রূপান্তর করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এই বিশাল লক্ষ্য অর্জনে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি শক্তি ও জ্বালানি, আধুনিক অবকাঠামো, লজিস্টিকস, উচ্চ প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি সেবা, জলবায়ু অর্থায়ন, উন্নত কৃষি এবং স্বাস্থ্যখাতে বৈশ্বিক বিনিয়োগের বিশাল সুযোগ রয়েছে। বৈশ্বিক আর্থিক বাজারের সাথে বাংলাদেশের গভীর সংযোগ তৈরি করতে জেপি মর্গানের প্রথম সার্বভৌম বন্ড চালুর ভূমিকা স্মরণ করে তিনি বিনিয়োগকারীদের প্রতিশ্রুতি দেন যে, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস, দ্রুত মুনাফা নিজ দেশে ফেরত নেওয়ার সুবিধা, কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং বিনিয়োগ সুরক্ষায় কার্যকর প্রশাসনিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
আমেরিকার সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রসারের পাশাপাশি চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে নতুন কৌশলগত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি সরাসরি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সাথে সমন্বয় করে প্রশাসনিক বাধাগুলো নিরসন করবেন। পরিশেষে, আমেরিকান ও বৈশ্বিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বল্পমেয়াদী সুবিধার বদলে বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
/আশিক
সাবেক ওসিকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য: আদালতের নতুন নির্দেশনা
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এর আগে রাষ্ট্রদ্রোহের এই মামলায় তাঁর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল পুলিশ। শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম পাঁচ দিনের এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আদালতে জমা দেওয়া রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের একটি আইডি থেকে ‘আ.লীগ নেতার সঙ্গে ওসির বৈঠক’ শিরোনামে একটি অডিও কল রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে। মামলার বাদী ওই অডিও অনুসন্ধান করে নিশ্চিত হন যে অডিওর বিতর্কিত বক্তব্য ও কণ্ঠস্বর মূলত বরখাস্তকৃত ওসি রাকিবুল হাসানের।
পুলিশের তদন্ত আবেদনে আরও বলা হয়, ফাঁস হওয়া ওই অডিও রেকর্ডে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ, পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর ভূমিকা এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে স্পর্শকাতর বক্তব্য ছিল। সেখানে সেনাবাহিনীকে নিষ্ক্রিয় বা ‘নিউট্রাল’ থাকার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের পদায়ন, বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন এবং বাহিনীর বিভিন্ন তহবিল নিয়েও অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়।
রিমান্ড আবেদনে পুলিশ আরও দাবি করে, অডিও বার্তাটিতে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষে উসকানি, অসন্তোষ তৈরি ও প্ররোচনার মাধ্যমে দেশে বড় ধরনের দাঙ্গা-হাঙ্গামা এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। প্রজাতন্ত্রের একজন দায়িত্বশীল কর্মচারী হয়েও তিনি সরকারের সমালোচনা, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বিনাশ, ক্ষমতার পটপরিবর্তনের ষড়যন্ত্র এবং প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন।
উক্ত অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে রাকিবুলকে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, রাষ্ট্রদ্রোহের এই ঘটনার পেছনের মূল রহস্য উদঘাটন, অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জন সহযোগীকে চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার এবং বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের স্বার্থে এই রিমান্ড আবশ্যক ছিল।
উল্লেখ্য, মামলাটিতে দণ্ডবিধির ১২৪-ক ও ১৫৩ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। রিমান্ড আবেদন অনুযায়ী, প্রচলিত আইন মেনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি সাপেক্ষেই এই রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অডিও ছড়ানোর পরপরই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল, যদিও রাকিবুল এটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে দাবি করেছিলেন—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা একটি ভুয়া কল রেকর্ড এটি।
/আশিক
বিশ্বমঞ্চে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ভয়াবহ পরিণতি মোকাবেলায় সমগ্র বিশ্বকে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর পক্ষে একা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ক্ষতিকর প্রভাব সামাল দেওয়া সম্ভব নয়; এজন্য বড় পরিসরে বৈশ্বিক সহায়তা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুম-৪-এ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অস্তিত্বের হুমকি মোকাবেলা সংক্রান্ত আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ একটি প্রাণবন্ত ও সক্রিয় বদ্বীপ, যেখানে শত শত নদী বহমান থেকে সাগরে গিয়ে মিশেছে। ফলে এ দেশের মানুষের জীবনধারা সরাসরি পানির সাথে যুক্ত এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ উপকূলীয় পরিবেশের ওপর ওতপ্রোতভাবে নির্ভরশীল।
বিশ্বব্যাংকের সমীক্ষা উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০৫০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা যদি মাত্র ২৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়, তবে বাংলাদেশের প্রায় ৪ শতাংশ ভূমির তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে আনুমানিক এক কোটি মানুষের বাসস্থান, স্বাভাবিক জীবিকা ও মানবিক মর্যাদা চরম হুমকির মুখে পড়বে।
সীমিত আর্থিক ও বৈশ্বিক সম্পদ সত্ত্বেও বাংলাদেশ এই বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ইতোমধ্যে সরকার আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা জোরদার করা, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় বিশেষ প্রস্তুতি ও উপকূল সুরক্ষায় নতুন বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেছে। জলবায়ু সহনশীলতা আরো জোরদার করতে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন, পানি সংরক্ষণ প্রকল্প প্রসার, পদ্মা ব্যারাজ উদ্যোগ বাস্তবায়ন, আধুনিক মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে তিস্তা ব্যারাজ আধুনিকায়ন এবং দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
একইসঙ্গে পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের অন্তত ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর সাথে সবুজ শিল্পায়ন, আধুনিক পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা, জাতীয় কার্বন বাজার গড়ে তোলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় প্রতিবেশ ব্যবস্থার সুরক্ষায় ধারাবাহিক কাজ চলছে।
তবে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, শুধু খাপ খাইয়ে নেওয়া বা অভিযোজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই সুবিশাল ক্ষতি এড়ানো যাবে না; বরং বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ কমাতে বিশ্বের বর্তমান অপচয়মূলক ভোগের ধরন পরিবর্তন করতে হবে। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট থেকে এ সময় তিনি ৪টি জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানান
১. দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গতভাবে বিশ্বজুড়ে ক্ষতিকারক কার্বন নিঃসরণ কমানো;
২. জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সহজলভ্য ও দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা;
৩. উপকূলীয় দেশগুলোতে জলবায়ু-বান্ধব প্রযুক্তি, সঠিক তথ্য-উপাত্ত ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থার সহজ প্রবেশাধিকার দেওয়া; এবং
৪. জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি ও সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
বাস্তুচ্যুত মানুষের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন ও পুনর্বাসন নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য শেষ করেন এটি স্মরণ করিয়ে দিয়ে যে—সমুদ্রের জলস্তর অতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই বিশ্বের মানুষের রাজনৈতিক ও সামাজিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকেও আরও গতিশীল করতে হবে। আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সকল দেশকে সম্মিলিতভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি, যাতে কোনো দেশকেই সমুদ্রের এই 'উত্থিত জোয়ারের' মুখে একা পড়তে না হয়।
/আশিক
জাতিসংঘে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে জাইমা রহমান: ৮১তম সাধারণ পরিষদের লিগ্যাল অফিসার তিনি
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে 'লিগ্যাল অফিসার' হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। সভাপতির এই বিশেষ কার্যালয়ে বিভিন্ন পদে যুক্ত মোট ৪০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।
বাংলাদেশি অভিজ্ঞ কূটনীতিক আব্দুল আলিম সভাপতির কার্যালয়ের 'ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট' বা উপ-প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া এ কার্যালয়ে যুক্ত থাকা অন্য বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের মধ্যে উপদেষ্টা ও প্রশাসনিক সহকারী পদে মোয়াজ্জেম হোসেন, তথ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলগত পূর্বাভাস বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে মাফিজুল ইসলাম, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা পদে জাকির আহমেদ এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দেশগুলো বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রফিকুল আলম মোল্লা।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁরই সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার আয়োজিত সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। জাতিসংঘের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, আইন কর্মকর্তা হিসেবে জাইমা রহমান মূলত সভাপতির কার্যালয়ের সার্বিক আইনি বিষয়াদি দেখভাল করবেন।
উল্লেখ্য, জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যাসন্তান এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাতনি। তিনি যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরবর্তীতে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। তিনি ২০২৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায়ও কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।
অন্যদিকে, সভাপতির কার্যালয়ে উপ-প্রধানের দায়িত্ব পাওয়া আব্দুল আলিম দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ক্যাডারে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিধান অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের সভাপতি সংস্থাটির সরাসরি বেতনভুক্ত কর্মচারী নন। তাঁর বেতন-ভাতা, আবাসনসহ অপরাপর আনুষঙ্গিক খরচ সাধারণত তাঁর নিজস্ব দেশ বা নিজ দেশের সরকার থেকে বহন করা হয়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিয়মিত বাজেট এবং ট্রাস্ট ফান্ড থেকেও কিছু ব্যয় নির্বাহের সুযোগ রয়েছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- বিশ্বমঞ্চে শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙার দ্বারপ্রান্তে বিরাট কোহলি
- বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলা
- ফিলিস্তিন শাসন করবে ফিলিস্তিনিরাই: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বার্তা দিল চীন
- ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে তৈরি হচ্ছে জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- লাখ লাখ বছরের পুরনো রহস্য উন্মোচিত: বিজ্ঞানীরা পেলেন নতুন তথ্য
- যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বড় আইনি পদক্ষেপ: আদালতের নতুন সিদ্ধান্ত
- মাথার কাছে মোবাইল রেখে ঘুমানো: ব্রেন টিউমার ও রেডিয়েশন দাবির বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা
- ইসরায়েলি মানচিত্রের ভুলে গাজার উচ্চ রেজল্যুশনের স্যাটেলাইট ছবি ফাঁস
- প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আরও বাড়ানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- যুদ্ধাপরাধীদের জায়গা জাতিসংঘের মঞ্চে নয়, আদালতে: ইস্তাম্বুলে এরদোয়ান
- ৩০ বিলিয়ন ডলার শুল্ক কমাতে সম্মত চীন ও যুক্তরাষ্ট্র: এআই নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংলাপ
- সরকারি কর্মচারীদের সঞ্চয় ও অনুদান তহবিলে নতুন অর্থবছরীয় নির্দেশনা জারি
- বাংলাদেশ এখন ব্যবসার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি বাজার: কোন পথে বাংলাদেশ ও বিশ্ব?
- মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার নেপথ্যে চীনা প্রযুক্তি? সিএনএনের চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন
- সাবেক ওসিকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য: আদালতের নতুন নির্দেশনা
- বিশ্বমঞ্চে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
- বিমানেই কাটবে ৫০ ঘণ্টা: ফুটবলের আড়ালে দীর্ঘ ভ্রমণের গল্প
- হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সৌদি আরবের পাশে থাকার ঘোষণা মিসরের
- জাতিসংঘে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে জাইমা রহমান: ৮১তম সাধারণ পরিষদের লিগ্যাল অফিসার তিনি
- ১১ জেলায় শুক্রবার রাত পর্যন্ত তীব্র ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
- রাজারবাগ থেকে সাবেক ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে
- টেস্ট ক্রিকেটে নতুন স্বপ্ন ও বাংলাদেশ দলের অবস্থান নিয়ে বড় তথ্য
- দেশের বাজারে নতুন সমন্বয়: অলঙ্কার কিনতে গুণতে হবে বাড়তি টাকা
- জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চরম সংকট: কার্গো স্থানান্তর বন্ধে কমলো এলএনজি সরবরাহ
- গ্যাস্ট্রিক বা দুর্বলতা ভেবে ভুল করছেন না তো? জেনে নিন হার্ট অ্যাটাকের সূক্ষ্ম ৪ লক্ষণ
- আট মাসের বিএনপি সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রুহুল কবির রিজভীর
- যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে যুদ্ধ ভারত মহাসাগরে ছড়ানোর হুমকি ইরানের
- অতীত আর বর্তমানের মিল: দেশজুড়ে আবার কি এক-এগারোর ছায়া?
- হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান
- ৯ তরুণকে জঙ্গি তকমা দিয়ে হত্যার অভিযোগ: মানবতাবিরোধী অপরাধের শুনানি আবার পেছাল
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ইতিহাস গড়ে নতুন নেতৃত্বের আত্মপ্রকাশ
- বারিধারায় ফুটপাতে গাড়ির চাপায় শ্রমিকের মৃত্যু: ৯ লাখ টাকায় মামলার আপস
- সরকারি নথিতে আর 'এআই' নয়, নাম বদলে 'সুপার ইন্টেলিজেন্স' রাখার ঘোষণা ট্রাম্পের
- 'আত্মসমর্পণ করানো অসম্ভব, হাঁটু গেড়ে বসব না': জাতিসংঘে গর্জে উঠলেন পেজেশকিয়ান
- বাংলাদেশে অফিস খোলার প্রক্রিয়ায় মেটার নতুন অগ্রগতি
- ২০-এর কোঠাতেই চুল পাতলা হওয়া রোধে যেসব বিষয় জানা জরুরি
- আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দক্ষিণ শ্রীপুরে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান পাপিয়া পারভীন
- ভুয়া বিজ্ঞাপনের অভিযোগে গ্রাহকদের কোটি কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে আইফোন নির্মাতা
- ম্যারাডোনার মৃত্যু মামলায় যুক্ত হলো নতুন মোড় ও বৈজ্ঞানিক তথ্য
- 'জামায়াত আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে': রাশেদ খাঁন
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের ফাঁকে হাই-ভোল্টেজ প্রাতরাশ বৈঠক
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ-সহনশীল ও আধুনিক বিদ্যুৎ কাঠামোর পথে বাংলাদেশ
- বৃহস্পতিবার দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন এলএনজি আমদানির অনুমোদন
- বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তনের আভাস নিয়ে হাই-ভোল্টেজ বৈঠক
- শক্তিশালী ডলারের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম
- অপ্রতিমের মৃত্যু যে প্রশ্ন রেখে গেল: নিরাপত্তা, জনআস্থা ও আইনশৃঙ্খলার নতুন পরীক্ষা
- বিরলে পুষ্টি সংবেদনশীল হর্টিকালচার নার্সারি বিষয়ে প্রশিক্ষণ
- বন্ধুত্বের আড়ালে চরম বিশ্বাসঘাতকতা! আইফোনের লোভে অপ্রতিমকে যেভাবে হত্যা করা হয়
- ডিজিটাল অভিজ্ঞতায় বড় চমক, দেশজুড়ে নতুন ইন্টারনেট ব্যবস্থা আনল গ্রামীণফোন
- বৈশ্বিক মঞ্চে নতুন সরকারের অভিষেক: জাতিসংঘ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- দুর্দান্ত জয়ের পরও বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বড় ছন্দপতন
- খাওয়ার টেবিলে শিশুর স্ক্রিন আসক্তি কি আসলেই ক্ষতিকর?
- আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ক্ষণ ঘনিয়ে আসছে মেসির
- কম বয়সে চুল পড়ার প্রধান তিনটি কারণ ও এর প্রতিকার
- জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে ইতালীয়দূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা দাবি করলেন এমপি নজরুল
- রাজধানী রিয়াদের আকাশে আগুনের শিখা! কী ঘটেছে আরামকো ও বিমানবন্দরে?
- শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবন থেকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাব
- প্রচারচিত্রে বুক চেপে লুটিয়ে পড়লেন ভাইজান! হঠাৎ কী ঘটল ‘বিগ বস’-এর মঞ্চে?








