ইরানের হামলার ৪০তম ধাপ শুরু! ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১২ ১২:২১:২৬
ইরানের হামলার ৪০তম ধাপ শুরু! ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের তীব্রতা বাড়িয়ে ইরান তাদের ‘প্রতিশোধমূলক’ হামলার ৪০তম ধাপ শুরু করেছে। দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বুধবার দিবাগত রাতে এক বিবৃতিতে জানায়, এবারের অভিযানে সরাসরি ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ড এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ইরানের উচ্চপর্যায়ের সামরিক কমান্ড ‘খাতাম আল-আনবিয়া’র দেওয়া তথ্যমতে, এই ব্যাপক অভিযানে উন্নত প্রযুক্তির ড্রোনসহ বিভিন্ন পাল্লার ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— কাদের, এমাদ, খেইবার শেকান এবং অত্যাধুনিক ‘ফাত্তাহ’ ক্ষেপণাস্ত্র। তেহরানের দাবি, তাদের ছোঁড়া এসব ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিব, পবিত্র শহর জেরুজালেম এবং বন্দরনগরী হাইফার কৌশলগত অবস্থানে নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে। এছাড়া জর্ডানের আল-আজরাক এবং সৌদি আরবের আল-খারজে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেও বড় ধরনের হামলার দাবি করেছে ইরান।

তবে ইরান এই দাবি করলেও উপসাগরীয় দেশগুলো পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা আটটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং বেশ কয়েকটি ড্রোন আকাশে থাকতেই সফলভাবে ধ্বংস করেছে; যার মধ্যে একটি ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিহীন মরু এলাকায় আছড়ে পড়ে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে একটি অনুপ্রবেশকারী ড্রোন ভূপাতিত করার কথা নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে—তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে এবং তারা শত্রুপক্ষের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোকাবিলা করছে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়াবহ আঞ্চলিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

/আশিক


পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দেখলেই ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ২৩:৩৮:৩১
পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দেখলেই ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলা কিংবা কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধের হুমকির মুখে তেহরান নমনীয় না হয়ে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রবেশ করলে তা ডুবিয়ে দেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ইরান।

শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আলি আবদুল্লাহি স্পষ্ট ভাষায় ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছেন, পারস্য উপসাগরে নতুন করে মার্কিন সেনা পাঠানোর যেকোনো পরিকল্পনা দুঃস্বপ্ন ছাড়া কিছু নয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংসের দাবি করলেও নিজেদের কোনো যুদ্ধজাহাজ তেহরানের জলসীমার কাছাকাছি পাঠানোর সাহস পাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো ধরনের উসকানি বা আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দিতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই চলমান উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে। সংঘাতের তীব্র আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৭ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’তে একের পর এক তেলবাহী ট্যাংকারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। একই সঙ্গে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাতও নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইউরোপীয় কয়েকটি দেশের সমন্বয়ে একটি কূটনৈতিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও তাতে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান অংশ নেয়নি। তুরস্ক ইতিমধ্যে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ইরানে নতুন করে কোনো হামলা চালানো হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য বড় ধরনের দাবানলে জ্বলে উঠবে। তবে তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন হামলা ও আগ্রাসী আচরণ বন্ধ না হলে তারা কোনো ধরনের সংলাপে বসবে না এবং হরমুজ প্রণালিও উন্মুক্ত করা হবে না।

সূত্র: আল-জাজিরা


যেকোনো সামরিক সংঘাতে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ২০:৪৯:০৮
যেকোনো সামরিক সংঘাতে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মূলত গণমাধ্যমে প্রচার ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে বারবার সামরিক হুমকির কৌশল বেছে নেন বলে মন্তব্য করেছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে কোনো ধরনের সামরিক সংঘাতে জড়ালে তার দাঁতভাঙা জবাব দিতে তেহরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি এই মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, বর্তমান বাস্তবতায় শত্রুপক্ষীয় মার্কিন বাহিনী কোনো কার্যকর সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে অক্ষম, যা তারা নিজেরাও খুব ভালোভাবেই জানে। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাবে আইআরজিসির মুখপাত্র বলেন, আগামী ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন হামলা চালানোর হুমকি মূলত লোকদেখানো এবং এটি গণমাধ্যমে আলোচনার খোরাক জোগাতে ও ইরানি জনগণের মনোবল ভাঙার একটি মনস্তাত্ত্বিক কৌশল মাত্র।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সীমিত পরিসরে কোনো আগ্রাসন চালানো হলেও ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বর্তমান প্রস্তুতি ও সুনির্দিষ্ট কার্যপরিকল্পনার কারণে তার প্রতিক্রিয়া হবে কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী বলে সতর্ক করেন জেনারেল মোহেব্বি।

সূত্র : সিবিএস নিউজ


আমি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি, অথচ নোবেল পাইনি: ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ২০:২৯:৩১
আমি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি, অথচ নোবেল পাইনি: ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে এক নির্বাচনী সমাবেশে ফের ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ঐতিহাসিক সামরিক সংঘাত থামানোর কৃতিত্ব নিজের করে নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্লোরিডায় আয়োজিত ওই সমাবেশে ট্রাম্প দাবি করেন, দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের ওপর চড়া শুল্কের হুমকি ও মার্কিন বাণিজ্য বন্ধের ভয় দেখিয়ে তিনি তাদের যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করেছিলেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ফ্লোরিডার সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, গত বছর দুই দেশের মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করলে তিনি তাদের সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, যুদ্ধ বন্ধ না করলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বাতিল করাসহ তাদের ওপর ২৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। তাঁর এই কড়া হুঁশিয়ারির ফলেই উভয় দেশ শেষ পর্যন্ত গোলাগুলি বন্ধ করতে বাধ্য হয় বলে জানান তিনি। যদিও সে সময় কোন পক্ষের ঠিক কতটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।

বক্তৃতায় ট্রাম্প আরও দাবি করেন, তিনি তাঁর নিজ কূটনৈতিক দক্ষতাবলেই জাতিসংঘের কোনো রূপ সাহায্য ছাড়াই বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত মোট আটটি ভিন্ন যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন। তবে এই বিশাল কূটনৈতিক সাফল্যের পরও নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় নিজের হতাশা ও আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এতগুলো সংঘাতের নিষ্পত্তি করা সত্ত্বেও তাঁকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার দেওয়া হয়নি।

সূত্র : ফোর্বস


ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন রুখতে বড় সামরিক অভিযানের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৯:১৯:১৮
ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন রুখতে বড় সামরিক অভিযানের নির্দেশ নেতানিয়াহুর
ছবি : সংগৃহীত

অধিকৃত পশ্চিম তীরে সাম্প্রতিক হামলার জের ধরে নতুন করে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যেই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের যেকোনো প্রক্রিয়া চিরতরে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) জন্য ‘বড় চমক’ বা আকস্মিক পদক্ষেপ অপেক্ষা করছে বলে প্রকাশ্যেই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।

শুক্রবার গভীর রাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম আই২৪ নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু এই হুঙ্কার দেন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করার কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না—এমন সরাসরি প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর এড়িয়ে গিয়ে তিনি জানান, আকস্মিক ও কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। নিজের সামরিক বা রাজনৈতিক কৌশলগুলো গোপন রাখাই শ্রেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের হুমকি নিষ্ক্রিয় করতে এমন কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা প্রতিপক্ষের জন্য বড় ধরনের চমক হয়ে আসবে।

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার তীব্র বিরোধিতা করে নিজের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের যেকোনো উদ্যোগ ইসরায়েল রুখে দেবে এবং এ ক্ষেত্রে সরকারের নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে না। এছাড়া সাক্ষাৎকারে আঞ্চলিক কূটনীতি ও আব্রাহাম চুক্তি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার শর্ত ছাড়াই খুব শীঘ্রই আরও একাধিক আরব ও মুসলিম দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্কে যুক্ত হতে যাচ্ছে। নেতানিয়াহুর এই কঠোর হুঁশিয়ারির পর অধিকৃত পশ্চিম তীরের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

আল জাজিরা


এপস্টিন ফাইলে নাম জড়িয়ে সৌদি রাজপরিবারের সমালোচনা হুথি নেতাদের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৭:১৯:২৬
এপস্টিন ফাইলে নাম জড়িয়ে সৌদি রাজপরিবারের সমালোচনা হুথি নেতাদের
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবের বিরুদ্ধে প্রোপাগাণ্ডা বা প্রচারযুদ্ধে সম্পূর্ণ নতুন এক কৌশল ও হাতিয়ার বেছে নিয়েছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। প্রচলিত কোনো ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা ড্রোন নয়, বরং কুখ্যাত মার্কিন যৌন অপরাধী ও অর্থলগ্নিকারী জেফরি এপস্টিনের ফাঁস হওয়া নথিকে কাজে লাগিয়ে রিয়াদকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে গোষ্ঠীটি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত এপস্টিন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নথিকে কেন্দ্র করে সাইবার প্রোপাগাণ্ডা চালাচ্ছে হুথিরা। ওই সব নথির একটি অংশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সৌদি রাজদরবারের সঙ্গে যুক্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিরা একসময় জেফরি এপস্টিনকে পবিত্র কাবার গিলাফের নকশা ও আবরণসংবলিত একটি বিশেষ ট্যাপেস্ট্রি বা দেয়ালচিত্র উপহার দিয়েছিলেন।

এই তথ্যটিকে লুফে নিয়ে হুথি নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ, বিবৃতি, ভিডিও এবং প্রতিবাদী সংগীতের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। হুথি নেতারা এটিকে হাতিয়ার করে দাবি করছেন, যারা একসময় এপস্টিনের মতো কুখ্যাত অপরাধীকে কাবার পবিত্র গিলাফ উপহার দিয়েছিল, তারাই আবার মক্কার পবিত্রতা ক্ষুণ্ন করার মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।

চলতি গ্রীষ্মে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ নতুন করে চরম আকার ধারণ করায় হুথিদের এই মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ ও প্রচারণাও বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রচারের অংশ হিসেবে হুথি প্রধান আবদুল মালিক আল-হুতি ও দেশটির প্রেসিডেন্ট মাহদি আল-মাশাত নিয়মিত তাদের বক্তব্যে এপস্টিন ফাইলের প্রসঙ্গ টেনে আনছেন।

এ ছাড়া ২৭ লাখেরও বেশি ফলোয়ার থাকা জনপ্রিয় ইয়েমেনি কৌতুকাভিনেতা মোস্তফা আল-মোমারি এই ইস্যু নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও তৈরি করেছেন এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্পীরা গান রচনা করেছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসলাম ধর্মের পবিত্র স্থান ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সৌদি রাজপরিবারকে জড়িয়ে হুথিরা মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষের মনে নেতিবাচক মনোভাব তৈরির সুদূরপ্রসারী কৌশল নিয়েছে।

সূত্র : নিউইয়র্ক টাইমস


যে আতঙ্কে খালি করা হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেল কোম্পানির সদর দপ্তর: বড় বিপর্যয়ের ইঙ্গিত?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৩ ১১:৫৭:৪৯
যে আতঙ্কে খালি করা হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেল কোম্পানির সদর দপ্তর: বড় বিপর্যয়ের ইঙ্গিত?
সৌদি আরব তেল কোম্পানি আরামকো দপ্তর

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সাথে সংঘাত তীব্র হয়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে বিশ্ব অর্থনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আঞ্চলিক যুদ্ধ পরিস্থিতির আকস্মিক অবনতি ঘটায় সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল জায়ান্ট আরামকো তাদের ধাহরানে অবস্থিত মূল সদর দপ্তর থেকে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির সাথে যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই হেডকোয়ার্টার খালি করার নির্দেশ দেওয়া হলো। রয়টার্সকে নিশ্চিত করা একাধিক সূত্রের তথ্যমতে, নিরাপত্তার স্বার্থে কর্মীদের কার্যালয়ে না এসে দূর থেকে বা রিমোটলি কাজ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আরামকোর প্রধান কার্যালয়ে নিরাপত্তার এমন চরম কড়াকড়ি মূলত ধারাবাহিক সশস্ত্র হামলার ফল। চলতি মাসের শুরুর দিকে ধাহরানে আরামকোর এই মূল ভবনে হুথিদের সরাসরি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কয়েকটি তলায় ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং মারাত্মক অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়। এর পাশাপাশি বিশ্ববাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ লোহিত সাগরের বাব আল-মানদেব প্রণালির দিকে হুথি যোদ্ধারা অগ্রসর হওয়ায় ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ আরও তীব্র রূপ নিয়েছে।

সামরিক মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যে হুথি মুখপাত্র জেনারেল ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়ানবু শহরের আরামকো স্থাপনা এবং রিয়াদে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে লক্ষ্য করে তারা হামলা চালিয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট এসব দাবির সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না করলেও জোট বাহিনী জানিয়েছে, রিয়াদ ও পবিত্র নগরী মদিনার আকাশে বেশ কয়েকটি হামলাকারী ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। এর জবাবে হুথিদের একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ঘাঁটিতে পাল্টা বিমান হামলা চালায় সৌদি জোট। গত জুলাই থেকে চলা এই পাল্টাপাল্টি হামলায় ইতোমধ্যে ইয়েমেনে ৫ শতাধিক মানুষ হতাহত হয়েছে বলে হুথিরা দাবি করেছে।

তেল অবকাঠামোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতেও হামলা জোরদার করেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি। সম্প্রতি ধাহরানের কাছে দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি হামলায় এক সৌদি ও এক ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারান এবং আরও আটজন আহত হন। যদিও বর্তমানে বিমানবন্দরটির কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে, তবুও ঝুঁকি কাটেনি। এর আগে রিয়াদ ও আভা বিমানবন্দরে হামলা চালানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান সংস্থাগুলোকে সৌদি আকাশসীমা ব্যবহার না করার কঠোর হুমকি দিয়েছে হুথিরা।

আরামকোর সদর দপ্তর খালি করা ও বিমানবন্দরগুলোতে হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই বিশ্ব অর্থনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে সৌদি আরবের প্রধান শেয়ারবাজার সূচক ২.৫ শতাংশ কমে যায় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩.০৬ ডলার বৃদ্ধি পেয়ে ১১১.৮৮ ডলারে গিয়ে পৌঁছায়, যা মে মাসের পর সর্বোচ্চ। জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক অঞ্চলের মূল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা অবরুদ্ধ হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মক সংকটের মুখে পড়বে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতিতে।(সূত্র: রয়টার্স ও দ্য আলজেমাইনার)


রিয়াদ ও মদিনায় বড় ধরনের ড্রোন হামলার দাবি সৌদি জোটের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ২০:২৮:০৬
রিয়াদ ও মদিনায় বড় ধরনের ড্রোন হামলার দাবি সৌদি জোটের
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবের রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চল লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রেরিত চারটি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন নিখুঁতভাবে ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চলের আকাশসীমায় প্রবেশ করতেই ড্রোনগুলো শনাক্ত করা হয় এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সেগুলো সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

উলেখ্য, গত জুলাইয়ে ইয়েমেনের সানা বিমানবন্দরে ইরান থেকে ফিরে আসা হুথি নেতাদের বহনকারী একটি উড়োজাহাজ অবতরণে সৌদি জোট বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘাতের সূচনা হয়। এর পরপরই প্রতিশোধ হিসেবে সৌদি আরবের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর ও তেল শোধনাগারে ধারাবাহিক হামলা চালাতে শুরু করে হুথিরা। বিপরীতে, হুথিদের রাজধানী সানা থেকে বিতাড়িত করতে 'অপারেশন ডন অব ইয়েমেন' নামে নতুন সামরিক অভিযান শুরু করেছে সৌদি জোট।

সৌদি আরবের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, হুথিরা ইসলাম ধর্মের পবিত্র ভূমি মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে, যা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তবে হুথিরা এই অভিযোগকে 'ঘৃণ্য মিথ্যাচার' বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সঙ্গে তারা হুশিয়ারি দিয়েছে যে, মক্কা ও মদিনা অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র সৌদি আরবের আকাশসীমায় যেকোনো ধরনের বিমান চলাচল ঝুঁকির মুখে পড়বে। এর মধ্যেই বুধবার দাম্মাম বিমানবন্দরে চালানো হুথি হামলায় দুজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

/আশিক


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনায় রাজি রাশিয়া

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৮:৩৮:০৭
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনায় রাজি রাশিয়া
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে নতুন করে শান্তিতে সম্মত হয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ক্রেমলিনের তথ্য মতে, আগামী ১০ নভেম্বর বা তার পরপরই রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই বহুপ্রত্যাশিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্রেমলিন জানায়, সেন্ট পিটার্সবার্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে দীর্ঘ তিন ঘণ্টার এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত আসে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী এই যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের কূটনীতির অংশ হিসেবে তাদের মধ্যে এটি নবম বৈঠক। বৈঠকে সুসংবাদের অংশ হিসেবে পুতিন রাশিয়াতে বন্দি মার্কিন স্কুলশিক্ষক স্টিফেন হাবর্নিকে মুক্তি প্রদান করেন। ফোনে উইটকফের সঙ্গে এই আলোচনায় যুক্ত ছিলেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারও।

তবে সম্ভাব্য এই বৈঠককে ইতিবাচক বললেও পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তির মূল শর্তাবলি নিয়ে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য রয়ে গেছে। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক অঞ্চল সম্পূর্ণ রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রাখা, ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদান থেকে বিরত থাকা এবং অস্থায়ী বিরতির বদলে স্থায়ী চুক্তি করার দাবিতে অনড় পুতিন। অন্যদিকে ইউক্রেন ও তাদের ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে যে ওয়াশিংটন হয়তো ধীরে ধীরে ইউক্রেনের পাশ থেকে সরতে শুরু করেছে। ইউক্রেনকে ট্রাম্প ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এখনই যুদ্ধ বন্ধের উপযুক্ত সময়, নয়তো দেশটিকে আরও খারাপ পরিণতির মুখোমুখি হতে হতে পারে। এছাড়া এই আন্তর্জাতিক বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি ইরান সংকট, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য শীর্ষ বৈঠক ও মার্কিন কৃষিতে রুশ সার সরবরাহ সংক্রান্ত যৌথ অর্থনৈতিক আলোচনা স্থান পেয়েছে।

/আশিক


মধ্যপ্রাচ্য উত্তপ্ত: সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় রক্তাক্ত প্রবাসীরা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৮:০৩:১৫
মধ্যপ্রাচ্য উত্তপ্ত: সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় রক্তাক্ত প্রবাসীরা

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক এক হামলার ঘটনায় দুজন বাংলাদেশিসহ মোট আটজন যাত্রী ও কর্মী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (জিএসিএ)। সংস্থাটি জানায়, আহতদের মধ্যে একজন সৌদি, দুজন ভারতীয়, দুজন ইয়েমেনি, দুজন বাংলাদেশি এবং একজন নেপালি নাগরিক রয়েছেন। ঘটনার পরপরই তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একাধিক হাসপাতালে নিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জিএসিএ নিশ্চিত করেছে যে, হামলার প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ইতিমধ্যেই বিমানবন্দরের যাবতীয় কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং বিমান চলাচল পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং বিমানবন্দর ব্যবহারকারী যাত্রী ও কর্মচারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ চলছে। একইসঙ্গে বেসামরিক বিমান চলাচল ব্যবস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার কথা জানিয়েছে তারা।

মূলত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে চলমান সংঘাত মারাত্মক আকার ধারণ করায় এই হামলা চালানো হয়। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চলায় বাধ্য হয়ে দেশের প্রধান বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা এবং একটি বড় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন পিছিয়ে দেয় রিয়াদ। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি মাসেই দেশটির বিমানবন্দরগুলোতে দফায় দফায় চালানো হামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর আগে গত ১১ অক্টোবর কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলা চালিয়েছিল হুথিরা।

/আশিক

পাঠকের মতামত: